ঢাকা ০৬:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সমাবেশ

জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল পিতা-রিমা আক্তার আর মাতা-ছাদু মিয়া!

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২ ৪৭১ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মো. সাইদুর রহমান। বয়স ২২ বছর প্রায়। বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড্ডাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম ছাদু মিয়া। মায়ের নাম রিমা আক্তার। সবকিছু ঠিক থাকলেও সাইদুরের জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল রয়েছে। তবে ভুলের ধরণ মানুষের হাঁসির খোরাক হয়েছে। সেই সাথে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে তথ্য সংগ্রহকারী ও সংশ্লিষ্ট সুপার ভাইজারের সেন্স ও শিক্ষা নিয়ে। এই ভুলটি সংশোধনের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে দুই সপ্তাহ ধরে ঘুরেও কোন সুরাহা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সাইদুরের দাদা শাহেদ মিয়া (৫৬)। সাইদুর ও তার স্বজনরা জানায়, সকল নিয়ম নীতি পালন করে আবেদনের প্রেক্ষিতেই কর্তৃপক্ষ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েছেন। আইডি কার্ড নম্বর-৯৫৮৩২১২৫৬৯। জন্ম তারিখ-২০ ফেব্রূয়ারি ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ। আমরা বুঝি কম। পড়া লেখাও তেমন করতে পারিনি। পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু সেই খুশি তো আর স্থায়ী হয়নি। এখন হয়রানি ও কষ্টে আছি। সবকিছু ঠিক থাকলেও স্বাভাবিক ও সহজ বিষয়ে ভুল এসেছে। আর সেই ভুলের ধরণ দেখে লোকজন হাঁসছেন। পরিচয়পত্রে সাইদুরের পিতার নাম লিপিবদ্ধ করেছে রিমা আক্তার। আর মা-এর নাম-ছাদু মিয়া। ছাদু মিয়া মহিলা হতে পারে না। তেমনি রিমা আক্তারও কখনো পুরূষ হতে পারে না। অফিসে যারা এই কাজটুকু করেছেন তাদের কি সাধারণ কোন সেন্সও নেই? এখন আবার এই ভুল সংশোধনের জন্য গত দুই সপ্তাহ ধরে নির্বাচন অফিসে ঘুরছি। কোন সুরাহ হচ্ছে না। শুধু শুনতে হচ্ছে- বিলম্ব হবে। সরাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, আসলে ভুলের ধরণ অনুসারে সংশোধন হয়ে থাকে। কাজটি কয়েক ভাগে বিভক্ত। কিছু ভুলের সংশোধন উপজেলা নির্বাচন অফিসারের উপর। কিছু ভুল সংশোধনের দায়িত্ব পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার উপর। সাইদুরের বিষয়টি পুরূষ মহিলা বুঝাই যায়। এটা বেশী জটিল নয়। আবেদন করলে দ্রূতই হয়ে যাবে।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল পিতা-রিমা আক্তার আর মাতা-ছাদু মিয়া!

আপডেট সময় : ১১:৫৪:২৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৮ মার্চ ২০২২

মো. সাইদুর রহমান। বয়স ২২ বছর প্রায়। বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড্ডাপাড়া গ্রামে। তার বাবার নাম ছাদু মিয়া। মায়ের নাম রিমা আক্তার। সবকিছু ঠিক থাকলেও সাইদুরের জাতীয় পরিচয়পত্রে ভুল রয়েছে। তবে ভুলের ধরণ মানুষের হাঁসির খোরাক হয়েছে। সেই সাথে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে তথ্য সংগ্রহকারী ও সংশ্লিষ্ট সুপার ভাইজারের সেন্স ও শিক্ষা নিয়ে। এই ভুলটি সংশোধনের জন্য উপজেলা নির্বাচন অফিসে দুই সপ্তাহ ধরে ঘুরেও কোন সুরাহা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন সাইদুরের দাদা শাহেদ মিয়া (৫৬)। সাইদুর ও তার স্বজনরা জানায়, সকল নিয়ম নীতি পালন করে আবেদনের প্রেক্ষিতেই কর্তৃপক্ষ জাতীয় পরিচয়পত্র দিয়েছেন। আইডি কার্ড নম্বর-৯৫৮৩২১২৫৬৯। জন্ম তারিখ-২০ ফেব্রূয়ারি ২০০০ খ্রিষ্টাব্দ। আমরা বুঝি কম। পড়া লেখাও তেমন করতে পারিনি। পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে খুশিই হয়েছিলাম। কিন্তু সেই খুশি তো আর স্থায়ী হয়নি। এখন হয়রানি ও কষ্টে আছি। সবকিছু ঠিক থাকলেও স্বাভাবিক ও সহজ বিষয়ে ভুল এসেছে। আর সেই ভুলের ধরণ দেখে লোকজন হাঁসছেন। পরিচয়পত্রে সাইদুরের পিতার নাম লিপিবদ্ধ করেছে রিমা আক্তার। আর মা-এর নাম-ছাদু মিয়া। ছাদু মিয়া মহিলা হতে পারে না। তেমনি রিমা আক্তারও কখনো পুরূষ হতে পারে না। অফিসে যারা এই কাজটুকু করেছেন তাদের কি সাধারণ কোন সেন্সও নেই? এখন আবার এই ভুল সংশোধনের জন্য গত দুই সপ্তাহ ধরে নির্বাচন অফিসে ঘুরছি। কোন সুরাহ হচ্ছে না। শুধু শুনতে হচ্ছে- বিলম্ব হবে। সরাইল উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আশরাফ উদ্দিন বলেন, আসলে ভুলের ধরণ অনুসারে সংশোধন হয়ে থাকে। কাজটি কয়েক ভাগে বিভক্ত। কিছু ভুলের সংশোধন উপজেলা নির্বাচন অফিসারের উপর। কিছু ভুল সংশোধনের দায়িত্ব পরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার উপর। সাইদুরের বিষয়টি পুরূষ মহিলা বুঝাই যায়। এটা বেশী জটিল নয়। আবেদন করলে দ্রূতই হয়ে যাবে।

মাহবুব খান বাবুল