বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা।
- আপডেট সময় : ০৭:৪৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬ ৭১ বার পড়া হয়েছে
মানবাধিকার ও উন্নয়ন সংস্থা এআরডি-ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও এলএআরডি এর উদ্যোগে ০৮ এপ্রিল ২০২৬ ইং বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পানির গুরুত্বকে তুলে ধরে মানুষকে সচেতন করার জন্য জাতিসংঘ কর্তৃক ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্ব পানি দিবস উদযাপিত হয়ে আসছে। সভায় কানাই লাল রিশির সভাপত্বিতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এআরডিবি’র প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান উপদেষ্টা মো: সিদ্দিকুর রহমান রেজভী। তিনি বলেন “ পানি আমাদের মৌলিক অধিকার, জীবনের প্রতিটি স্তরে প্রয়োজন। বাংলাদেশে পানি সংকট বহুমাত্রিক এবং ক্রমশ তীব্র হচ্ছে । নদীনালা খাল-বিল ভরাট, অপরিকল্পিত ভাবে বাধ নির্মান, নদী শাসন পানি সংকটকে তীব্র করে দিচ্ছে। আমাদের সকলকে পানি সংকট মোকাবেলায় উদ্যোগ নিতে হবে। পানি অধিকারকে কেন্দ্র করে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে, যাতে প্রতিটি মানুষ তার জীবিকার জন্য প্রয়োজনীয় পানি পায়।”
বিশ্বব্যাপী ঘনিভ‚ত পানি সংকট সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করার জন্য ২০২৬ সালের বিশ্ব পানি দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ÒWater and GenderÓ। এর ভাবান্তর হিসেবে আমরা বলি“পানি অধিকার মানে খাদ্য অধিকার, পানি অধিকার মানে জীবিকার অধিকার”। অর্থাৎ পানি প্রবাহে সমতা প্রতিষ্ঠিত হলে নারী, কৃষক, জেলে ও সকল মানুষের জীবনে সমতা বৃদ্ধি পায়। পানি অধিকার মানে শুধু খাদ্য ও জীবিকার অধিকার নয়, বরং নারীর মর্যাদা ও সমতার অধিকারও। নারী নেতৃত্বকে শক্তিশালী করা ছাড়া পানি সংকট মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন অর্জন সম্ভব নয়।
ভাদুঘর ঋষিপাড়া (তিতাস নদী) গোদারা ঘাটে মানববন্ধন শেষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় উপস্থিতিদের মধ্যে একজন আক্ষেপ করে বলেন “আগে ভাদুঘরে দুটি খাল প্রবাহিত ছিল এবং এগুলো দিয়ে নৌকা চলাচল করতো কিন্তু কালের আবর্তে খাল গুলো ভরাট হয়ে গেছে। এখন আর নেই। তিতাস নদীও মৃত্য প্রায়।” এই দিবসে জাতিসংঘের মূল বার্তা ÒWhere water flows, equality growsÓ । অর্থাৎ পানি প্রবাহে সমতা প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজে সমতা বৃদ্ধি পায়। পানি অধিকার মানে খাদ্য অধিকার, পানি অধিকার মানে জীবিকার অধিকার।
এআরডিবি’র ফিল্ড সুপারভাইজার ফারহানা আক্তারের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথির বক্ত্যব রাখেন এআরডিবি’র প্রোগ্রাম কোঅর্ডিনেটর জান্নাতুল ফেরদৌস। আলোচনা সভায় এছাড়াও অন্যান্য শ্রেণী-পেশার নাগরিকগন উপস্থিত ছিলেন।

















