ঢাকা ০৮:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে ‘চ্যানেল’ সিন্ডিকেট: হয়রানিতে সাধারণ গ্রাহক। নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন অধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরী বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ। রাজাপুরে মরহুম জামির উদ্দিন আহমেদ’র ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্রাভেল এজেন্সি ফোরাম অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া (টিএএফবি) সদস্যদের সভা অনুষ্ঠিত। সরাইলে ডিপিএফ’র মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠিত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে এসিজি-স্বাস্থ্য এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরী বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ।

শতভাগ পাসের তালিকায় সরাইল মহিলা কলেজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২ ৫০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শতভাগ পাসের তালিকায় শুরূতেই নাম লিখিয়েছে সরাইল মহিলা কলেজ। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম অংশ গ্রহন করেই চমক দেখিয়েছে সরাইলে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর প্রতিষ্ঠিত প্রথম ও একমাত্র মহিলা কলেজটি। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দফতর সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে সরাইল উপজেলায় মোট ৪ টি কলেজের মধ্যে একমাত্র মহিলা কলেজের পাসের হার শতভাগ। এই উপজেলায় জেনারেল শাখায় পাসের হার ৯৮.৭৩%। ব্যবসা শিক্ষা শাখার (বিএমএ) পাসের হার ৯২.৮০%। শুরূতেই এমন সাফল্যে খুবই আনন্দিত কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যবৃন্দ, প্রভাষক, অভিভাবক, সহযোগিতাকারী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন ও শিক্ষার্থীরা। কলেজটির এ সাফল্যের খবরে আনন্দিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইক কমেন্টস ও শেয়ার করছেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী লোকজন। সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন বলেন, নতুন কলেজ। তাই ভাল ফলাফলের জন্য শুরূ থেকেই প্রভাষকরা পাঠদানে খুবই আন্তরিক ছিলেন। তাদের পাঠদানের মানও অনেক ভাল। প্রতিষ্ঠাতাবৃন্দ থেকে শুরূ করে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার ফসল আজকের এই অর্জন। ইনশাল্লাহ আমাদের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করব। প্রসঙ্গত: স্বাধীনতার দীর্ঘ ৩ যুগের অধিক সময় পরও সরাইল সদরে কোন কলেজ গড়ে ওঠেনি। কালীকচ্ছে একটি ও অরূয়াইলে আরেকটি প্রতিষ্ঠা পায়। ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে সরাইল প্রেসক্লাবের ৫ জন সাংবাদিক স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ি কয়েকজন ব্যক্তিকে সাথে সরাইল সদরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। দ্রূততম সময়ে ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দেই ‘সরাইল মহিলা কলেজ’ নামকরণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন পেয়ে যান। প্রথম ভর্তির শুরূ থেকেই নানা প্রতিবন্ধতায়ও পড়েছে কলেজটি। এরপর থেকেই নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে শুরূ হয় কলেজটির অগ্রযাত্রা।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

শতভাগ পাসের তালিকায় সরাইল মহিলা কলেজ

আপডেট সময় : ০৯:৫২:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২২

শতভাগ পাসের তালিকায় শুরূতেই নাম লিখিয়েছে সরাইল মহিলা কলেজ। ২০২১ খ্রিষ্টাব্দের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম অংশ গ্রহন করেই চমক দেখিয়েছে সরাইলে স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর প্রতিষ্ঠিত প্রথম ও একমাত্র মহিলা কলেজটি। মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দফতর সূত্র জানায়, ২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে সরাইল উপজেলায় মোট ৪ টি কলেজের মধ্যে একমাত্র মহিলা কলেজের পাসের হার শতভাগ। এই উপজেলায় জেনারেল শাখায় পাসের হার ৯৮.৭৩%। ব্যবসা শিক্ষা শাখার (বিএমএ) পাসের হার ৯২.৮০%। শুরূতেই এমন সাফল্যে খুবই আনন্দিত কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যবৃন্দ, প্রভাষক, অভিভাবক, সহযোগিতাকারী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার লোকজন ও শিক্ষার্থীরা। কলেজটির এ সাফল্যের খবরে আনন্দিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে লাইক কমেন্টস ও শেয়ার করছেন স্থানীয় শিক্ষানুরাগী লোকজন। সরাইল মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মোহাম্মদ বদর উদ্দিন বলেন, নতুন কলেজ। তাই ভাল ফলাফলের জন্য শুরূ থেকেই প্রভাষকরা পাঠদানে খুবই আন্তরিক ছিলেন। তাদের পাঠদানের মানও অনেক ভাল। প্রতিষ্ঠাতাবৃন্দ থেকে শুরূ করে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতার ফসল আজকের এই অর্জন। ইনশাল্লাহ আমাদের এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে চেষ্টা করব। প্রসঙ্গত: স্বাধীনতার দীর্ঘ ৩ যুগের অধিক সময় পরও সরাইল সদরে কোন কলেজ গড়ে ওঠেনি। কালীকচ্ছে একটি ও অরূয়াইলে আরেকটি প্রতিষ্ঠা পায়। ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দে সরাইল প্রেসক্লাবের ৫ জন সাংবাদিক স্থানীয় শিক্ষানুরাগী ও ব্যবসায়ি কয়েকজন ব্যক্তিকে সাথে সরাইল সদরে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেন। দ্রূততম সময়ে ২০১৭ খ্রিষ্টাব্দেই ‘সরাইল মহিলা কলেজ’ নামকরণের মাধ্যমে মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন পেয়ে যান। প্রথম ভর্তির শুরূ থেকেই নানা প্রতিবন্ধতায়ও পড়েছে কলেজটি। এরপর থেকেই নানা চড়াই উৎরাই পেরিয়ে শুরূ হয় কলেজটির অগ্রযাত্রা।

মাহবুব খান বাবুল