ঢাকা ০৪:১০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা উন্নয়ন পরিষদের ৩৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপণ সরাইলে নজরুল বর্ষ উদযাপন,পুরস্কার বিতরণ ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু সীমান্তে ৬০ বিজিবির অভিযান: ৪০ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্য ও মাদক জব্দ ভাতুরিয়া টু টিয়ারা রাস্তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মাদকসেবী নয়, মাদক সম্রাট ও মাফিয়াদের ধরতে কাজ করছি’: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবাগত এসপি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ২০২৬ পালিত। অপরাধ দমনে মৃত্যুদণ্ড নয়, সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘মৃত্যুদণ্ড বিলোপ দিবস’ পালিত Saimum Sairas elected BPMCA senior joint secretary

নিরাপত্তা চেয়েও বাঁচতে পারল না হাফিজ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩ ৪৩৪ বার পড়া হয়েছে

নিরাপত্তা চেয়েও বাঁচতে পারল না হাফিজ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ
থানায় জিডি করেও জীবন বাঁচাতে পারলেন না ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের পাকশিমুল ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের নৌকা ব্যবসায়ি চান্দালীর ছেলে হাফিজ উদ্দিন (৪৭)। পূর্ব শত্রূতার জেরে গতকাল শুক্রবার বিকেলে একই গ্রামের প্রয়াত আমিন মিয়ার ছেলে রায়হানের নেতৃত্বে ৫-৬ জন যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে হাফিজের উপর হামলা চালিয়ে বুকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হাফিজের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত রমজান মাসে হরিপুর গ্রামের জোয়াদ আলীর ছেলে মুজিবুর রহমানের (৩৮) মুদির দোকান চুরি হয়। ওই চুরি ঘটনায় ধরা পড়ে আমিন মিয়ার ছেলে রায়হানের ভাই সাইফুল্লাহ (২২)। এতে রায়হান গংরা ক্ষুদ্ধ হয় হাফিজের উপর। এরই জের ধরে গত ২০-২৫ দিন আগে রায়হানরা তিন ভাই মিলে হাফিজের উপর হামলা করেছিল। এ ঘটনায় ৫ সন্তানের জনক হাফিজ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সরাইল থানায় একটি সাধারণ ডারেরী করেছিলেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় কিছু লোক ও পুলিশের সহায়তায় নিস্পত্তি হয়। নিস্পত্তির পরও যে খুনের শিকার হতে হবে এমনটি অজানা ছিল হাফিজ ও তার পরিবারের লোকদের। গত ৪ আগষ্ট বিকাল বেলা রায়হান (১৯), সাইফুল্লাহ (২২) , তফছির (২৭) তিন ভাইয়ের নেতৃত্বে ৫-৬ জন যুবক ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আকস্মিক ভাবে হাফিজের উপর হামলা চালায়। হামলায় হাফিজের বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে। গুরূতর আহত হন হাফিজ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাফিজকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় হাফিজ মারা যায়। রাতেই হাফিজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই গ্রামে উত্তেজনা বেড়ে যায়। আর বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় রায়হানদের পরিবার। ময়না তদন্তের জন্য হাফিজের লাশ এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেলেই ছিল। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরানুল ইসলাম বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। লাশ এখনো ঢাকা মেডিকেলে রয়েছে। নিহত হাফিজের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নিরাপত্তা চেয়েও বাঁচতে পারল না হাফিজ

আপডেট সময় : ০৯:৪৮:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ অগাস্ট ২০২৩

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ
থানায় জিডি করেও জীবন বাঁচাতে পারলেন না ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলের পাকশিমুল ইউনিয়নের হরিপুর গ্রামের নৌকা ব্যবসায়ি চান্দালীর ছেলে হাফিজ উদ্দিন (৪৭)। পূর্ব শত্রূতার জেরে গতকাল শুক্রবার বিকেলে একই গ্রামের প্রয়াত আমিন মিয়ার ছেলে রায়হানের নেতৃত্বে ৫-৬ জন যুবক ধারালো অস্ত্র নিয়ে হাফিজের উপর হামলা চালিয়ে বুকে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করে। হাফিজের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। পুলিশ, নিহতের পরিবার ও স্থানীয়রা জানায়, গত রমজান মাসে হরিপুর গ্রামের জোয়াদ আলীর ছেলে মুজিবুর রহমানের (৩৮) মুদির দোকান চুরি হয়। ওই চুরি ঘটনায় ধরা পড়ে আমিন মিয়ার ছেলে রায়হানের ভাই সাইফুল্লাহ (২২)। এতে রায়হান গংরা ক্ষুদ্ধ হয় হাফিজের উপর। এরই জের ধরে গত ২০-২৫ দিন আগে রায়হানরা তিন ভাই মিলে হাফিজের উপর হামলা করেছিল। এ ঘটনায় ৫ সন্তানের জনক হাফিজ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সরাইল থানায় একটি সাধারণ ডারেরী করেছিলেন। পরে বিষয়টি স্থানীয় কিছু লোক ও পুলিশের সহায়তায় নিস্পত্তি হয়। নিস্পত্তির পরও যে খুনের শিকার হতে হবে এমনটি অজানা ছিল হাফিজ ও তার পরিবারের লোকদের। গত ৪ আগষ্ট বিকাল বেলা রায়হান (১৯), সাইফুল্লাহ (২২) , তফছির (২৭) তিন ভাইয়ের নেতৃত্বে ৫-৬ জন যুবক ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আকস্মিক ভাবে হাফিজের উপর হামলা চালায়। হামলায় হাফিজের বুকের বাম পাশে ছুরিকাঘাত করে। গুরূতর আহত হন হাফিজ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাফিজকে প্রথমে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দিবাগত রাত ১টায় হাফিজ মারা যায়। রাতেই হাফিজের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে ওই গ্রামে উত্তেজনা বেড়ে যায়। আর বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যায় রায়হানদের পরিবার। ময়না তদন্তের জন্য হাফিজের লাশ এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেলেই ছিল। সরাইল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এমরানুল ইসলাম বলেন, হত্যাকান্ডের সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। লাশ এখনো ঢাকা মেডিকেলে রয়েছে। নিহত হাফিজের স্ত্রী বাদী হয়ে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।