ঢাকা ১০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর। বাবার বিরুদ্ধে মামলা ষড়যন্ত্রমূলক: ফেসবুকে মেয়ের প্রতিবাদ, উল্টো হুমকির অভিযোগ মূলগ্রাম কলেজে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৩ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ কবির কলম’-এর ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০০ রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিল লায়ন্স ক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাবলা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদকের অর্থায়নে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৫ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ বছরের মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮ মামলার আসামি কুখ্যাত ছিনতাইকারী চাঁন মিয়া গ্রেপ্তার

বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ৪ বার পড়া হয়েছে

বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর।

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর।। মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নকাজকে সদকায়ে জারিয়া উল্লেখ করে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) প্রতিনিধিদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজয়নগর উপজেলার বিজয়নগর ও বুধন্তী ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে এসব চেক দেওয়া হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাদির মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০টি অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের চেক সংগ্রহ করতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যদের জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আসতে হতো। এতে তাঁদের যাতায়াত খরচ, সময় ও শারীরিক কষ্ট হতো। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি নিজেই বিজয়নগরে এসে তাঁদের হাতে চেক তুলে দিচ্ছেন, যাতে মানুষের ভোগান্তি কমে। তিনি বলেন, “আপনাদের কষ্ট করে আমার অফিসে এসে চেক নিতে হতো। এতে গাড়িভাড়া, সময় ও কষ্ট হতো। আপনাদের এই ভোগান্তির কথা চিন্তা করেই আমি নিজে এখানে এসে চেক দিচ্ছি।”

মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নকাজের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজ সদকায়ে জারিয়া। মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারা একটি মহৎ উদ্যোগ। তাই প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে সুন্দর ও মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের অর্থায়নে এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য। তাই কাজগুলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, “কাজগুলো সুন্দরভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করবেন। কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা কাজের গাফিলতি যেন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” প্রকল্পের কাজের গুণগত মান ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি নিজেও সরেজমিনে প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে তদারকি করবেন। উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা কিংবা নিম্নমানের কাজের সুযোগ দেওয়া হবে না। জনস্বার্থে নেওয়া প্রতিটি প্রকল্পের সুফল যেন সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ পায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির প্রতিনিধিদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা, কাজের মান বজায় রাখা এবং বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। বিজয়নগর ও বুধন্তী ইউনিয়নের এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে এবং এলাকার মানুষের উপকারে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর।

আপডেট সময় : ০৯:৪০:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর।। মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নকাজকে সদকায়ে জারিয়া উল্লেখ করে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান প্রশাসক সিরাজুল ইসলামের। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে অনুমোদিত উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির (পিআইসি) প্রতিনিধিদের হাতে হস্তান্তর করা হয়েছে। বিজয়নগর উপজেলার বিজয়নগর ও বুধন্তী ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের বিপরীতে এসব চেক দেওয়া হয়। সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে বিজয়নগর উপজেলা পরিষদের সম্মেলন কক্ষে এ চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কাদির মিয়ার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, অনুষ্ঠানে প্রায় ৩০টি অনুমোদিত প্রকল্পের বিপরীতে প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নকাজ বাস্তবায়িত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদ প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের চেক সংগ্রহ করতে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যদের জেলা পরিষদ কার্যালয়ে আসতে হতো। এতে তাঁদের যাতায়াত খরচ, সময় ও শারীরিক কষ্ট হতো। বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে তিনি নিজেই বিজয়নগরে এসে তাঁদের হাতে চেক তুলে দিচ্ছেন, যাতে মানুষের ভোগান্তি কমে। তিনি বলেন, “আপনাদের কষ্ট করে আমার অফিসে এসে চেক নিতে হতো। এতে গাড়িভাড়া, সময় ও কষ্ট হতো। আপনাদের এই ভোগান্তির কথা চিন্তা করেই আমি নিজে এখানে এসে চেক দিচ্ছি।”

মসজিদ, মাদ্রাসা ও কবরস্থানের উন্নয়নকাজের গুরুত্ব তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নমূলক কাজ সদকায়ে জারিয়া। মানুষের কল্যাণে এ ধরনের কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত হতে পারা একটি মহৎ উদ্যোগ। তাই প্রকল্পের অর্থ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে সুন্দর ও মানসম্মত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সদস্যদের উদ্দেশে তিনি আরও বলেন, জেলা পরিষদের অর্থায়নে এসব প্রকল্প নেওয়া হয়েছে এলাকার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের কল্যাণের জন্য। তাই কাজগুলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার সঙ্গে সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত মান বজায় রেখে যথাযথভাবে প্রকল্প বাস্তবায়নের পাশাপাশি বরাদ্দের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, “কাজগুলো সুন্দরভাবে ও স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করবেন। কোনো ধরনের অনিয়ম কিংবা কাজের গাফিলতি যেন না হয়, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।” প্রকল্পের কাজের গুণগত মান ও অগ্রগতি নিশ্চিত করার বিষয়ে প্রশাসক সিরাজুল ইসলাম বলেন, তিনি নিজেও সরেজমিনে প্রকল্পগুলো পরিদর্শন করে তদারকি করবেন। উন্নয়নকাজে কোনো ধরনের অনিয়ম, অবহেলা কিংবা নিম্নমানের কাজের সুযোগ দেওয়া হবে না। জনস্বার্থে নেওয়া প্রতিটি প্রকল্পের সুফল যেন সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ পায়, সে বিষয়ে গুরুত্ব দিতে হবে। অনুষ্ঠানে প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির প্রতিনিধিদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করা, কাজের মান বজায় রাখা এবং বরাদ্দের অর্থ যথাযথভাবে ব্যবহারের আহ্বান জানানো হয়। বিজয়নগর ও বুধন্তী ইউনিয়নের এসব উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় ধর্মীয় ও জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন হবে এবং এলাকার মানুষের উপকারে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।