ঢাকা ১২:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘সেরা পূজা মণ্ডপ’ শারদ সম্মাননা পেল দক্ষিণ কালীবাড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০ লক্ষ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় লায়ন্স ক্লাবের ফ্রি ডায়াবেটিস ও ব্লাড প্রেসার ক্যাম্প অনুষ্ঠিত। আখাউড়ায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে শাহীন নামের পথচারীর আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-গুলি-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪, কারাগারে ২১; আটক ৯ কিশোর ৬০ বিজিবির অভিযানে ২৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য ও বিয়ার জব্দ ভাষা সৈনিক অলি আহাদ’র ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর। বাবার বিরুদ্ধে মামলা ষড়যন্ত্রমূলক: ফেসবুকে মেয়ের প্রতিবাদ, উল্টো হুমকির অভিযোগ মূলগ্রাম কলেজে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ

হাসপাতালে নারী কর্মচারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি; হাসপাতাল ভাঙচুর

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি
  • আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬ ৪৪৫ বার পড়া হয়েছে

হাসপাতালে নারী কর্মচারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি; হাসপাতাল ভাঙচুর

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌরশহরের কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে এক নারী কর্মচারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কর্মচারী সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে ভাঙচুর ও সিসিটিভি সরঞ্জাম নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাসলিমা আক্তার (২২) নামে ওই নারী যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে রিসিপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার দাবি, হাসপাতালের বাইরে সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কিছু ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ চলছিল। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের সামনে অভিযুক্তরা তাকে ঘিরে ধরে। এ সময় তার চুল ধরে টানাহেঁচড়া, মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তিনি আহত হন এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে দাবি করেছেন। অভিযোগে লিপি বেগম, জামাল মিয়া, আতিক, কাউছার, জাকির ও খায়ের নামে ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের সবাই হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী আরও জানান, ঘটনার সময় ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। মটোফোনে যোগাযোগ করা হলে যমুনা হাসপাতালের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী বলেন, আমি হাসপাতালে উপস্থিত ছিলাম না আমি ঢাকায় ছিলাম। তবে ঘটনার কথা শুনেছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যারা অপরাধ করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। তিনি আরও জানান আমি শুনতে পেয়েছি , ঘটনার সময় হাসপাতালে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডিভিআর মেশিন নষ্ট করা হয়। কিছু সিসিটিভি সরঞ্জাম খুলে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। এতে হাসপাতালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান। জুলফিকার আলীর ভাষ্য, হাসপাতালে সন্ত্রাসী নিয়ে এসে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। রোগী ও হাসপাতালের স্টাফদের মধ্যে চরম ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশও নষ্ট হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হাসপাতালে নারী কর্মচারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানি; হাসপাতাল ভাঙচুর

আপডেট সময় : ০৯:৪১:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পৌরশহরের কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে এক নারী কর্মচারীকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কয়েকজনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী কর্মচারী সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ হাসপাতালে ভাঙচুর ও সিসিটিভি সরঞ্জাম নষ্ট করার অভিযোগ তুলেছে। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, তাসলিমা আক্তার (২২) নামে ওই নারী যমুনা প্রাইভেট হাসপাতালে রিসিপশনিস্ট হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। তার দাবি, হাসপাতালের বাইরে সাধারণ রোগীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়কে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরে কিছু ব্যক্তির সঙ্গে বিরোধ চলছিল। লিখিত অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, শনিবার (১৬ মে) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের সামনে অভিযুক্তরা তাকে ঘিরে ধরে। এ সময় তার চুল ধরে টানাহেঁচড়া, মারধর ও শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এতে তিনি আহত হন এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেন বলে দাবি করেছেন। অভিযোগে লিপি বেগম, জামাল মিয়া, আতিক, কাউছার, জাকির ও খায়ের নামে ছয়জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তাদের সবাই হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী আরও জানান, ঘটনার সময় ৯৯৯-এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলেও অভিযোগে উল্লেখ করেছেন। মটোফোনে যোগাযোগ করা হলে যমুনা হাসপাতালের চেয়ারম্যান জুলফিকার আলী বলেন, আমি হাসপাতালে উপস্থিত ছিলাম না আমি ঢাকায় ছিলাম। তবে ঘটনার কথা শুনেছি। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যারা অপরাধ করেছে, তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার করা হোক। তিনি আরও জানান আমি শুনতে পেয়েছি , ঘটনার সময় হাসপাতালে ভাঙচুর চালানো হয় এবং সিসিটিভি ক্যামেরা ও ডিভিআর মেশিন নষ্ট করা হয়। কিছু সিসিটিভি সরঞ্জাম খুলে নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করেন তিনি। এতে হাসপাতালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন চেয়ারম্যান। জুলফিকার আলীর ভাষ্য, হাসপাতালে সন্ত্রাসী নিয়ে এসে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়েছে। রোগী ও হাসপাতালের স্টাফদের মধ্যে চরম ভীতিকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। হাসপাতালের স্বাভাবিক পরিবেশও নষ্ট হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।