ঢাকা ০২:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
মূলগ্রাম কলেজে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৩ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ কবির কলম’-এর ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০০ রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিল লায়ন্স ক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাবলা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদকের অর্থায়নে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৫ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ বছরের মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮ মামলার আসামি কুখ্যাত ছিনতাইকারী চাঁন মিয়া গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালা ‘গুণী শিক্ষক’ পুরস্কার পেলেন ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আহসান শাহরিয়ার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেস্তোরাঁ ও মন্দিরের জায়গা দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকিতে জিডি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩২২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেস্তোরাঁ ও মন্দিরের জায়গা দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকিতে জিডি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম পাইকপাড়া এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ (হোটেল) ও মন্দিরের জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সুমন চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় জিডিটি করেন। জিডি নম্বর-৭৭৬, তারিখ ১১ আগস্ট ২০২৬। জিডিতে অভিযুক্ত করা হয়েছে শহরের কালাইশ্রীপাড়া (মদিনা মসজিদের পাশে) এলাকার মৃত মোজাফ্ফর আহাম্মেদের দুই ছেলে মোস্তাক আহাম্মেদ (৫০) ও ইমতিয়াজ (৪২)-কে। জিডি সূত্রে জানা যায়, শহরের পশ্চিম পাইকপাড়া মৌজায় ১৮ শতাংশ জায়গার ওপর ‘আমুই হোটেল’ ও একটি ‘ব্রাহ্ম মন্দির’ রয়েছে। জায়গাটির মূল মালিক রামকানাই দত্ত। আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) সূত্রে সুমন চন্দ্র দাস জায়গাটির সত্ত্বাধিকারী এবং তিনি মন্দিরটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জায়গাটি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে আদালতে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যে দেওয়ানি মোকদ্দমা নং-১৯/২০১৮ এবং পি-মামলা নং-৮৫৮/২০২৬। জিডিতে অভিযোগ করা হয়, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোস্তাক ও ইমতিয়াজ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ওই জায়গায় অবস্থিত ‘আমুই হোটেলে’ যান। সেখানে গিয়ে তারা হোটেলের ভাড়াটিয়া রুহুল আমিন সেলিমকে দ্রুত হোটেল ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। একই সঙ্গে সুমন চন্দ্র দাসকে মামলা তুলে নিয়ে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্যও চাপ প্রয়োগ করেন।

এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সুমন চন্দ্র দাস ও ভাড়াটিয়া রুহুল আমিন সেলিমকে মারধরের চেষ্টা করেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছুদিনের মধ্যে হোটেল ও জায়গা ছেড়ে না দিলে তাদের হত্যা করা হবে এবং জোরপূর্বক জায়গা দখল করে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। সুমন চন্দ্র দাসের দাবি, জায়গাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলছে। এ বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা যেকোনো সময় ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে জায়গা দখল, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও খুনখারাপির মতো ঘটনা ঘটাতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এতে তিনি ও তার ভাড়াটিয়ারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনি সহায়তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানান সুমন চন্দ্র দাস। এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সনজীব কুমার পাল বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলমান রয়েছে।’

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেস্তোরাঁ ও মন্দিরের জায়গা দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকিতে জিডি

আপডেট সময় : ০৮:৪২:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের পশ্চিম পাইকপাড়া এলাকায় একটি রেস্তোরাঁ (হোটেল) ও মন্দিরের জায়গা জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা এবং প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সুমন চন্দ্র দাস নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় জিডিটি করেন। জিডি নম্বর-৭৭৬, তারিখ ১১ আগস্ট ২০২৬। জিডিতে অভিযুক্ত করা হয়েছে শহরের কালাইশ্রীপাড়া (মদিনা মসজিদের পাশে) এলাকার মৃত মোজাফ্ফর আহাম্মেদের দুই ছেলে মোস্তাক আহাম্মেদ (৫০) ও ইমতিয়াজ (৪২)-কে। জিডি সূত্রে জানা যায়, শহরের পশ্চিম পাইকপাড়া মৌজায় ১৮ শতাংশ জায়গার ওপর ‘আমুই হোটেল’ ও একটি ‘ব্রাহ্ম মন্দির’ রয়েছে। জায়গাটির মূল মালিক রামকানাই দত্ত। আমমোক্তারনামা (পাওয়ার অব অ্যাটর্নি) সূত্রে সুমন চন্দ্র দাস জায়গাটির সত্ত্বাধিকারী এবং তিনি মন্দিরটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

জায়গাটি নিয়ে অভিযুক্তদের সঙ্গে আদালতে দুটি মামলা চলমান রয়েছে। এর মধ্যে দেওয়ানি মোকদ্দমা নং-১৯/২০১৮ এবং পি-মামলা নং-৮৫৮/২০২৬। জিডিতে অভিযোগ করা হয়, মামলা চলমান থাকা অবস্থায় মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মোস্তাক ও ইমতিয়াজ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে ওই জায়গায় অবস্থিত ‘আমুই হোটেলে’ যান। সেখানে গিয়ে তারা হোটেলের ভাড়াটিয়া রুহুল আমিন সেলিমকে দ্রুত হোটেল ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ দেন। একই সঙ্গে সুমন চন্দ্র দাসকে মামলা তুলে নিয়ে জায়গা ছেড়ে দেওয়ার জন্যও চাপ প্রয়োগ করেন।

এ সময় কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে অভিযুক্তরা সুমন চন্দ্র দাস ও ভাড়াটিয়া রুহুল আমিন সেলিমকে মারধরের চেষ্টা করেন বলে জিডিতে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি কিছুদিনের মধ্যে হোটেল ও জায়গা ছেড়ে না দিলে তাদের হত্যা করা হবে এবং জোরপূর্বক জায়গা দখল করে নেওয়া হবে বলেও হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। সুমন চন্দ্র দাসের দাবি, জায়গাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ও মামলা চলছে। এ বিরোধের জেরে অভিযুক্তরা যেকোনো সময় ভাড়াটে সন্ত্রাসী দিয়ে জায়গা দখল, দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও খুনখারাপির মতো ঘটনা ঘটাতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন। এতে তিনি ও তার ভাড়াটিয়ারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

এ ঘটনায় প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ ও আইনি সহায়তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন বলে জানান সুমন চন্দ্র দাস। এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সনজীব কুমার পাল বলেন, ‘একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলমান রয়েছে।’