ঢাকা ০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। তিতাস নদী ও বিলে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান: নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দাতা ওয়ারিশদের পাশ কাটিয়ে শ্রী শ্রী দক্ষিণ কালীবাড়ি মন্দিরের কমিটি গঠনে প্রতিবাদ সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবর্তকের আয়োজনে রবীন্দ্র নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত চিকিৎসাসেবা শিকেয় তুলে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা ও আনন্দ ভ্রমণ: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হামলায় সৌদি প্রবাসী নিহতের অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের পতাকা মিছিল সাবেক প্রতিমন্ত্রী মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের শোক

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫ ৭২৯ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জেলা পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সভায় ‘বাল্যবিয়ে’ কে ‘না’ বলেছেন ২ শতাধিক অভিভাবক। সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র উদ্যোগে ও সরাইল উপজেলার উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে ওই স্কুলের মিলনায়তনে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ‘বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলেছেন অভিবাবকরা । স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। ডিপিএফ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু মিয়া, সহ সহসভাপতি এ সি তাপসী রায়, সদস্য মো. আইয়ুব খান, এস এম শাহিন, মো. তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. পারভেজ, সুহৃদ সোসাইটির সভাপতি মো. আমির আলী , স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস’াপক মো. আফজাল হোসেন রানাপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বাল্যবিয়ে হচ্ছে এক প্রকার ক্রাইম। এই ক্রাইমের শিকার হচ্ছে আমাদের শিশুরা। আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। শিশুদের বিয়ে দিয়ে ভাবছি দায় মুক্তি হচ্ছি। না, আমরা দায় আরো বৃদ্ধি করছি। শিশুর জীবনটা হাতে ধরে ধ্বংস করে দিচ্ছি। শিশুর গর্ভে শিশু জন্মানোর সুযোগ করছি। ফলে অন্ধ বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী প্রজন্ম জন্ম গ্রহণ করছে। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশু কিশোরীদের আত্মহত্যা ও জটিল রোগ ব্যাধি। এভাবে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করছি। ১৮ বছর বয়সের আগে কোন কন্যা শিশুকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এই বিষয়টি সকল অভিভাবককে জানতে ও মানতে হবে। বাল্যবিয়ের মত ক্রাইম করলে দেশের প্রচলিত আইনে কন্যা ও ছেলের অভিভাবকের সাজা ভোগ করতে হবে। কারাভোগ ও অর্থদন্ড উভয়ই হতে পারে। আসুন, আমরা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসি। আজ থেকে বাল্যবিয়ে কে না বলি। উপস্থিত নারী পুরূষসহ প্রায় ২ শতাধিক অভিভাবক হাত উঁচিয়ে ‘বাল্যবিয়ে’ কে সমস্বরে ‘না’ বলেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফর উদ্যোগে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক মতবিনিময় সভা

আপডেট সময় : ০৯:৩২:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে জেলা পলিসি ফোরামের (ডিপিএফ) সভায় ‘বাল্যবিয়ে’ কে ‘না’ বলেছেন ২ শতাধিক অভিভাবক। সোমবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র উদ্যোগে ও সরাইল উপজেলার উত্তর কালীকচ্ছ মডেল স্কুল এন্ড কলেজের আয়োজনে ওই স্কুলের মিলনায়তনে ‘বাল্যবিয়ে’ প্রতিরোধ বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় ‘বাল্যবিবাহ কে ‘না’ বলেছেন অভিবাবকরা । স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান মো. আবু ছায়েদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারফ হোসাইন। ডিপিএফ’র সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- সরাইল সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, জেলা ডিপিএফ’র সভাপতি মো. আরজু মিয়া, সহ সহসভাপতি এ সি তাপসী রায়, সদস্য মো. আইয়ুব খান, এস এম শাহিন, মো. তাহের উদ্দিন ভূঁইয়া, মো. পারভেজ, সুহৃদ সোসাইটির সভাপতি মো. আমির আলী , স্থানীয় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ব্যবস’াপক মো. আফজাল হোসেন রানাপ্রমুখ। প্রধান অতিথি বলেন, বাল্যবিয়ে হচ্ছে এক প্রকার ক্রাইম। এই ক্রাইমের শিকার হচ্ছে আমাদের শিশুরা। আমরা কেউ এর দায় এড়াতে পারি না। শিশুদের বিয়ে দিয়ে ভাবছি দায় মুক্তি হচ্ছি। না, আমরা দায় আরো বৃদ্ধি করছি। শিশুর জীবনটা হাতে ধরে ধ্বংস করে দিচ্ছি। শিশুর গর্ভে শিশু জন্মানোর সুযোগ করছি। ফলে অন্ধ বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী প্রজন্ম জন্ম গ্রহণ করছে। বাড়ছে বিবাহ বিচ্ছেদ, শিশু কিশোরীদের আত্মহত্যা ও জটিল রোগ ব্যাধি। এভাবে পারিবারিক ও সামাজিক অশান্তি সৃষ্টি করছি। ১৮ বছর বয়সের আগে কোন কন্যা শিশুকে বিয়ে দেয়া যাবে না। এই বিষয়টি সকল অভিভাবককে জানতে ও মানতে হবে। বাল্যবিয়ের মত ক্রাইম করলে দেশের প্রচলিত আইনে কন্যা ও ছেলের অভিভাবকের সাজা ভোগ করতে হবে। কারাভোগ ও অর্থদন্ড উভয়ই হতে পারে। আসুন, আমরা ব্যাধি থেকে বেরিয়ে আসি। আজ থেকে বাল্যবিয়ে কে না বলি। উপস্থিত নারী পুরূষসহ প্রায় ২ শতাধিক অভিভাবক হাত উঁচিয়ে ‘বাল্যবিয়ে’ কে সমস্বরে ‘না’ বলেছেন।