ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সমাবেশ

বাঞ্ছারামপুরে ‘ত্রাসের রাজত্ব’, ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫ ১৫৭৩ বার পড়া হয়েছে

বাঞ্ছারামপুরে ‘ত্রাসের রাজত্ব’, ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সালাউদ্দিন মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় শিশু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে বাজারে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা এবং তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু মিয়া বাদী হয়ে সালাউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। রবিবার (২৯ জুন, ২০০৫) বাঞ্ছারামপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে তিনি এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সালাউদ্দিন মিয়া ও তার সহযোগীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এরই জের ধরে তারা স্থানীয় বাসিন্দা শিশু মিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। শিশু মিয়া এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার উপর ক্ষিপ্ত হয় সালাউদ্দিন ও তার দলবল। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অভিযুক্তরা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। সম্প্রতি শিশু মিয়াকে বাজারে একা পেয়ে সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশু মিয়া জানান, “সালাউদ্দিন ও তার বাহিনী এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে। তাদের চাঁদাবাজিতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। আমি এর থেকে বাঁচতে এবং ন্যায়বিচার পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।” এলাকাবাসীর অভিযোগ, সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তাদের ভয়ে এতদিন অনেকে মুখ খুলতে সাহস না পেলেও শিশু মিয়ার এই মামলা দায়েরের পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং অনেকেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঞ্ছারামপুরে ‘ত্রাসের রাজত্ব’, ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর

আপডেট সময় : ০৫:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সালাউদ্দিন মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় শিশু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে বাজারে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা এবং তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু মিয়া বাদী হয়ে সালাউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। রবিবার (২৯ জুন, ২০০৫) বাঞ্ছারামপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে তিনি এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সালাউদ্দিন মিয়া ও তার সহযোগীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এরই জের ধরে তারা স্থানীয় বাসিন্দা শিশু মিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। শিশু মিয়া এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার উপর ক্ষিপ্ত হয় সালাউদ্দিন ও তার দলবল। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অভিযুক্তরা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। সম্প্রতি শিশু মিয়াকে বাজারে একা পেয়ে সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশু মিয়া জানান, “সালাউদ্দিন ও তার বাহিনী এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে। তাদের চাঁদাবাজিতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। আমি এর থেকে বাঁচতে এবং ন্যায়বিচার পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।” এলাকাবাসীর অভিযোগ, সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তাদের ভয়ে এতদিন অনেকে মুখ খুলতে সাহস না পেলেও শিশু মিয়ার এই মামলা দায়েরের পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং অনেকেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।