ঢাকা ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মাদকসেবী নয়, মাদক সম্রাট ও মাফিয়াদের ধরতে কাজ করছি’: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবাগত এসপি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ২০২৬ পালিত। অপরাধ দমনে মৃত্যুদণ্ড নয়, সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘মৃত্যুদণ্ড বিলোপ দিবস’ পালিত Saimum Sairas elected BPMCA senior joint secretary ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘সেরা পূজা মণ্ডপ’ শারদ সম্মাননা পেল দক্ষিণ কালীবাড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০ লক্ষ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লায়ন্স ক্লাবের ফ্রি ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেসার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। আখাউড়ায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে শাহীন নামের পথচারীর আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-গুলি-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪, কারাগারে ২১; আটক ৯ কিশোর

মামলা প্রত্যাহার পুন:তদন্তের দাবীতে মানববন্ধন; মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ ৩৬৫ বার পড়া হয়েছে

মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

আওয়ামীলীগ নেতা এ কে এম ইকবাল আজাদ হত্যা মামলা প্রত্যাহার করে পুনরায় তদন্তের দাবীতে সরাইলে দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাংশের নেতা কর্মীরা। প্রকৃত খুনীদের বিচার দাবী করে নিরপরাধ নির্দোষ লোকদের প্রত্যাহার চেয়েছেন তারা। দাবী আদায় না হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে একের পর এক কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আ’লীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে পাঁচ শতাধিক লোকের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ইসমত আলী। বক্তব্য রাখেন-আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সরাইল সদরের (সাবেক) চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মো. মাহফুজ আলী। নিজেদের নির্দোষ দাবী করে বক্তারা বলেন, ইকবাল আজাদকে হত্যা করেছে কতিপয় মাদকাসক্ত। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে তৎকালীন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল লোকদের আসামী করে সরাইল আ’লীগকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছেন। বিনা অপরাধে আমরা দীর্ঘ সময় জেলে খেটেছি। বাড়িঘর ভাংচুর করেছে। পুঁড়িয়ে দিয়েছে। ধন সম্পদ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। আমাদেরকে নি:স্ব করা হয়েছে। সরাইলের মানুষ আর ঘরে বসে থাকবে না। রাস্তায় নেমেছেন। দাবী আদায় করেই সবাই ঘরে ফিরবেন। মামলাটি দ্রূত প্রত্যাহার করে পুনরায় তদন্তের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা। দাবী আদায় না হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে অচল করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একের পর এক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিবেন। দাবী আদায়ের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচিতে কেউ বাঁধা দিলে পরিস্থিতি ভরাবহ হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী বলেন, মিথ্যা মামলায় মুক্তিযোদ্ধাদের জেলে পঁচতেই কি জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম? রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে শেষ বয়সে আর পারছি না। মামলাটির পুন:তদন্তের ব্যবস্থা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্কক্ষেপ কামনা করেছেন। আব্দুল জব্বার ও মো. মাহফুজ আলী নিজেদের নির্দোষ দাবী করে বলেন, মূলত সরাইল আওয়ামীলীগকে চিরতরে কবর দেয়ার উদ্যেশ্যেই মামলায় নিরপরাধ মুক্তিযোদ্ধা, আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। জেলা খাটানো হয়েছে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে পুনরায় তদন্তের ব্যবস্থা করতে প্রথানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। প্রসঙ্গত: ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২১ অক্টোবর দলীয় কোন্দলের জেরেই খুন হন ইকবাল আজাদ। হত্যা মামলায় আসামী করা হয় আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে। দলীয় সাংগঠনিক কাজে আসে স’বিরতা। সেই স্থবিরতা কাটেনি আদেী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

মামলা প্রত্যাহার পুন:তদন্তের দাবীতে মানববন্ধন; মহাসড়ক অবরোধের ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০২২

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

আওয়ামীলীগ নেতা এ কে এম ইকবাল আজাদ হত্যা মামলা প্রত্যাহার করে পুনরায় তদন্তের দাবীতে সরাইলে দীর্ঘ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের একাংশের নেতা কর্মীরা। প্রকৃত খুনীদের বিচার দাবী করে নিরপরাধ নির্দোষ লোকদের প্রত্যাহার চেয়েছেন তারা। দাবী আদায় না হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে একের পর এক কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে আ’লীগের সাবেক নেতৃবৃন্দের আয়োজনে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার চত্বরে পাঁচ শতাধিক লোকের অংশ গ্রহনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ইসমত আলী। বক্তব্য রাখেন-আ’লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন ঠাকুর, সাবেক যুগ্ম সম্পাদক ও সরাইল সদরের (সাবেক) চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মো. মাহফুজ আলী। নিজেদের নির্দোষ দাবী করে বক্তারা বলেন, ইকবাল আজাদকে হত্যা করেছে কতিপয় মাদকাসক্ত। রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে একটি মহল ষড়যন্ত্র করে তৎকালীন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসংগঠনের দায়িত্বশীল লোকদের আসামী করে সরাইল আ’লীগকে ধ্বংস করার খেলায় মেতেছেন। বিনা অপরাধে আমরা দীর্ঘ সময় জেলে খেটেছি। বাড়িঘর ভাংচুর করেছে। পুঁড়িয়ে দিয়েছে। ধন সম্পদ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়েছে। আমাদেরকে নি:স্ব করা হয়েছে। সরাইলের মানুষ আর ঘরে বসে থাকবে না। রাস্তায় নেমেছেন। দাবী আদায় করেই সবাই ঘরে ফিরবেন। মামলাটি দ্রূত প্রত্যাহার করে পুনরায় তদন্তের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সুদৃষ্টি কামনা করছেন তারা। দাবী আদায় না হলে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে অচল করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। একের পর এক শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিবেন। দাবী আদায়ের শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচিতে কেউ বাঁধা দিলে পরিস্থিতি ভরাবহ হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা ইসমত আলী বলেন, মিথ্যা মামলায় মুক্তিযোদ্ধাদের জেলে পঁচতেই কি জীবন বাজি রেখে দেশের জন্য যুদ্ধ করেছিলাম? রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে শেষ বয়সে আর পারছি না। মামলাটির পুন:তদন্তের ব্যবস্থা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হস্কক্ষেপ কামনা করেছেন। আব্দুল জব্বার ও মো. মাহফুজ আলী নিজেদের নির্দোষ দাবী করে বলেন, মূলত সরাইল আওয়ামীলীগকে চিরতরে কবর দেয়ার উদ্যেশ্যেই মামলায় নিরপরাধ মুক্তিযোদ্ধা, আ’লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীকে আসামী করা হয়েছে। জেলা খাটানো হয়েছে। মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে পুনরায় তদন্তের ব্যবস্থা করতে প্রথানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা। প্রসঙ্গত: ২০১২ খ্রিষ্টাব্দের ২১ অক্টোবর দলীয় কোন্দলের জেরেই খুন হন ইকবাল আজাদ। হত্যা মামলায় আসামী করা হয় আ’লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দকে। দলীয় সাংগঠনিক কাজে আসে স’বিরতা। সেই স্থবিরতা কাটেনি আদেী।