ঢাকা ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া ১৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক জাতীয় প্রশিক্ষণ কি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে? জবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে দিমন-সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৮ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসব শুরু বিদ্রোহীর হুংকারে শামীমা হতে পারে সরাইল বিএনপির অন্ধের যষ্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ১৬৬ বোতল ইসকফ সিরাপসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১টি অ্যাম্বুলেন্স থেকে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

বাঞ্ছারামপুরে ‘ত্রাসের রাজত্ব’, ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া):
  • আপডেট সময় : ০৫:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫ ১১৪৯ বার পড়া হয়েছে

বাঞ্ছারামপুরে ‘ত্রাসের রাজত্ব’, ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সালাউদ্দিন মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় শিশু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে বাজারে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা এবং তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু মিয়া বাদী হয়ে সালাউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। রবিবার (২৯ জুন, ২০০৫) বাঞ্ছারামপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে তিনি এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সালাউদ্দিন মিয়া ও তার সহযোগীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এরই জের ধরে তারা স্থানীয় বাসিন্দা শিশু মিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। শিশু মিয়া এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার উপর ক্ষিপ্ত হয় সালাউদ্দিন ও তার দলবল। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অভিযুক্তরা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। সম্প্রতি শিশু মিয়াকে বাজারে একা পেয়ে সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশু মিয়া জানান, “সালাউদ্দিন ও তার বাহিনী এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে। তাদের চাঁদাবাজিতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। আমি এর থেকে বাঁচতে এবং ন্যায়বিচার পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।” এলাকাবাসীর অভিযোগ, সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তাদের ভয়ে এতদিন অনেকে মুখ খুলতে সাহস না পেলেও শিশু মিয়ার এই মামলা দায়েরের পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং অনেকেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঞ্ছারামপুরে ‘ত্রাসের রাজত্ব’, ৫ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে মারধর

আপডেট সময় : ০৫:০৪:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে সালাউদ্দিন মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, মারধর ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় শিশু মিয়া নামে এক ব্যক্তিকে বাজারে প্রকাশ্যে পিটিয়ে আহত করা এবং তার কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশু মিয়া বাদী হয়ে সালাউদ্দিনকে প্রধান আসামি করে মোট ৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছেন। রবিবার (২৯ জুন, ২০০৫) বাঞ্ছারামপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে তিনি এই মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সালাউদ্দিন মিয়া ও তার সহযোগীরা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে। এরই জের ধরে তারা স্থানীয় বাসিন্দা শিশু মিয়ার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। শিশু মিয়া এই টাকা দিতে অস্বীকার করলে তার উপর ক্ষিপ্ত হয় সালাউদ্দিন ও তার দলবল। এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোর পর অভিযুক্তরা সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। সম্প্রতি শিশু মিয়াকে বাজারে একা পেয়ে সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তারা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করে এবং তার সঙ্গে থাকা নগদ ৩০ হাজার টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় দাবিকৃত ৫ লাখ টাকা পরিশোধ না করলে তাকে প্রাণে মেরে ফেলা হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগী শিশু মিয়া জানান, “সালাউদ্দিন ও তার বাহিনী এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছে। তাদের চাঁদাবাজিতে সাধারণ মানুষ অতিষ্ঠ। আমি এর থেকে বাঁচতে এবং ন্যায়বিচার পেতে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।” এলাকাবাসীর অভিযোগ, সালাউদ্দিন ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও সাধারণ মানুষকে হয়রানি করে আসছে। তাদের ভয়ে এতদিন অনেকে মুখ খুলতে সাহস না পেলেও শিশু মিয়ার এই মামলা দায়েরের পর এলাকায় কিছুটা স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং অনেকেই তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর জুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং আসামিদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।