ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক দূর্নীতি বিরোধী দিবস পালিত বেগম জিয়ার সুস্থতা কামনায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জিয়া পরিষদের দোয়া ও মিলাদ মাহফিল আন্তর্জাতিক নারী নির্যাতন প্রতিরোধ পক্ষকাল ২০২৫ আওয়ামী লীগ আসন ও টাকার অফার করেছিল, আপোষ করিনি: নবীনগরে নুরুল হক নূর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশন দিবস ২০২৫ পালিত গান গাওয়া বন্ধ করে দেওয়া সেই অন্ধ হেলালের পরিবারের পাশে ‘ভাব বৈঠকী’ মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থা এআরডি- ব্রাহ্মণবাড়িয়া’র উদ্যোগে মানববন্ধন ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ইউনিভার্সেল মেডিকেলের উদ্যোগে Top Ten Genius সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠিত কনিকাড়া ‌উচ্চ বিদ্যালয়ের আজীবন দাতা সদস্য আহসানুজ্জামান গেন্দু চৌধুরীর ‌ইন্তেকাল

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জেলা পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সভায় ‘বাল্যবিয়ে’ কে ‘না’ বলেছেন ২ শতাধিক অভিভাবক। সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র উদ্যোগে ও সরাইল উপজেলার উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে ওই স্কুলের মিলনায়তনে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ‘বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলেছেন অভিবাবকরা । স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। ডিপিএফ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু মিয়া, সহ সহসভাপতি এ সি তাপসী রায়, সদস্য মো. আইয়ুব খান, এস এম শাহিন, মো. তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. পারভেজ, সুহৃদ সোসাইটির সভাপতি মো. আমির আলী , স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস’াপক মো. আফজাল হোসেন রানাপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বাল্যবিয়ে হচ্ছে এক প্রকার ক্রাইম। এই ক্রাইমের শিকার হচ্ছে আমাদের শিশুরা। আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। শিশুদের বিয়ে দিয়ে ভাবছি দায় মুক্তি হচ্ছি। না, আমরা দায় আরো বৃদ্ধি করছি। শিশুর জীবনটা হাতে ধরে ধ্বংস করে দিচ্ছি। শিশুর গর্ভে শিশু জন্মানোর সুযোগ করছি। ফলে অন্ধ বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী প্রজন্ম জন্ম গ্রহণ করছে। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশু কিশোরীদের আত্মহত্যা ও জটিল রোগ ব্যাধি। এভাবে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করছি। ১৮ বছর বয়সের আগে কোন কন্যা শিশুকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এই বিষয়টি সকল অভিভাবককে জানতে ও মানতে হবে। বাল্যবিয়ের মত ক্রাইম করলে দেশের প্রচলিত আইনে কন্যা ও ছেলের অভিভাবকের সাজা ভোগ করতে হবে। কারাভোগ ও অর্থদন্ড উভয়ই হতে পারে। আসুন, আমরা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসি। আজ থেকে বাল্যবিয়ে কে না বলি। উপস্থিত নারী পুরূষসহ প্রায় ২ শতাধিক অভিভাবক হাত উঁচিয়ে ‘বাল্যবিয়ে’ কে সমস্বরে ‘না’ বলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জেলা পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সভায় ‘বাল্যবিয়ে’ কে ‘না’ বলেছেন ২ শতাধিক অভিভাবক। সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র উদ্যোগে ও সরাইল উপজেলার উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে ওই স্কুলের মিলনায়তনে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ‘বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলেছেন অভিবাবকরা । স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। ডিপিএফ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু মিয়া, সহ সহসভাপতি এ সি তাপসী রায়, সদস্য মো. আইয়ুব খান, এস এম শাহিন, মো. তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. পারভেজ, সুহৃদ সোসাইটির সভাপতি মো. আমির আলী , স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস’াপক মো. আফজাল হোসেন রানাপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বাল্যবিয়ে হচ্ছে এক প্রকার ক্রাইম। এই ক্রাইমের শিকার হচ্ছে আমাদের শিশুরা। আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। শিশুদের বিয়ে দিয়ে ভাবছি দায় মুক্তি হচ্ছি। না, আমরা দায় আরো বৃদ্ধি করছি। শিশুর জীবনটা হাতে ধরে ধ্বংস করে দিচ্ছি। শিশুর গর্ভে শিশু জন্মানোর সুযোগ করছি। ফলে অন্ধ বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী প্রজন্ম জন্ম গ্রহণ করছে। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশু কিশোরীদের আত্মহত্যা ও জটিল রোগ ব্যাধি। এভাবে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করছি। ১৮ বছর বয়সের আগে কোন কন্যা শিশুকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এই বিষয়টি সকল অভিভাবককে জানতে ও মানতে হবে। বাল্যবিয়ের মত ক্রাইম করলে দেশের প্রচলিত আইনে কন্যা ও ছেলের অভিভাবকের সাজা ভোগ করতে হবে। কারাভোগ ও অর্থদন্ড উভয়ই হতে পারে। আসুন, আমরা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসি। আজ থেকে বাল্যবিয়ে কে না বলি। উপস্থিত নারী পুরূষসহ প্রায় ২ শতাধিক অভিভাবক হাত উঁচিয়ে ‘বাল্যবিয়ে’ কে সমস্বরে ‘না’ বলেছেন।