ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন: নবীনগরে ঠিকাদার প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে দাওয়া তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা। সরাইলে ড্রেজারের বালু ভরাটে জলাবদ্ধতার শঙ্কা, রক্ষায় এলাকাবাসীর আকুতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধভাবে খোলা তেল বিক্রি ভূইয়া ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা বিজয়নগরে বিরপাশা বাহারাম গোষ্ঠী প্রবাসী সংগঠনের অফিস উদ্বোধন। গৃহবধুকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ ফেলে পালালো অভিযুক্তরা বিপুল পরিমান ভারতীয় অবৈধ চোরাচালান মাদকদ্রব্য আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল মর্টার শেল

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ২৫ বার পড়া হয়েছে

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত সরাইল উপজেলাধীন শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের তিতাস নদীরপাড়ে অবস্থিত মলাইশ উত্তর রাধারানী শ্মশানটি আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ গ্রামে ১৩০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। আর তাদের একমাত্র ভরসা হলো এ শ্মশানটি। গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের উপরই নির্ভরশীল। তাই অর্থাভাবের কারণে প্রায় ৪০ বছর ধরে এ শ্মশানটির উন্নয়নে ততটা অগ্রসর হতে পারেনি। জানা যায়, প্রতিবছরই দূরদূরান্ত থেকে পূর্ণার্থীরা শ্মশান সংলগ্ন তিতাস নদীতে অষ্টমী স্নান করতে আসে। এখানে পূর্ণার্থীদের কাপড় পরিবর্তন করার কোন জায়গা নেই, এমনকি বসার জায়গাটুকুও নেই। অষ্টমী স্নানকে উপলক্ষে নদীরপাড়েই বসে মেলা। বর্তমানে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানটিতে দাহ বা শেষকৃত্যের জন্য ২টি চুলা স্থাপন করা হলেও নেই কোনো স্নান করানোর ব্যবস্থা, নেই কোন মন্দির, এমনকি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আসা লোকদের নেই কোনো কীর্তন করার স্থান। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসী। শ্মশানের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস জানান, গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানে ২টি চুলা স্থাপনসহ অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করা হয়েছে। এখন শ্মশানটির সুরক্ষার স্বার্থে রিটার্নিং দেওয়াল দেওয়া অতিব জরুরী। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

আপডেট সময় : ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত সরাইল উপজেলাধীন শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের তিতাস নদীরপাড়ে অবস্থিত মলাইশ উত্তর রাধারানী শ্মশানটি আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ গ্রামে ১৩০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। আর তাদের একমাত্র ভরসা হলো এ শ্মশানটি। গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের উপরই নির্ভরশীল। তাই অর্থাভাবের কারণে প্রায় ৪০ বছর ধরে এ শ্মশানটির উন্নয়নে ততটা অগ্রসর হতে পারেনি। জানা যায়, প্রতিবছরই দূরদূরান্ত থেকে পূর্ণার্থীরা শ্মশান সংলগ্ন তিতাস নদীতে অষ্টমী স্নান করতে আসে। এখানে পূর্ণার্থীদের কাপড় পরিবর্তন করার কোন জায়গা নেই, এমনকি বসার জায়গাটুকুও নেই। অষ্টমী স্নানকে উপলক্ষে নদীরপাড়েই বসে মেলা। বর্তমানে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানটিতে দাহ বা শেষকৃত্যের জন্য ২টি চুলা স্থাপন করা হলেও নেই কোনো স্নান করানোর ব্যবস্থা, নেই কোন মন্দির, এমনকি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আসা লোকদের নেই কোনো কীর্তন করার স্থান। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসী। শ্মশানের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস জানান, গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানে ২টি চুলা স্থাপনসহ অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করা হয়েছে। এখন শ্মশানটির সুরক্ষার স্বার্থে রিটার্নিং দেওয়াল দেওয়া অতিব জরুরী। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।