ঢাকা ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সদর উপজেলা পরিষদের সিও দীঘি পরিদর্শনকালে এমপি শ্যামল ভূমি জটিলতা নিরসনে গণশুনানি অনুষ্ঠিত। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেস্তোরাঁ ও মন্দিরের জায়গা দখলের চেষ্টা, প্রাণনাশের হুমকিতে জিডি বিদ্যালয়ের সভাপতি পদে পুনরায় রাশেদ কবির আখন্দ: এমপি শ্যামলকে শুভেচ্ছা নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন অধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরী বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ। রাজাপুরে মরহুম জামির উদ্দিন আহমেদ’র ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্রাভেল এজেন্সি ফোরাম অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া (টিএএফবি) সদস্যদের সভা অনুষ্ঠিত।

আখাউড়ায় জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে হামলা অভিযোগ

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি
  • আপডেট সময় : ০২:১৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

আখাউড়ায় জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে হামলা অভিযোগ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের ১১দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকারের গাড়িতে হামলা ও অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান জেলার কসবা উপজেলায় পৌর জামায়াতে ইসলামের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এ সময় মো. আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করে বলেন, তোলাতালা কেন্দ্রের এজেন্ট শফিকুল ইসলামের মা অসুস্থ থাকায় তিনি তাকে দেখতে যান। পরে স্থানীয় ১০ জন কেন্দ্র প্রতিনিধি নিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। কুশলাদি বিনিময় শেষে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে হট্টগোলের শব্দ শুনে গাড়ির কাছে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা উভয় দিক থেকে তার গাড়ি, প্রতিনিধিদল এবং তাকে ঘেরাও করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি গাড়িতে উঠতে চাইলে তারা বাধা দেয়। এমনকি আমার গাড়িচালককে মারধর করা হয়। আমাকে ও আমার সঙ্গে থাকা প্রতিনিধিদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা রিটানিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসককের কাছে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। তবে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তারা ঘটনাস্থলে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা মোশাররফ, ধরখার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বশির মিয়া, বিএনপি কর্মী বেলায়েত, রুবেল মিয়া মোফাজ্জলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির কাজী ইয়াকুব আলী, নির্বাচন পরিচালক কাজী সিরাজুল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাবেদ উল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ওই গ্রামে যাওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা ভেবেছিলেন তিনি প্রচার চালাচ্ছেন তাই তারা গাড়ি আটকে রাখে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ যাওয়ার খবর শুনে তারা সেখান থেকে সরে যায়। এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

আখাউড়ায় জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে হামলা অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:১৫:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের ১১দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকারের গাড়িতে হামলা ও অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) রাতে আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. আতাউর রহমান জেলার কসবা উপজেলায় পৌর জামায়াতে ইসলামের অফিসে এক সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। এ সময় মো. আতাউর রহমান সরকার অভিযোগ করে বলেন, তোলাতালা কেন্দ্রের এজেন্ট শফিকুল ইসলামের মা অসুস্থ থাকায় তিনি তাকে দেখতে যান। পরে স্থানীয় ১০ জন কেন্দ্র প্রতিনিধি নিয়ে কুশলাদি বিনিময় করেন। কুশলাদি বিনিময় শেষে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় বাইরে হট্টগোলের শব্দ শুনে গাড়ির কাছে গেলে বিএনপির নেতাকর্মীরা উভয় দিক থেকে তার গাড়ি, প্রতিনিধিদল এবং তাকে ঘেরাও করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমি গাড়িতে উঠতে চাইলে তারা বাধা দেয়। এমনকি আমার গাড়িচালককে মারধর করা হয়। আমাকে ও আমার সঙ্গে থাকা প্রতিনিধিদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ ও লাঞ্ছিত করা হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য জেলা রিটানিং কর্মকর্তা জেলা প্রশাসককের কাছে জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করে পুলিশের সহায়তা চান। তবে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে তারা ঘটনাস্থলে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও প্রশাসনের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি নেতা মোশাররফ, ধরখার ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি বশির মিয়া, বিএনপি কর্মী বেলায়েত, রুবেল মিয়া মোফাজ্জলসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলন চলাকালে জেলা জামায়াতে ইসলামীর সাবেক নায়েবে আমির কাজী ইয়াকুব আলী, নির্বাচন পরিচালক কাজী সিরাজুল ইসলামসহ দলীয় নেতাকর্মীর উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাবেদ উল ইসলাম বলেন, সন্ধ্যায় জামায়াতে ইসলামের প্রার্থী ওই গ্রামে যাওয়ার পর বিএনপির নেতাকর্মীরা ভেবেছিলেন তিনি প্রচার চালাচ্ছেন তাই তারা গাড়ি আটকে রাখে। কিন্তু ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ যাওয়ার খবর শুনে তারা সেখান থেকে সরে যায়। এ বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ কোন লিখিত অভিযোগ করেনি।