ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে ‘চ্যানেল’ সিন্ডিকেট: হয়রানিতে সাধারণ গ্রাহক। নবীনগরে ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এসএসসিতে কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছেন অধরা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরী বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ। রাজাপুরে মরহুম জামির উদ্দিন আহমেদ’র ৩১ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত সাংবাদিক ইউনিয়ন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ফুলেল শুভেচ্ছা ও সৌজন্য সাক্ষাৎ ট্রাভেল এজেন্সি ফোরাম অব ব্রাহ্মণবাড়িয়া (টিএএফবি) সদস্যদের সভা অনুষ্ঠিত। সরাইলে ডিপিএফ’র মতবিনিময় সভায় অনুষ্ঠিত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে এসিজি-স্বাস্থ্য এর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তরী বাংলাদেশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও গাছের চারা বিতরণ।

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬ ৩৮৮ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত সরাইল উপজেলাধীন শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের তিতাস নদীরপাড়ে অবস্থিত মলাইশ উত্তর রাধারানী শ্মশানটি আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ গ্রামে ১৩০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। আর তাদের একমাত্র ভরসা হলো এ শ্মশানটি। গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের উপরই নির্ভরশীল। তাই অর্থাভাবের কারণে প্রায় ৪০ বছর ধরে এ শ্মশানটির উন্নয়নে ততটা অগ্রসর হতে পারেনি। জানা যায়, প্রতিবছরই দূরদূরান্ত থেকে পূর্ণার্থীরা শ্মশান সংলগ্ন তিতাস নদীতে অষ্টমী স্নান করতে আসে। এখানে পূর্ণার্থীদের কাপড় পরিবর্তন করার কোন জায়গা নেই, এমনকি বসার জায়গাটুকুও নেই। অষ্টমী স্নানকে উপলক্ষে নদীরপাড়েই বসে মেলা। বর্তমানে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানটিতে দাহ বা শেষকৃত্যের জন্য ২টি চুলা স্থাপন করা হলেও নেই কোনো স্নান করানোর ব্যবস্থা, নেই কোন মন্দির, এমনকি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আসা লোকদের নেই কোনো কীর্তন করার স্থান। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসী। শ্মশানের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস জানান, গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানে ২টি চুলা স্থাপনসহ অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করা হয়েছে। এখন শ্মশানটির সুরক্ষার স্বার্থে রিটার্নিং দেওয়াল দেওয়া অতিব জরুরী। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি।

আপডেট সময় : ০৮:০২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অন্তর্গত সরাইল উপজেলাধীন শাহজাদাপুর ইউনিয়নের মলাইশ গ্রামের তিতাস নদীরপাড়ে অবস্থিত মলাইশ উত্তর রাধারানী শ্মশানটি আদৌ উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। এ গ্রামে ১৩০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। আর তাদের একমাত্র ভরসা হলো এ শ্মশানটি। গ্রামের অধিকাংশ পরিবার দরিদ্র সীমার নীচে বসবাস করে এবং তারা কৃষিকাজের উপরই নির্ভরশীল। তাই অর্থাভাবের কারণে প্রায় ৪০ বছর ধরে এ শ্মশানটির উন্নয়নে ততটা অগ্রসর হতে পারেনি। জানা যায়, প্রতিবছরই দূরদূরান্ত থেকে পূর্ণার্থীরা শ্মশান সংলগ্ন তিতাস নদীতে অষ্টমী স্নান করতে আসে। এখানে পূর্ণার্থীদের কাপড় পরিবর্তন করার কোন জায়গা নেই, এমনকি বসার জায়গাটুকুও নেই। অষ্টমী স্নানকে উপলক্ষে নদীরপাড়েই বসে মেলা। বর্তমানে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানটিতে দাহ বা শেষকৃত্যের জন্য ২টি চুলা স্থাপন করা হলেও নেই কোনো স্নান করানোর ব্যবস্থা, নেই কোন মন্দির, এমনকি শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে আসা লোকদের নেই কোনো কীর্তন করার স্থান। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন গ্রামবাসী। শ্মশানের সভাপতি পরিমল চন্দ্র দাস জানান, গ্রামবাসীর সহযোগিতায় শ্মশানে ২টি চুলা স্থাপনসহ অতি প্রয়োজনীয় কিছু কাজ করা হয়েছে। এখন শ্মশানটির সুরক্ষার স্বার্থে রিটার্নিং দেওয়াল দেওয়া অতিব জরুরী। তাই সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছেন তিনি।