ঢাকা ০৫:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভূমি সেবার মানোন্নয়নে এসিজি ও ভূমি কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় সভা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ও পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে জেলা পরিষদ ও সনাকের মতবিনিময় সভা সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২ ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমের অভিনয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতো। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরিফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া (৪৩)। আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মঈন উদ্দিন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরিফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার (১০ অক্টোবর) তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। এ সময় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যরা অভিযান চালান। পরে কৌশলে শরিফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ। পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, শরিফ চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইলফোন নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমের অভিনয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতো। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরিফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া (৪৩)। আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মঈন উদ্দিন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরিফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার (১০ অক্টোবর) তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। এ সময় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যরা অভিযান চালান। পরে কৌশলে শরিফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ। পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, শরিফ চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইলফোন নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।