ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে গ্রামীণ সড়ক সমূহে অত্যন্ত ঝুঁকিতেই চলছে ইট পরিবহন। ইট তৈরী ও বিক্রয়ের মৌসুমে এমন চিত্র নিত্যদিনের। অধিক ঝুঁকিতে থাকে স্কুল গামী শিক্ষার্থী, অটোরিকশার যাত্রী ও পথচারিরা। কারণ ইটা পড়ে শুধু আহত নয় প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। সরজমিনে ঘুরে ও স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, উপজেলার কালিকচ্ছ, নোয়াগাঁও, শাহবাজপুর, শাহজাদাপুর, সরাইল সদর, পানিশ্বর ও চুন্টা ইউনিয়নের গ্রাম গুলির আনাচে কানাচে ট্রাক্টর দিয়ে পরিবহন করা হচ্ছে ইটা। এই ট্রাক্টর গুলি সড়কে চলাচলের কোন অনুমতি নেই। তারপরও খোদার ইশারায় দাপুটে শুধু সড়ক নয় মহাসড়কেও চলছে এগুলি। সমস্যা হচ্ছে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত ইটা বোঝাই করছে। ফলে বডির বেরিকেট পার হয়ে দেড়/দুই ফুট উপরে স্তুপ হচ্ছে। সড়কের উঁচু নীচু পাড় হতে ট্রাক্টর জোরে নাড়ানাড়া করলে ইটা মাটিতে পড়বে/ পড়ছে। এই ইটা যদি কোন শিক্ষার্থী বা পথচারীর মাথায় অথবা শরীরে পড়ে কি হবে অবস্থা? সড়কে যাতায়তকারী অটোরিকশার যাত্রীরাও ইটা পড়ে আহত হওয়ার আতঙ্কে তটস্থ থাকেন। অভিভাবক আঁখিতারা গ্রামের বাসিন্ধা মাওলানা মশিউর রহমান ও মলাইশ গ্রামের সীতারাম চৌধুরী বলেন, এ গুলো সড়কে চলার কোন বৈধতা নেই। এরপরও গায়ের জোরে অতিরিক্ত উঁচু করে ইট বহন করে চলছে। ট্রাক্টর থেকে যেকোন সময় ইটা পড়ে শিশুসহ যে কেউই মারা যেতে পারেন। সমাজের দায়িত্বশীল লোক গুলো কেন জানি এদেরকে কিছুই বলে না। সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন বলেন, বাড়ির শিশু, সকল বয়সের শিক্ষার্থী ও যাত্রীদের জন্য ধারণের অতিরিক্ত ইটা বহনকারী অনুমোদন বিহীন ওই ট্রাক্টর গুলি সর্বদাই ভীতির কারণ। সরাইলে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শাহজালাল আলম বলেন, এ গুলা মূলত কৃষি জমি চাষাবাদের যন্ত্র। বাংলা প্রযুক্তি ব্যবহার করে বডি তৈরী করে মাল টানছে। গ্রামীণ কেন কোন সড়কেই চলার বৈধতা নেই। আর অতিরিক্ত ইটা বহনে যেকোন সময় বড় ধরণের দূর্ঘটনা ঘটতেই পারে।

মাহবুব খান বাবুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here