সোমবার , ২০শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ ,৫ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর সরাইলের মহাসড়কে চাপ কমেছে অটোরিকশার

 ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশের পর সরাইলের মহাসড়কে চাপ কমেছে অটোরিকশার

ডিঃব্রাঃ
করোনা প্রতিরোধে কঠোর বিধি নিষেধের মধ্যে চলছে লকডাউন। গতকাল শুক্রবার প্রথম দিন সরাইলের মহাসড়কে ও সরাইল সদরের বকুল তলায় বিধি নিষেধ অমান্য করেই বেপরোয়া ছিল সিএনজি চালিত অটোরিকশা। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে জনৈক পুলিশ কর্মকর্তা ও কতিপয় দালালের সমঝোতার তথ্য। হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অন্ধকারে রেখেই চলছিল তাদের মানতি বাণিজ্য। তাই লকডাউনে ওই অটোরিকশা গুলো ছিল বেপরোয়া।

গতকাল শুক্রবার অনলাইন নিউজ পোর্টাল ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় “ কঠোর লকডাউনে স্বাভাবিক সরাইল মহাসড়কে বেপরোয়া অটোরিকশা” শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। এর ফলে মাঠে সরব হয়ে ওঠে হাইওয়ে পুলিশ। নীরব যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকে দালাল চক্র। আজ শনিবার লকডাউনের দ্বিতীয় দিন সকাল ৯টা থেকে মহাসড়কের বিশ্বরোড মোড় ও কুট্রাপাড়া মোড়ে অবস্থান করে পুলিশ। সড়কের কোথাও দাঁড়াতে দেয়নি অটোরিকশাকে।

ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার চালক ও যাত্রীদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ। বাহিরে আসার সঠিক জবাব দিতে না পারলেই গাড়ি আটক। ফলে সকাল থেকেই মহাসড়কে অটোরিকশার চাপ ছিল কম। হাইওয়ে পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শাজলাল আলম বলেন, সকাল থেকেই সড়কে আছি। কঠোর বিধি নিষেধ অমান্য করে সড়কে কোন সিএনজি চালিত অটোরিকশা চলতে দেয়া হবে না। ওদিকে বিজিবি’র সদস্যদের নিয়ে সকাল ১০টা থেকেই মাঠে নেমে পড়েন সরাইল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. আরিফুল হক মৃদুল।

তিনি সরাইল সদরের অন্নদা স্কুল মোড়, হাসপাতাল মোড় ও কুট্রাপাড়া মোড়ে দাঁড়িয়ে মাস্ক বিহীন লোকদের মাস্ক পড়িয়ে দেন। বিনাকারণে বের হওয়া চালক, যাত্রী ও পথচারিদের বিরূদ্ধে মামলা দিয়ে জরিমানা করেন। দুপুর ১২টা পর্যন্ত তিনি ৭টি মামলা করে মোট ১৮ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেন। নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, আমাদের অধিকাংশ লোক এখনো করোনার বিষয়ে সচেতন হয়নি। এখনো অনেকেই অযথা ঘর থেকে বের হচ্ছে। এ বিষয়ে আন্তরিকতার সাথে সকলে মিলে সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।

মাহবুব খান বাবুলঃ

digital

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *