ঢাকা ০৬:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ও পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে জেলা পরিষদ ও সনাকের মতবিনিময় সভা সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী?

নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো শিশু ইয়াসিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২ ৪৪৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শিশু ইয়াসিন। বয়স মাত্র দেড় বছর। কোন রকমে হাঁটতে চলতে পারে। গ্রামের চারিদিকে পানি থৈ থৈ করছে। শখ করে হেঁসে খেলে মায়ের সাথে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। সেখানে পানিতে ডুবে লাশ হলো শিশু ইয়াসিন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার অরূয়াইল ইউনিয়নের মেঘনার পাড় ঘেষা রাজাপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। চোখের ফলকে তরতাজা শিশু সন্তানকে হারিয়ে পাগল প্রায় মা বাবা। নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজাপুর গ্রামের রাসেল মিয়ার ছেলে ইয়াসিন। একই গ্রামে রাসেল মিয়ার শ্বশুরবাড়ি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান রাসেলের স্ত্রী। মায়ের সাথে আনন্দে হেঁসে খেলে লাফিয়ে দাফিয়ে নানার বাড়িতে যায় ইয়াসিন। গ্রামটি একেবারে মেঘনা নদীর পাড় ঘেষা। খেলতে খেলতে এক সময় মায়ের নজরের বাহিরে চলে যায় ইয়াসিন। বুঝতেই পারেননি শিশুটির মা। বিকেল বেলা থেকেই ইয়াসিনকে খুঁজতে থাকেন তারা। কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না শিশুটিকে। ঘন্টা খানেক পর মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড় ঘেঁষে ইনু মিয়ার বাড়ির পাশে একটি শিশুর লাশ ভাসতে দেখে গ্রামবাসী। সকলের ধারণা ছিল পার্শ্ববর্তী দুবাজাইল গ্রাম থেকে লাশটি হয়তনা ভেসে আসতে পারে। এক সময় লাশটি উদ্ধার করে পরিচয় জানার চেষ্টা করতে থাকেন। ইয়াসিনের বাবা রাসেল মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের শিশু সন্তানের লাশ সনাক্ত করেন। লাশ বাড়িতে এনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়াই শিশুর লাশ দাফন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর খবর পেয়ে ইউপি সদস্যকে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় পরিবার বা অন্যকারো কোন অভিযোগ ছিল না।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে লাশ হলো শিশু ইয়াসিন

আপডেট সময় : ০৮:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুন ২০২২

শিশু ইয়াসিন। বয়স মাত্র দেড় বছর। কোন রকমে হাঁটতে চলতে পারে। গ্রামের চারিদিকে পানি থৈ থৈ করছে। শখ করে হেঁসে খেলে মায়ের সাথে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। সেখানে পানিতে ডুবে লাশ হলো শিশু ইয়াসিন। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে উপজেলার অরূয়াইল ইউনিয়নের মেঘনার পাড় ঘেষা রাজাপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে। চোখের ফলকে তরতাজা শিশু সন্তানকে হারিয়ে পাগল প্রায় মা বাবা। নিহত শিশুর পরিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, রাজাপুর গ্রামের রাসেল মিয়ার ছেলে ইয়াসিন। একই গ্রামে রাসেল মিয়ার শ্বশুরবাড়ি। গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে স্বামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান রাসেলের স্ত্রী। মায়ের সাথে আনন্দে হেঁসে খেলে লাফিয়ে দাফিয়ে নানার বাড়িতে যায় ইয়াসিন। গ্রামটি একেবারে মেঘনা নদীর পাড় ঘেষা। খেলতে খেলতে এক সময় মায়ের নজরের বাহিরে চলে যায় ইয়াসিন। বুঝতেই পারেননি শিশুটির মা। বিকেল বেলা থেকেই ইয়াসিনকে খুঁজতে থাকেন তারা। কোথাও পাওয়া যাচ্ছিল না শিশুটিকে। ঘন্টা খানেক পর মেঘনা নদীর পশ্চিম পাড় ঘেঁষে ইনু মিয়ার বাড়ির পাশে একটি শিশুর লাশ ভাসতে দেখে গ্রামবাসী। সকলের ধারণা ছিল পার্শ্ববর্তী দুবাজাইল গ্রাম থেকে লাশটি হয়তনা ভেসে আসতে পারে। এক সময় লাশটি উদ্ধার করে পরিচয় জানার চেষ্টা করতে থাকেন। ইয়াসিনের বাবা রাসেল মিয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের শিশু সন্তানের লাশ সনাক্ত করেন। লাশ বাড়িতে এনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের অনুমতি নিয়ে ময়না তদন্ত ছাড়াই শিশুর লাশ দাফন করেন। ইউপি চেয়ারম্যান মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া বলেন, পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর খবর পেয়ে ইউপি সদস্যকে পাঠিয়েছি। এ ঘটনায় পরিবার বা অন্যকারো কোন অভিযোগ ছিল না।

মাহবুব খান বাবুল