ভূমি জটিলতা নিরসনে গণশুনানি অনুষ্ঠিত।
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬ ৩৯ বার পড়া হয়েছে
সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া এর সহযোগিতায় এবং সদর উপজেলা ভূমি অফিসের আয়োজনে বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট, রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গণে ভূমিসেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে গণসচেতনতামূলক কার্যকম যেমন নামজারি আবেদন, অভিযোগ নিস্পত্তিসহ গণশুনানির আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন ভূমি জটিলতা নিরসনে জনসচেতনতার পাশাপাশি সেবাদাতাদের আরো আন্তরিক হয়ে সেবা প্রদান করতে হবে। তিনি ভূমি সেবাগ্রহীতাদের উদ্দেশ্যে বলেন নিজেদের কাজ নিজেরা গিয়ে করতে হবে। অন্যের সহযোগিতা নিলে তৃতীয় পক্ষ দুর্নীতি করার সুযোগ পায়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাসরিন সেবাগ্রহীতাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং যেসকল সমস্যা সমাধানে হয়রানির শিকার হয়েছেন তাঁদের উপজেলা ভূমি অফিসে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করেন। তিনি বলেন এখন ভূমি সেবা সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। ফলে দুর্নীতি বা অনিয়ম কমে এসেছে। রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মশিউর রহমান সেলিম বলেন ভূমিসেবা প্রদানে ইউনিয়ন পরিষদ অত্যন্ত গুরত্বের সাথে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। উত্তরাধিকার সনদ প্রদানের পূর্বে ইউনিয়ন পরিষদ যাচাই-বাচাই করে সনদ প্রদান করে থাকে। শুভেচ্ছা বক্তব্যে সনাক সদস্য মোঃ আরজু মিয়া বলেন সনাক এই ধরণের কর্মসূচী আয়োজন করে জনগণকে সচেতন করানোর জন্য। আজকের কর্মসুচীতে ভূমি সেবা নিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিস্তারিত আলোচনা করবেন। সনাক সভাপতি জয়দুল হোসেন সভাপতির বক্তব্যে বলেন যে ভূমি সমস্যা ছিলো এবং এখনো আছে তবে হয়তো ভবিষ্যতে তেমন থাকবেনা যদি সকলে সমভাবে সচেতন হয়ে যায়। অসচেতনতার কারণে ভূমি নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয় তবে এই কথা সত্য যে, কিছু ভূমিদস্যূ ও দালালদের খপ্পরে পড়ে অনেকে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছেন। জনসচেতনতাবৃদ্ধির লক্ষ্যেই আজকের এই গণশুনানি। উক্ত সচেতনতামূলক কার্যক্রমে ভূমি কর আদায়সহ নামজারি অভিযোগ নিস্পত্তি ও প্রতিকার ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। টিআইবি’র এরিয়া কোঅর্ডিনেটর মোঃ আবদুর রহমানের সঞ্চালনায় আয়োজিত উক্ত কর্মসূচীতে তরী বাংলাদেশ এর আহ্ববায়ক শামীম আহমেদ খাল দখলমুক্ত করার দাবি জানান। এলাকাবাসির পক্ষে ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মানিক মিয়া বলেন হাইওয়ে রোড হওয়ায় প্রায় ২৫০ শত একর জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। এক সময়ে যেখানে তিন ফসল করা যেতো এখন সেখানে ৪/৫ ফুট পানি। এই বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়। উক্ত কর্মসূচীতে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রামরাইল ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যবৃন্দ, ভূমি অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।














