ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
চুরির দায়ে সুলতানপুরের বোরহান উদ্দিন গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সরাইলে সাংবাদিক মাসুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা: দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। তিতাস নদী ও বিলে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান: নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দাতা ওয়ারিশদের পাশ কাটিয়ে শ্রী শ্রী দক্ষিণ কালীবাড়ি মন্দিরের কমিটি গঠনে প্রতিবাদ সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবর্তকের আয়োজনে রবীন্দ্র নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত চিকিৎসাসেবা শিকেয় তুলে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা ও আনন্দ ভ্রমণ: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে স্ত্রী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের হামলায় সৌদি প্রবাসী নিহতের অভিযোগ

সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে এনসিপি’র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫ ১৩৬১ বার পড়া হয়েছে

সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে এনসিপি’র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে সরাইলে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও ২০২১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬,২৭ ও ২৮ মার্চ ঐতিহাসিক মোদি বিরোধী আন্দোলনে সরাইলে শহীদ পরিবারের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রয়াত মুফতী মাওলানা ফজলুল হক আমিনী (রহ.) দৌহিত্র ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় নাগরকি পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি। তিনি শুক্রবার ও শনিবার সরাইলে শহীদদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তার নিজ উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এই সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন। এবং ঈদের আগাম শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংগঠিত সকল হত্যাকান্ডের বিচারের দাবি করেন। এসময় শহীদ আল আমিনের বাবা শফি আলী বলেন, আল আমিন কওমি মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের ছাত্র ছিল। ধর্মীয় মূল্যবোধ আর ঈমানি চেতনায় সে আন্দোলনে যোগ দেয়। শহীদ লিটনের ভাই মো. মামুন বলেন, আমার বড় ভাই ছিল অটোরিকশা চালক ছিলেন। তার হত্যার বিচার চাই। শহীদ জসিমের স্ত্রী শাহানা বেগম বলেন, আমার স্বামী ঢাকায় ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ১৯ জুলাই রামপুরায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন। শহীদ হাদিস (২৮) এর স্ত্রী হনুফা বেগম বলেন, আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই। এই ব্যাপারে জাতীয় নাগরকি পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদী জানান শহীদ পরিবারদের আশ্বস্ত করে বলেন, খুনিদের বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে আছি এবং থাকবো। নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে সকল শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, এসময় উপস্থিত ছিলেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সদস্য অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম মিথিল, শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, সমাজকর্মী আবু বকর সিদ্দিক জাবের, জাতীয় নাগরিক পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি মুহাম্মদ রনি, তারেক জামিল ও নাসরুল্লাহ মুয়াজ প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে এনসিপি’র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ উদ্দিন মাহদি

আপডেট সময় : ১০:১১:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে শহীদ পরিবারের পাশে সরাইলে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও ২০২১ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২৬,২৭ ও ২৮ মার্চ ঐতিহাসিক মোদি বিরোধী আন্দোলনে সরাইলে শহীদ পরিবারের সাথে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও প্রয়াত মুফতী মাওলানা ফজলুল হক আমিনী (রহ.) দৌহিত্র ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে অন্যতম সংগঠক ও জাতীয় নাগরকি পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদি। তিনি শুক্রবার ও শনিবার সরাইলে শহীদদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তার নিজ উদ্যোগে ঈদ উপহার সামগ্রী তুলে দেন। এই সময় তিনি শহীদ পরিবারের সদস্যদের খোঁজ খবর নেন। এবং ঈদের আগাম শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেন। এসময় শহীদ পরিবারের সদস্যরা ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে সংগঠিত সকল হত্যাকান্ডের বিচারের দাবি করেন। এসময় শহীদ আল আমিনের বাবা শফি আলী বলেন, আল আমিন কওমি মাদ্রাসায় হিফজ বিভাগের ছাত্র ছিল। ধর্মীয় মূল্যবোধ আর ঈমানি চেতনায় সে আন্দোলনে যোগ দেয়। শহীদ লিটনের ভাই মো. মামুন বলেন, আমার বড় ভাই ছিল অটোরিকশা চালক ছিলেন। তার হত্যার বিচার চাই। শহীদ জসিমের স্ত্রী শাহানা বেগম বলেন, আমার স্বামী ঢাকায় ঝালমুড়ি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানে ১৯ জুলাই রামপুরায় পুলিশের গুলিতে শহীদ হয়েছিলেন। শহীদ হাদিস (২৮) এর স্ত্রী হনুফা বেগম বলেন, আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই। এই ব্যাপারে জাতীয় নাগরকি পার্টি (এনসিপি) যুগ্ম আহবায়ক মাওলানা আশরাফ উদ্দিন মাহদী জানান শহীদ পরিবারদের আশ্বস্ত করে বলেন, খুনিদের বিচার নিশ্চিত না করা পর্যন্ত আমরা রাজপথে আছি এবং থাকবো। নিজেদের সর্বোচ্চ সামর্থ্য দিয়ে সকল শহীদ পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই সময় উপস্থিত ছিলেন, এসময় উপস্থিত ছিলেন পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) সদস্য অধ্যাপক তৌফিকুল ইসলাম মিথিল, শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ বাবা মীর মোস্তাফিজুর রহমান, সমাজকর্মী আবু বকর সিদ্দিক জাবের, জাতীয় নাগরিক পার্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি মুহাম্মদ রনি, তারেক জামিল ও নাসরুল্লাহ মুয়াজ প্রমুখ।