ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া ১৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক জাতীয় প্রশিক্ষণ কি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে? জবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে দিমন-সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৮ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসব শুরু বিদ্রোহীর হুংকারে শামীমা হতে পারে সরাইল বিএনপির অন্ধের যষ্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ১৬৬ বোতল ইসকফ সিরাপসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১টি অ্যাম্বুলেন্স থেকে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

জুমআর দিনে সরাইল সদর সোয়া ১ ঘন্টা অন্ধকারে ভ্যাঁসপা গরমে মুসল্লিদের ছটফট

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২ ৩০৯ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত ৪-৫ দিনের প্রচন্ড তাপদাহ ও ভ্যাঁসপা গরমে অতিষ্ট জনজীবন। বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যানের বাতাসও তাপদাহে ভূমিকা রাখতে পারছে না। এই অবস্থায় আজ শুক্রবার জুমআ’র নামাজের সময় সরাইল সদর ছিল সোয়া ১ ঘন্টা অন্ধকারে। দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে চলে যায় বিদ্যুৎ। আসে নামাজ শেষ হওয়ার পর ১টা ৪২ মিনিটে। কারণ জানতে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ ও উপসহকারি প্রকৌশলী সুমন হোসেন সরদার। সরজমিনে স্থানীয় লোকজন ও মুসল্লিরা জানায়, বর্তমানে প্রচন্ড তাপদাহ ও ভ্যাঁসপা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। বৈদ্যুতিক ফ্যানের বাতাসেও গরম সামাল দেয়া যাচ্ছে না। চারিদিকে মানুষের হ্যাঁ হুতাশ। আজ ছিল শুক্রবার। এ দিনকার জুমআর নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ণ ও ফজিলতের। এখানকার সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যখন গোসল ওজু করে নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখনই চমক দেখান সরাইল পিডিবি। দুপুর ১২ টা ২৭ মিনিটে চলে যায় বিদ্যুৎ। মুসল্লিরা মসজিদে আসছেন। কিন্তু মসজিদের বৈদ্যুতিক সিলিংফ্যান ঘুরছে না। আশায় আশায় ঘড়ির কাটায় দুপুর ১টা। ইমাম সাহেবের পড়নের সকল জামা কাপড় ঘামে ভিজে গেছে। তারপরও চলছে বয়ান। শেষ হয়েছে খুৎবাও। সকল মুসল্লি ভ্যাঁসপা গরমে ছটফট করছেন। আর ঘুরে ফিরে ফ্যানের দিকে তাকাচ্ছেন। মুসল্লিদের পড়নের কাপড় শুকনো নেই। ঘামে ভিজে জ্বলছে শরীর। এরই মধ্যে দাঁড়িয়েছে জুমআর জামায়াত। তখনও বিদ্যুৎ নেই। জামাতে নামাজ হলো। শেষ হলো একটি জানাযা। মসজিদ ছেড়ে মুসল্লিরা বাহিরে আসল। সোয়া ১ ঘন্টা পর বিকাল ১টা ৪২ মিনিটে আসল বিদ্যুৎ। ফাঁকে জুমআর নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণ জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ ও উপসহকারি প্রকৌশলী সুমন হোসেন সর্দারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও উনারা রিসিভ করেননি। ভুক্তভোগী একাধিক মুসল্লি বলেন, উপজেলা সদরের জুমআর নামাজের সময় বিদ্যুৎ থাকবে না। এমনটি কল্পনাও করা যায় না। এরপর দায়িত্বশীল অফিসাররা ফোন ধরেন না। আজ আমাদেরকে খুব কষ্ট করে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। উনারা নামাজের সময় লাইন বন্ধ রেখে কাজ করতে পারেন না। মানুষকে কষ্ট দিয়ে ব্যবসা করবেন। এটা সরাইলের গ্রাহকরা মেনে নিবেন না। লোডশেডিং এর মানে রাতে ৪ বার দিনে ৪-৫ বার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া। লোডশেডিং তো একটি শিডিউলে চলবে।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

জুমআর দিনে সরাইল সদর সোয়া ১ ঘন্টা অন্ধকারে ভ্যাঁসপা গরমে মুসল্লিদের ছটফট

আপডেট সময় : ১০:৫৩:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ জুলাই ২০২২

গত ৪-৫ দিনের প্রচন্ড তাপদাহ ও ভ্যাঁসপা গরমে অতিষ্ট জনজীবন। বৈদ্যুতিক সিলিং ফ্যানের বাতাসও তাপদাহে ভূমিকা রাখতে পারছে না। এই অবস্থায় আজ শুক্রবার জুমআ’র নামাজের সময় সরাইল সদর ছিল সোয়া ১ ঘন্টা অন্ধকারে। দুপুর ১২টা ২৭ মিনিটে চলে যায় বিদ্যুৎ। আসে নামাজ শেষ হওয়ার পর ১টা ৪২ মিনিটে। কারণ জানতে একাধিকবার ফোন দিলেও রিসিভ করেননি নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ ও উপসহকারি প্রকৌশলী সুমন হোসেন সরদার। সরজমিনে স্থানীয় লোকজন ও মুসল্লিরা জানায়, বর্তমানে প্রচন্ড তাপদাহ ও ভ্যাঁসপা গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন। বৈদ্যুতিক ফ্যানের বাতাসেও গরম সামাল দেয়া যাচ্ছে না। চারিদিকে মানুষের হ্যাঁ হুতাশ। আজ ছিল শুক্রবার। এ দিনকার জুমআর নামাজ মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরূত্বপূর্ণ ও ফজিলতের। এখানকার সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা যখন গোসল ওজু করে নামাজে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তখনই চমক দেখান সরাইল পিডিবি। দুপুর ১২ টা ২৭ মিনিটে চলে যায় বিদ্যুৎ। মুসল্লিরা মসজিদে আসছেন। কিন্তু মসজিদের বৈদ্যুতিক সিলিংফ্যান ঘুরছে না। আশায় আশায় ঘড়ির কাটায় দুপুর ১টা। ইমাম সাহেবের পড়নের সকল জামা কাপড় ঘামে ভিজে গেছে। তারপরও চলছে বয়ান। শেষ হয়েছে খুৎবাও। সকল মুসল্লি ভ্যাঁসপা গরমে ছটফট করছেন। আর ঘুরে ফিরে ফ্যানের দিকে তাকাচ্ছেন। মুসল্লিদের পড়নের কাপড় শুকনো নেই। ঘামে ভিজে জ্বলছে শরীর। এরই মধ্যে দাঁড়িয়েছে জুমআর জামায়াত। তখনও বিদ্যুৎ নেই। জামাতে নামাজ হলো। শেষ হলো একটি জানাযা। মসজিদ ছেড়ে মুসল্লিরা বাহিরে আসল। সোয়া ১ ঘন্টা পর বিকাল ১টা ৪২ মিনিটে আসল বিদ্যুৎ। ফাঁকে জুমআর নামাজের সময় বিদ্যুৎ না থাকার কারণ জানতে নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ ও উপসহকারি প্রকৌশলী সুমন হোসেন সর্দারের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিলেও উনারা রিসিভ করেননি। ভুক্তভোগী একাধিক মুসল্লি বলেন, উপজেলা সদরের জুমআর নামাজের সময় বিদ্যুৎ থাকবে না। এমনটি কল্পনাও করা যায় না। এরপর দায়িত্বশীল অফিসাররা ফোন ধরেন না। আজ আমাদেরকে খুব কষ্ট করে নামাজ আদায় করতে হয়েছে। উনারা নামাজের সময় লাইন বন্ধ রেখে কাজ করতে পারেন না। মানুষকে কষ্ট দিয়ে ব্যবসা করবেন। এটা সরাইলের গ্রাহকরা মেনে নিবেন না। লোডশেডিং এর মানে রাতে ৪ বার দিনে ৪-৫ বার বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া। লোডশেডিং তো একটি শিডিউলে চলবে।

মাহবুব খান বাবুল