ঢাকা ০৯:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কবির কলম’-এর ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০০ রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিল লায়ন্স ক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাবলা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদকের অর্থায়নে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৫ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ বছরের মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮ মামলার আসামি কুখ্যাত ছিনতাইকারী চাঁন মিয়া গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালা ‘গুণী শিক্ষক’ পুরস্কার পেলেন ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আহসান শাহরিয়ার শিক্ষা, গবেষণা, রাজনীতি ও মানবসেবায় এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত

বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬ ৪৯৬ বার পড়া হয়েছে

বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৬০ বছর বয়সী ধলাই মিয়ার পরিচয় অবশেষে শনাক্ত হয়েছে। মানবিক সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে চিকিৎসা ও খোঁজখবরের পর তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) রাত প্রায় ৮টার দিকে ধলাই মিয়াকে তার স্বজনদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধলাই মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার স্ত্রী রাশেদা এবং বড় বোন নাসিমা। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তাকে হবিগঞ্জে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে ধলাই মিয়া হঠাৎ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। অবশেষে গত শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে বিষয়টি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেনকে জানানো হলে তিনি সম্ভাব্য পরিচয় যাচাই এবং পরিবারের সন্ধান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন। তার নির্দেশনায় ধলাই মিয়ার পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে ধলাই মিয়াকে শনাক্ত করেন এবং নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে জিজ্ঞাসাবাদে ধলাই মিয়া জানান, তার পিতার নাম মৃত গনু মিয়া। তিনি হবিগঞ্জ জেলা শহরের নওবাদ এলাকার বাসিন্দা। তার তিন ছেলে রয়েছে, যারা বেকারির কাজে নিয়োজিত এবং দুই মেয়ে রয়েছে। তাদের মধ্যে এক মেয়ে হবিগঞ্জের একটি অলিভ ওয়েল কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি আরও জানান, ট্রেনে করে সিলেট থেকে হবিগঞ্জ হয়ে আশুগঞ্জ রেলস্টেশন পর্যন্ত আসার কথা মনে করতে পারছেন। তবে কীভাবে বা কখন তিনি সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারেননি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ধলাই মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগেও তিনি একবার নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং প্রায় দুই মাস পর নিজেই বাড়িতে ফিরে আসেন। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাজারে যাতায়াত করতেন। এবার দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে না ফেরায় পরিবার গভীর উদ্বেগে ছিল।

ধলাই মিয়াকে প্রথম উদ্ধার করা হয় গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আশুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে। পরদিন ‘ঐক্যবদ্ধ আশুগঞ্জ’-এর সদস্যরা তাকে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সেখানে তার মাথায় সেলাই এবং পায়ে ড্রেসিং করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ধলাই মিয়ার চিকিৎসা, খাবার, ওষুধ, ইনজেকশনসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি তাকে গোসল করিয়ে নতুন লুঙ্গি, স্যান্ডো গেঞ্জি ও গামছা দেওয়া হয় এবং প্রতিদিন খাবার ও দেখভালের ব্যবস্থাও করা হয়।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, “গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হলে সম্ভাব্য তথ্য যাচাই এবং দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের সহযোগিতায় ধলাই মিয়াকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে একটি মানবিক কাজ।” ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা ধলাই মিয়ার চিকিৎসা ও পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ গ্রহণ করি। দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন একজন মানুষকে তার স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। সমাজের অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

ধলাই মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছেলে রিপন মিয়ার স্ত্রী রাশেদা বলেন, “আমরা দীর্ঘ তিন মাস ধরে তাকে খুঁজছিলাম। কোথাও কোনো খোঁজ পাচ্ছিলাম না। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে আজ তাকে ফিরে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। যারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন, তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক ধন্যবাদ।” দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং মানবিক এই উদ্যোগের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া প্রায় ৬০ বছর বয়সী ধলাই মিয়ার পরিচয় অবশেষে শনাক্ত হয়েছে। মানবিক সংগঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে চিকিৎসা ও খোঁজখবরের পর তাকে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) রাত প্রায় ৮টার দিকে ধলাই মিয়াকে তার স্বজনদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এ সময় তার পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধলাই মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার স্ত্রী রাশেদা এবং বড় বোন নাসিমা। পরে একটি অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে তাকে হবিগঞ্জে নিজ বাড়ির উদ্দেশ্যে পাঠানো হয়।

জানা যায়, প্রায় তিন মাস আগে ধলাই মিয়া হঠাৎ করে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। অবশেষে গত শুক্রবার (৬ মার্চ) রাতে বিষয়টি হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেনকে জানানো হলে তিনি সম্ভাব্য পরিচয় যাচাই এবং পরিবারের সন্ধান নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের পরামর্শ দেন। তার নির্দেশনায় ধলাই মিয়ার পরিবারের সদস্যরা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। পরে তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এসে ধলাই মিয়াকে শনাক্ত করেন এবং নিশ্চিত হওয়ার পর তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

এর আগে জিজ্ঞাসাবাদে ধলাই মিয়া জানান, তার পিতার নাম মৃত গনু মিয়া। তিনি হবিগঞ্জ জেলা শহরের নওবাদ এলাকার বাসিন্দা। তার তিন ছেলে রয়েছে, যারা বেকারির কাজে নিয়োজিত এবং দুই মেয়ে রয়েছে। তাদের মধ্যে এক মেয়ে হবিগঞ্জের একটি অলিভ ওয়েল কোম্পানিতে চাকরি করেন। তিনি আরও জানান, ট্রেনে করে সিলেট থেকে হবিগঞ্জ হয়ে আশুগঞ্জ রেলস্টেশন পর্যন্ত আসার কথা মনে করতে পারছেন। তবে কীভাবে বা কখন তিনি সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে স্পষ্টভাবে কিছু বলতে পারেননি। পরিবার সূত্রে জানা যায়, ধলাই মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এর আগেও তিনি একবার নিখোঁজ হয়েছিলেন এবং প্রায় দুই মাস পর নিজেই বাড়িতে ফিরে আসেন। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন মাজারে যাতায়াত করতেন। এবার দীর্ঘ সময় ধরে বাড়িতে না ফেরায় পরিবার গভীর উদ্বেগে ছিল।

ধলাই মিয়াকে প্রথম উদ্ধার করা হয় গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১০টার দিকে আশুগঞ্জ রেলস্টেশন এলাকা থেকে। পরদিন ‘ঐক্যবদ্ধ আশুগঞ্জ’-এর সদস্যরা তাকে আশুগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সেখানে তার মাথায় সেলাই এবং পায়ে ড্রেসিং করা হয়। পরে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে সরকারি অ্যাম্বুলেন্সে তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স বিভাগে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ধলাই মিয়ার চিকিৎসা, খাবার, ওষুধ, ইনজেকশনসহ প্রয়োজনীয় সবকিছু ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি তাকে গোসল করিয়ে নতুন লুঙ্গি, স্যান্ডো গেঞ্জি ও গামছা দেওয়া হয় এবং প্রতিদিন খাবার ও দেখভালের ব্যবস্থাও করা হয়।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেলোয়ার হোসেন বলেন, “গত শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের পক্ষ থেকে বিষয়টি জানানো হলে সম্ভাব্য তথ্য যাচাই এবং দ্রুত যোগাযোগের মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের সহযোগিতায় ধলাই মিয়াকে পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে, যা নিঃসন্দেহে একটি মানবিক কাজ।” ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন বলেন, “মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই আমরা ধলাই মিয়ার চিকিৎসা ও পরিচয় শনাক্তের উদ্যোগ গ্রহণ করি। দীর্ঘদিন পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন একজন মানুষকে তার স্বজনদের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারা আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের। সমাজের অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোই আমাদের মূল লক্ষ্য।”

ধলাই মিয়ার পরিবারের পক্ষ থেকে তার ছেলে রিপন মিয়ার স্ত্রী রাশেদা বলেন, “আমরা দীর্ঘ তিন মাস ধরে তাকে খুঁজছিলাম। কোথাও কোনো খোঁজ পাচ্ছিলাম না। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে আজ তাকে ফিরে পেয়ে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। যারা তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছেন, তাদের প্রতি আমাদের আন্তরিক ধন্যবাদ।” দীর্ঘদিন পর প্রিয়জনকে ফিরে পেয়ে পরিবারের সদস্যরা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এবং মানবিক এই উদ্যোগের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর ও সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।