ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কৃষি ব্যাংক, নুরপুর বাজার শাখার ঋণ খেলাপী আবদুল কাদির গ্রেফতার কাটা চুল ও রক্তাক্ত দেহ নিয়ে থানায় গৃহবধূ: যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে নির্যাতন বাংলাদেশ স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিদর্শক সমিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কমিটি গঠন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সোহাগ ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের সহ-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে জায়গা পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সোহেল ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার দুলাল আহমেদ ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মনোনীত আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবসে প্রবর্তকের আবৃত্তি প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত শহীদ বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক লুৎফুর রহমান স্মারকগ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব আয়োজন সরাইলে বিকল ট্রাক মেরামতের সময় কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় হেলপার নিহত কালবৈশাখীর তাণ্ডব: ফসল ও ঘরবাড়ির ক্ষতি, ভেঙ্গে পড়েছে মোবাইল টাওয়ার

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ১১৫ বার পড়া হয়েছে

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত সরাইল উপজেলাধীন শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের তিতাস নদীরপাড়ে অবস্থিত মলাইশ উত্তর রাধারানী শ্মশানটি আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ গ্রামে ১৩০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। আর তাদের একমাত্র ভরসা হলো এ শ্মশানটি। গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের উপরই নির্ভরশীল। তাই অর্থাভাবের কারণে প্রায় ৪০ বছর ধরে এ শ্মশানটির উন্নয়নে ততটা অগ্রসর হতে পারেনি। জানা যায়, প্রতিবছরই দূরদূরান্ত থেকে পূর্ণার্থীরা শ্মশান সংলগ্ন তিতাস নদীতে অষ্টমী স্নান করতে আসে। এখানে পূর্ণার্থীদের কাপড় পরিবর্তন করার কোন জায়গা নেই, এমনকি বসার জায়গাটুকুও নেই। অষ্টমী স্নানকে উপলক্ষে নদীরপাড়েই বসে মেলা। বর্তমানে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানটিতে দাহ বা শেষকৃত্যের জন্য ২টি চুলা স্থাপন করা হলেও নেই কোনো স্নান করানোর ব্যবস্থা, নেই কোন মন্দির, এমনকি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আসা লোকদের নেই কোনো কীর্তন করার স্থান। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসী। শ্মশানের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস জানান, গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানে ২টি চুলা স্থাপনসহ অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করা হয়েছে। এখন শ্মশানটির সুরক্ষার স্বার্থে রিটার্নিং দেওয়াল দেওয়া অতিব জরুরী। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

আপডেট সময় : ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত সরাইল উপজেলাধীন শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের তিতাস নদীরপাড়ে অবস্থিত মলাইশ উত্তর রাধারানী শ্মশানটি আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ গ্রামে ১৩০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। আর তাদের একমাত্র ভরসা হলো এ শ্মশানটি। গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের উপরই নির্ভরশীল। তাই অর্থাভাবের কারণে প্রায় ৪০ বছর ধরে এ শ্মশানটির উন্নয়নে ততটা অগ্রসর হতে পারেনি। জানা যায়, প্রতিবছরই দূরদূরান্ত থেকে পূর্ণার্থীরা শ্মশান সংলগ্ন তিতাস নদীতে অষ্টমী স্নান করতে আসে। এখানে পূর্ণার্থীদের কাপড় পরিবর্তন করার কোন জায়গা নেই, এমনকি বসার জায়গাটুকুও নেই। অষ্টমী স্নানকে উপলক্ষে নদীরপাড়েই বসে মেলা। বর্তমানে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানটিতে দাহ বা শেষকৃত্যের জন্য ২টি চুলা স্থাপন করা হলেও নেই কোনো স্নান করানোর ব্যবস্থা, নেই কোন মন্দির, এমনকি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আসা লোকদের নেই কোনো কীর্তন করার স্থান। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসী। শ্মশানের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস জানান, গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানে ২টি চুলা স্থাপনসহ অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করা হয়েছে। এখন শ্মশানটির সুরক্ষার স্বার্থে রিটার্নিং দেওয়াল দেওয়া অতিব জরুরী। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।