সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ষ্ট্যাটাসে সাড়া দিয়ে এগিয়ে এসেছেন সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. নোমান মিয়া। আজ মঙ্গলবার দুপুরে সরাইল হাসপাতালে তিনি স্বেচ্ছায় নিজের রক্ত দিলেন এক নারী রোগীকে। উনার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন রোগী ও তার স্বজনরা। সূত্র জানায়, উপজেলার দেওড়া গ্রামের বাসিন্ধা রাজিয়া বেগম। বেশ কিছু দিন ধরে তিনি রক্ত শুন্যতায় ভুগছেন। তার রক্তের গ্রূগ ‘এ’ পজেটিভ। গত ১৯ জুন রোববার বিকেলে সরাইল প্রেসক্লাবের সম্পাদক ও মিতালীর সভাপতি মোহাম্মদ মাহবুব খান তার ফেসবুক ভেরিফাইড আইডি থেকে ওই নারীর জন্য রক্তের আহবান জানান। সেই সাথে পিফরডি প্রকল্পে যুক্ত মিতালীর ম্যাপ সদস্যদের সহায়তাও চেয়েছেন। ওইদিন রাত ৮টার দিকে মাহবুব খানের মুঠোফোনে ফোন দেন ডা: নোমান। তিনি রোগীর সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেন। পরে বলেন ভাই, আমার রক্তের গ্রূপ ‘এ’ পজেটিভ। আমি রক্ত দিব। রোগী ও তার স্বজনদের হাসপাতালে আসতে বলেন। একজন চিকিৎসক স্বেচ্ছায় রক্ত দিচ্ছেন। এমন খবরে খুবই খুশি হন রোগী ও তার স্বজনরা। আজ দুপুরের দিকে তারা রোগী সহ আসেন হাসপাতালে। ডা: মো. নোমান মিয়া বিছানায় শুয়ে রক্ত দিয়েছেন। সকল পক্রিয়া সম্পন্ন সেই রক্ত পুশ করা হয়েছে রাজিয়ার শরীরে। শুধু চিকিৎসাসেবা নয়। রোগী/ মানুষের জীবন বাঁচাতে নিজের রক্ত দান করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ডা: নোমান মিয়া। এমন মানবিক কাজের জন্য নোমান মিয়াকে অভিনন্দন জানিয়েছেন দেওড়া মিতালীর সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পলিসি ফোরামের সদস্য মাহবুব খান। শুভেচ্ছা ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু সহ সকল সদস্য। ডা: মো. নোমান মিয়া বলেন, আমি মেডিকেল ষ্টুডেন্ট থাকাকালীন সময় থেকেই সন্ধানীর আজীবন সদস্য। আমি নিয়মিত অসহায় দরিদ্র ও জরূরী প্রয়োজনে যেকোন রোগীকে রক্ত দিয়ে আসছি। রক্ত দেয়া শরীরের জন্য ভাল। নির্দিষ্ট সময় পর রক্ত না দিলে ওই রক্ত নষ্ট হয়ে যায়। সকলেই রক্তদানে এভাবে এগিয়ে আসলে সমাজের খুবই উপকার হবে।

মাহবুব খান বাবুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here