ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৩ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ কবির কলম’-এর ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০০ রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিল লায়ন্স ক্লাব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার হাবলা উচ্চ বিদ্যালয়ে দুদকের অর্থায়নে ‘সততা স্টোর’ উদ্বোধন ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৫ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১২ বছরের মাদরাসাছাত্র নিখোঁজ, সন্ধান চায় পরিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৮ মামলার আসামি কুখ্যাত ছিনতাইকারী চাঁন মিয়া গ্রেপ্তার ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী তরুণ সংগঠকদের কর্মশালা ‘গুণী শিক্ষক’ পুরস্কার পেলেন ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার আহসান শাহরিয়ার শিক্ষা, গবেষণা, রাজনীতি ও মানবসেবায় এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল

ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬ ৯৫৮ বার পড়া হয়েছে

ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

একটি ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জালিয়াতি করে ভুয়া কাবিন (নিকাহনামা) তৈরির মামলায় মো. মনির হোসেন নামের এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী। গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে গেলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আফনান সুমি শুনানি শেষে এ আদেশ প্রদান করেন। আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মূলত একটি ধর্ষণ মামলা থেকে আসামিকে বাঁচানোর অসৎ উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) মোহাম্মদ আবুল কালাম (৫০), শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. মনির হোসেন এবং তাদের সহযোগীরা মিলে একটি জাল কাবিন তৈরি করেন। জালিয়াতির মাধ্যমে এই ভুয়া কাবিননামা তৈরির অপরাধে কাজী আবুল কালাম ও মনির হোসেনসহ মোট ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. মনির হোসেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফনান সুমির আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন এবং তাকে আটক করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জানা গেছে, এই মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী মনির হোসেন কারাগারে গেলেও মামলার মূল অভিযুক্ত ৩নং ওয়ার্ডের কাজী মোহাম্মদ আবুল কালামসহ মামলার প্রধান আসামী রুবেল মিয়া সরকার ও কাজীর সহকারী সাইফুল ইসলাম এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে

আপডেট সময় : ১১:৪৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

একটি ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জালিয়াতি করে ভুয়া কাবিন (নিকাহনামা) তৈরির মামলায় মো. মনির হোসেন নামের এক শিক্ষানবিশ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইনজীবী সমিতির একজন শিক্ষানবিশ আইনজীবী। গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে গেলে বিচারক তার জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক আফনান সুমি শুনানি শেষে এ আদেশ প্রদান করেন। আদালত ও মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মূলত একটি ধর্ষণ মামলা থেকে আসামিকে বাঁচানোর অসৎ উদ্দেশ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী) মোহাম্মদ আবুল কালাম (৫০), শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. মনির হোসেন এবং তাদের সহযোগীরা মিলে একটি জাল কাবিন তৈরি করেন। জালিয়াতির মাধ্যমে এই ভুয়া কাবিননামা তৈরির অপরাধে কাজী আবুল কালাম ও মনির হোসেনসহ মোট ৪ জনের বিরুদ্ধে আদালতে একটি মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলায় গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) শিক্ষানবিশ আইনজীবী মো. মনির হোসেন সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফনান সুমির আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন। আদালত শুনানি শেষে তার জামিন আবেদন খারিজ করে দেন এবং তাকে আটক করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। জানা গেছে, এই মামলায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী মনির হোসেন কারাগারে গেলেও মামলার মূল অভিযুক্ত ৩নং ওয়ার্ডের কাজী মোহাম্মদ আবুল কালামসহ মামলার প্রধান আসামী রুবেল মিয়া সরকার ও কাজীর সহকারী সাইফুল ইসলাম এখনো পলাতক রয়েছেন। পলাতক আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।