কবি জয়দুল হোসেনের ‘পাখপাখালির মিলনমেলা’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব
- আপডেট সময় : ০৯:৫৬:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬ ৯ বার পড়া হয়েছে
বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য একাডেমির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধের গবেষক কবি জয়দুল হোসেন রচিত ‘পাখপাখালির মিলনমেলা’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমি ও আদিল প্রকাশনীর যৌথ উদ্যোগে আড়ম্বরপূর্ণ এই প্রকাশনা উৎসবের আয়োজন করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজনের সভাপতিত্বে এবং নুসরাত জাহান বুশরার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও পৌরসভার সাবেক মেয়র হাফিজুর রহমান মোল্লা কচি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বইটির প্রকাশক গাজী তানভীর আহমেদ। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি মহিলা কলেজের উপাধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান শিশির, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মো. বাহারুল ইসলাম মোল্লা, বাংলাদেশ গ্রুপ থিয়েটার ফেডারেশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. আক্তারুজ্জামান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাবলিক লাইব্রেরির সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খান সাদাত। প্রকাশনা উৎসবে বক্তারা ‘পাখপাখালির মিলনমেলা’ গ্রন্থের বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। তারা জানান, লেখক অত্যন্ত সুনিপুণভাবে কবিতার ছন্দে পাখিদের জীবনকাহিনি এই বইটিতে তুলে এনেছেন। বক্তারা বলেন, “কবি জয়দুল হোসেন শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নয়, তিনি সমগ্র দেশের সম্পদ। তিনি অর্ধশতাধিক বই রচনা করে বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছেন।” আক্ষেপ প্রকাশ করে বক্তারা আরও বলেন, “কবি জয়দুল হোসেন জেলা শহরে বসবাস করায় সারা জীবন অনেকের আড়ালেই থেকে গেলেন। তিনি যদি ঢাকায় বসবাস করতেন, তবে হয়তো অনেক আগেই জাতীয় পর্যায়ের স্বীকৃতি পেতেন।” এ সময় বক্তারা গুণী এই কবিকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়ার জোর দাবি জানান। প্রকাশনা উৎসবে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন বইটির রচয়িতা কবি জয়দুল হোসেন। এমন সুন্দর একটি আয়োজনের জন্য তিনি সাহিত্য একাডেমি, আদিল প্রকাশনীসহ উপস্থিত সবার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মো. আরজু, কবি আল-মাহমুদ স্মৃতি পরিষদ ও গবেষণা কেন্দ্রের উপদেষ্টা এইচ.এম. আবুল বাশার, পরিবেশবাদী সংগঠন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহম্মেদ, বিশিষ্ট নারী নেত্রী ফজিলাতুন্নাহার, বিশিষ্ট সঙ্গীত শিল্পী হৃদয় কামাল এবং রম্য লেখক পরিমল ভৌমিক প্রমুখ। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে আমন্ত্রিত অতিথিদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক আশরাফ উদ্দিন।















