ঢাকা ০৮:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সমাবেশ ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে বিদায় করেছি: এমপি শ্যামল ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে ‘চ্যানেল’ সিন্ডিকেট: হয়রানিতে সাধারণ গ্রাহক। শিক্ষাসেবার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দু’বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজন হচ্ছে নৌকাবাইচ

বিজয়নগরে আগুনে বসতঘর পুঁড়ে ছাই ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি
  • আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫ ৬১৯ বার পড়া হয়েছে

বিজয়নগরে আগুনে বসতঘর পুঁড়ে ছাই ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইব্রাহিমপুর গ্রামে একটি বসতঘর পুঁড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে তাদের দাবি পূর্ব শত্রুতার জায়গা সংক্রান্ত জের ধরে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীরা তাদের বসত ঘরে আগুন দিয়েছে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মৃত মনছুর আলীর বাড়ির বসত ঘরে আগুন লাগে গত (২৬ জুন) বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে। আশেপাশের লোকজন আসার আগেই মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা কাগজপত্র ও আসবাবপত্র সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রায় ১০-১২ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতির হয়। ভুক্তভোগী রিমা বলেন, আমরা কেউ বাড়িতে থাকি না, গত বুধবার দিবাগত রাতে আমার ভাইও বাড়িতে নাই, আমরা চার বোন, মা বাবাও নাই, ঢাকায় ছিলাম তখন রাত আড়াইটার দিকে ফোন গিয়েছে বাড়িতে নাকি আগুন লেগেছে। তখন আমি আমার ছোট বোনকে বলেছি বাড়িতে নাকি আগুন লেগেছে জানার চেষ্টা করো। আমার চাচা নাকি রাত আড়াইটার দিকে প্রস্রাব করতে বাহির হয়েছে। তখন নাকি দেখে আমাদের সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে যাদের সাথে ঝামেলা তারা ৩/৪ জন এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আগুন লাগার পরে তাদেরকে আমার চাচা ডাক দিলে তারা পালিয়ে যায়। তারপর আমার চাচা ডাকাডাকি করে আশেপাশে লোকজন জড়ো করে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। এ বিষয়ে জানতে বিজয়নগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন লিডার মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে পাওয়া যায়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বিজয়নগরে আগুনে বসতঘর পুঁড়ে ছাই ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৯:১৫:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ইব্রাহিমপুর গ্রামে একটি বসতঘর পুঁড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে অন্তত ১০-১২ লাখ টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ভুক্তভোগী পরিবার। তবে তাদের দাবি পূর্ব শত্রুতার জায়গা সংক্রান্ত জের ধরে পার্শ্ববর্তী প্রতিবেশীরা তাদের বসত ঘরে আগুন দিয়েছে। এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, মৃত মনছুর আলীর বাড়ির বসত ঘরে আগুন লাগে গত (২৬ জুন) বুধবার দিবাগত রাত ২টার দিকে। আশেপাশের লোকজন আসার আগেই মুহূর্তের মধ্যে পুরো ঘরটি আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে ঘরে থাকা কাগজপত্র ও আসবাবপত্র সহ প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এ ঘটনায় প্রায় ১০-১২ লাখ টাকা ক্ষয়ক্ষতির হয়। ভুক্তভোগী রিমা বলেন, আমরা কেউ বাড়িতে থাকি না, গত বুধবার দিবাগত রাতে আমার ভাইও বাড়িতে নাই, আমরা চার বোন, মা বাবাও নাই, ঢাকায় ছিলাম তখন রাত আড়াইটার দিকে ফোন গিয়েছে বাড়িতে নাকি আগুন লেগেছে। তখন আমি আমার ছোট বোনকে বলেছি বাড়িতে নাকি আগুন লেগেছে জানার চেষ্টা করো। আমার চাচা নাকি রাত আড়াইটার দিকে প্রস্রাব করতে বাহির হয়েছে। তখন নাকি দেখে আমাদের সাথে জায়গা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে যাদের সাথে ঝামেলা তারা ৩/৪ জন এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে। আগুন লাগার পরে তাদেরকে আমার চাচা ডাক দিলে তারা পালিয়ে যায়। তারপর আমার চাচা ডাকাডাকি করে আশেপাশে লোকজন জড়ো করে আগুন নিভানোর চেষ্টা করে। এ বিষয়ে জানতে বিজয়নগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন লিডার মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখি স্থানীয়রা আগুন নিভিয়ে ফেলে। এ বিষয়ে বিজয়নগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলে পাওয়া যায়নি।