ঢাকা ০৬:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সমাবেশ

চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ১১৭ বার পড়া হয়েছে

চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম জানান, গত ২১ জুলাই ২০২৭ইং তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুটি চেকের মাধ্যমে নেওয়া ‘কাশবন হাউজিং লিমিটেড’-এর মোট ১৬ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাতের অভিযোগে মোঃ আমিনুল ইসলাম শরীফ (৪৬) নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও কাশবন হাউজিং লিমিটেডের ডিরেক্টর মোঃ সাদেকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০ মে (বুধবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর) আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন। যার সি.আর মামলা নং- ১০৭১/২৬, তারিখ: ১৩/০৮/২০২৬ইং। স্মারক নং-৩৫৫৭ মোঃ আমিনুল ইসলাম শরীফ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কান্দিপাড়া এলাকার (মহল্লা ৭২৯) হাজী মোঃ মিলন মিঞার ছেলে। তিনি কোর্ট রোডের ফরিদ উদ্দিন আনোয়ারা টাওয়ারে অবসি’ত ‘মেসার্স নিবাস এন্টারপ্রাইজ’-এর সাবেক স্বত্বাধিকারী। মামলার আরজি ও বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, ব্যবসায়িক সুবাদে বিবাদী আমিনুল ইসলাম শরীফ বাদীপক্ষ ‘কাশবন হাউজিং লিঃ’-এর কাছ থেকে দুই দফায় মোট ১৬ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন প্রথম দফা: ১৩ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে ১০ লাখ টাকা ঋণ নেন এবং এর বিপরীতে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার একটি চেক (নং- ঈউঅ ০৭৬২৫২৬) প্রদান করেন এবং দ্বিতীয় দফা: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে একইভাবে আরও ৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একই ব্যাংকের আরেকটি চেক (নং- ঈউঅ ০৭৬২৫৭০) কোম্পানি বরাবর প্রদান করেন।
টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও বিবাদী তা পরিশোধ করেননি। কাশবন হাউজিং লিঃ-এর ব্যবস’াপনা পরিচালক (এমডি) এবং মামলার বাদী বারবার টাকার জন্য তাগাদা দিলে বিবাদী বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে কোম্পানি আইনি পদক্ষেপ নিতে গেলে বিবাদী বন্ধুদের মাধ্যমে আপোসের প্রস্তাব দিলেও কোনো সমাধান করেননি। সর্বশেষ গত ১৯ মে (মঙ্গলবার) বাদী ও সাক্ষীগণ বিবাদীর কান্দিপাড়ার বাসায় গিয়ে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দিলে আমিনুল ইসলাম শরীফ পূর্বের সমস্ত লেনদেনের কথা অস্বীকার করেন এবং টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলক আচরণ করেন। বাদী জানান, আমিনুল ইসলাম শরীফ আমাদের সংগঠন থেকে চেকের মাধ্যমে ১৬ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি সেই টাকা ফেরত না দিয়ে এখন ধূর্ততার আশ্রয় নিচ্ছেন। আমি যেন এই টাকাটা উদ্ধার করে আমাদের কোম্পানিকে বুঝিয়ে দিতে পারি, সেজন্য আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আদালতের দ্বারস’ হয়েছি।” টাকা উদ্ধারে তিনি প্রশাসন ও সচেতন দেশবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। এদিকে, দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে এবং আনীত গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিবাদী মোঃ আমিনুল ইসলাম শরীফের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে প্রকাশ্যে শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস’া গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী বাদী।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় : ০৭:৩০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম জানান, গত ২১ জুলাই ২০২৭ইং তারিখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলা সূত্রে জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুটি চেকের মাধ্যমে নেওয়া ‘কাশবন হাউজিং লিমিটেড’-এর মোট ১৬ লাখ টাকা ফেরত না দিয়ে প্রতারণামূলকভাবে আত্মসাতের অভিযোগে মোঃ আমিনুল ইসলাম শরীফ (৪৬) নামে এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগী ও কাশবন হাউজিং লিমিটেডের ডিরেক্টর মোঃ সাদেকুল ইসলাম বাদী হয়ে ২০ মে (বুধবার) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সদর) আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেন। যার সি.আর মামলা নং- ১০৭১/২৬, তারিখ: ১৩/০৮/২০২৬ইং। স্মারক নং-৩৫৫৭ মোঃ আমিনুল ইসলাম শরীফ ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভার কান্দিপাড়া এলাকার (মহল্লা ৭২৯) হাজী মোঃ মিলন মিঞার ছেলে। তিনি কোর্ট রোডের ফরিদ উদ্দিন আনোয়ারা টাওয়ারে অবসি’ত ‘মেসার্স নিবাস এন্টারপ্রাইজ’-এর সাবেক স্বত্বাধিকারী। মামলার আরজি ও বাদীর বক্তব্য থেকে জানা যায়, ব্যবসায়িক সুবাদে বিবাদী আমিনুল ইসলাম শরীফ বাদীপক্ষ ‘কাশবন হাউজিং লিঃ’-এর কাছ থেকে দুই দফায় মোট ১৬ লাখ টাকা ঋণ গ্রহণ করেন প্রথম দফা: ১৩ নভেম্বর ২০১৪ তারিখে ১০ লাখ টাকা ঋণ নেন এবং এর বিপরীতে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড, ব্রাহ্মণবাড়িয়া শাখার একটি চেক (নং- ঈউঅ ০৭৬২৫২৬) প্রদান করেন এবং দ্বিতীয় দফা: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫ তারিখে একইভাবে আরও ৬ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে একই ব্যাংকের আরেকটি চেক (নং- ঈউঅ ০৭৬২৫৭০) কোম্পানি বরাবর প্রদান করেন।
টাকা নেওয়ার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও বিবাদী তা পরিশোধ করেননি। কাশবন হাউজিং লিঃ-এর ব্যবস’াপনা পরিচালক (এমডি) এবং মামলার বাদী বারবার টাকার জন্য তাগাদা দিলে বিবাদী বিভিন্ন অজুহাতে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। একপর্যায়ে কোম্পানি আইনি পদক্ষেপ নিতে গেলে বিবাদী বন্ধুদের মাধ্যমে আপোসের প্রস্তাব দিলেও কোনো সমাধান করেননি। সর্বশেষ গত ১৯ মে (মঙ্গলবার) বাদী ও সাক্ষীগণ বিবাদীর কান্দিপাড়ার বাসায় গিয়ে পাওনা টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দিলে আমিনুল ইসলাম শরীফ পূর্বের সমস্ত লেনদেনের কথা অস্বীকার করেন এবং টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে প্রতারণামূলক আচরণ করেন। বাদী জানান, আমিনুল ইসলাম শরীফ আমাদের সংগঠন থেকে চেকের মাধ্যমে ১৬ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছিলেন। দীর্ঘ সময় পার হয়ে গেলেও তিনি সেই টাকা ফেরত না দিয়ে এখন ধূর্ততার আশ্রয় নিচ্ছেন। আমি যেন এই টাকাটা উদ্ধার করে আমাদের কোম্পানিকে বুঝিয়ে দিতে পারি, সেজন্য আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আদালতের দ্বারস’ হয়েছি।” টাকা উদ্ধারে তিনি প্রশাসন ও সচেতন দেশবাসীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। এদিকে, দায়েরকৃত মামলার বিষয়ে এবং আনীত গুরুতর অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিবাদী মোঃ আমিনুল ইসলাম শরীফের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন করে প্রকাশ্যে শহরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। তাকে আইনের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস’া গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী বাদী।