ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষাসেবার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দু’বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজন হচ্ছে নৌকাবাইচ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও মাদক জব্দ ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩০ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ এক কর্মকর্তা দুই পদে, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাতের অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বিজ্ঞান ক্লাব টেকসইকরণ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৪০ লাখ টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ নবীনগরের শিবপুর ইউপি’র চেয়ারম্যানর বিরুদ্ধে ৯জন ইউপির সদস্য আনীত অভিযোগ প্রত্যাহার। সদর উপজেলা পরিষদের সিও দীঘি পরিদর্শনকালে এমপি শ্যামল ভূমি জটিলতা নিরসনে গণশুনানি অনুষ্ঠিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসকদের সেবা বন্ধ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩ ৩২৭ বার পড়া হয়েছে

সদর হাসপাতালের ইনডোর আউডডোরে বেড়েছে রোগীর চাপ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সারাদেশে চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ ২দিন বন্ধ রেখেছে রোগীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রাইভেট হাসপাতালে আসা সেবা প্রত্যাশী রোগীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ইনডোর আউডডোরে বেড়েছে রোগীর চাপ। হাসপাতালে তিল পরিমান জায়গা নেই। প্রচন্ড গরমের মাঝে মেঝেতে বাড়ান্দায় যে যেখানে পাড়ছে সেখানে বসেই সেবা নিচ্ছে। এদিকে সারাদেশে হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক ও ভুল ব্যাখায় চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদ এবং গ্রেপ্তারকৃত ডা. মিলি, ডা. মুনা ও ডা. শাহাজাদীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করে দফায় দফায় মানববন্ধন করেছে চিকিৎসকরা। এ সময় চিকিৎসকরা বলেন, ‘আমরা চিকিৎসকের নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই। একজন মুমুর্ষ রোগীকে নির্ভয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে চাই। চিকিৎসকরা নিগ্রহ এবং মামলায় পড়লে চিকিৎসা সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’ চিকিৎসকেরা রোগীদের প্রতি খুবই আন্তরিক ও যত্নশীল উল্লেখ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের গাইনী বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফিদা আক্তার হ্যাপী বলেন, অনেকে ধারণা করেন যে চিকিৎসকেরা কোনো কারণ ছাড়া সিজার করে ফেলেন। এটা সম্পুর্ণ ভুল ধারণা। নিরাপদ প্রসব, মা ও সন্তানের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনবোধে সিজার করা হয়। ডা. মিলির বিরুদ্ধে অন্যায় মামলা করা হয়েছে। কোনো তদন্ত ছাড়াই ডা. মুনা ও ডা. শাহজাদী’কে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা এই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অন্যায় মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারকৃতদের স্বসম্মানে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। প্রাইভেট চিকিৎসা বন্ধ থাকায় আমাদের রাত একটা থেকে একের পর এক ইমারজেন্সি ফোন আসছে। আমারা রোগীদের সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রাইভেট হাসপাতালে চিকিৎসকদের সেবা বন্ধ

আপডেট সময় : ০৬:২৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ জুলাই ২০২৩

সারাদেশে চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সব বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা ও পরামর্শ ২দিন বন্ধ রেখেছে রোগীরা। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন প্রাইভেট হাসপাতালে আসা সেবা প্রত্যাশী রোগীরা। ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতালের ইনডোর আউডডোরে বেড়েছে রোগীর চাপ। হাসপাতালে তিল পরিমান জায়গা নেই। প্রচন্ড গরমের মাঝে মেঝেতে বাড়ান্দায় যে যেখানে পাড়ছে সেখানে বসেই সেবা নিচ্ছে। এদিকে সারাদেশে হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনষ্টিক ও ভুল ব্যাখায় চিকিৎসক নিগ্রহের প্রতিবাদ এবং গ্রেপ্তারকৃত ডা. মিলি, ডা. মুনা ও ডা. শাহাজাদীর নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করে দফায় দফায় মানববন্ধন করেছে চিকিৎসকরা। এ সময় চিকিৎসকরা বলেন, ‘আমরা চিকিৎসকের নিরাপদ কর্মপরিবেশ চাই। একজন মুমুর্ষ রোগীকে নির্ভয়ে চিকিৎসা সেবা দিতে চাই। চিকিৎসকরা নিগ্রহ এবং মামলায় পড়লে চিকিৎসা সেবা দেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’ চিকিৎসকেরা রোগীদের প্রতি খুবই আন্তরিক ও যত্নশীল উল্লেখ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের গাইনী বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডাঃ মাহফিদা আক্তার হ্যাপী বলেন, অনেকে ধারণা করেন যে চিকিৎসকেরা কোনো কারণ ছাড়া সিজার করে ফেলেন। এটা সম্পুর্ণ ভুল ধারণা। নিরাপদ প্রসব, মা ও সন্তানের নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনবোধে সিজার করা হয়। ডা. মিলির বিরুদ্ধে অন্যায় মামলা করা হয়েছে। কোনো তদন্ত ছাড়াই ডা. মুনা ও ডা. শাহজাদী’কে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আমরা এই চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে অন্যায় মামলা প্রত্যাহার এবং গ্রেপ্তারকৃতদের স্বসম্মানে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। প্রাইভেট চিকিৎসা বন্ধ থাকায় আমাদের রাত একটা থেকে একের পর এক ইমারজেন্সি ফোন আসছে। আমারা রোগীদের সেবা দিতে হিমসিম খাচ্ছি।