ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু সীমান্তে ৬০ বিজিবির অভিযান: ৪০ লক্ষাধিক টাকার চোরাচালান পণ্য ও মাদক জব্দ ভাতুরিয়া টু টিয়ারা রাস্তার ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন মাদকসেবী নয়, মাদক সম্রাট ও মাফিয়াদের ধরতে কাজ করছি’: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবাগত এসপি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিশ্ব খাদ্য দিবস ও আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস ২০২৬ পালিত। অপরাধ দমনে মৃত্যুদণ্ড নয়, সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘মৃত্যুদণ্ড বিলোপ দিবস’ পালিত Saimum Sairas elected BPMCA senior joint secretary ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘সেরা পূজা মণ্ডপ’ শারদ সম্মাননা পেল দক্ষিণ কালীবাড়ি সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২০ লক্ষ টাকার চোরাচালান পণ্য জব্দ

১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রাথমিকভাবে স্থায়ী অবকাঠামো বিদ্যমান ব্যবসায়ী থেকে আবেদন আহ্বান, অস্থায়ী- ফুটপাত ব্যবসাকারীরা আসবে পর্যায়ক্রমে

আবেদন করা যাবে সরাসরি জেলা কার্যালয়ে বা আবেদন ফরম ডাক যোগে প্রেরণের মাধ্যমে

দেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থা আরও সুসংহত করতে নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA)। আগামী ১ নভেম্বর, ২০২৬ থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় আনা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য অফিসার বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী অবকাঠামো বা ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনকারীরা নির্ধারিত আবেদন ফরম (নিবন্ধন ৫.১ ও লাইসেন্স ৬.১) নিজেরা পূরণ করে ডাকযোগে অথবা সরাসরি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ে জমা দিতে পারবেন। ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হবে না।

যেসব খাদ্য ব্যবসার জন্য আবেদন প্রযোজ্য
প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টি উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠান, স্থায়ী পাইকারি মুদি দোকান এবং খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া আইসক্রিম কারখানা, খাদ্য কোল্ড স্টোরেজ, সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যতীত খাদ্য গুদাম, সুপারশপ, শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এবং গুঁড়, চকোলেট, মনাক্কা ও আচার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও এ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হবে।

তবে এ পর্যায়ে ফুটপাতের ক্ষুদ্র খাদ্য ব্যবসায়ী, অস্থায়ী ও ভাসমান ব্যবসায়ী এবং পিঠা-পুলি, ফুচকা ও চটপটি বিক্রেতাদের জন্য নিবন্ধন আবেদন ১ নভেম্বর, ২০২৬ থেকেই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। অর্থাৎ প্রাথমিক পর্যায়ের এই আবেদন কার্যক্রম মূলত নির্ধারিত শ্রেণির স্থায়ী ও ট্রেড লাইসেন্সধারী খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। বাকিদের পর্যায়ক্রমে আবেদন প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করা হবে।

নিবন্ধন আবেদন কিভাবে হবে এবং কি কি প্রয়োজন
প্রাথমিক অফলাইনে আবেদন শুরু হলেও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস তৈরি হওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে নিয়ে যাওয়া হবে। নির্দিষ্ট আবেদন ফরম নিজ হাতে পূরণ বা কম্পিউটারে পূরণ করে স্বাক্ষর করে জেলা কার্যালয়ে সরাসরি জমা বা ডাক যোগে প্রেরণ করা যাবে। ডাকযোগে প্রেরণের ঠিকানা- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ২য় তলা, হামীম ভবন, দাতিয়ারা, ওয়াপদা রোড, সদর-৩৪০০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ইমেইল- fso.brahmanbaria@bfsa.gov.bd, ওয়েবসাইট – www.bfsa.brahmanbaria.gov.bd।

নিবন্ধন আবেদনের সাথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও খাদ্য ব্যবসা পরিচালনাকারীর বা ব্যবসায়ীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিদ্যমান অন্যান্য লাইসেন্সের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।

নিবন্ধন ও লাইসেন্স ফি এবং নবায়ন
নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসার ধরন ও শ্রেণি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হবে। নিবন্ধন গ্রহণ সম্পূর্ণ ফ্রি, তবে নবায়ন / ডুপ্লিকেট / রিইস্যুতে প্রয়োজন হবে ১০০ টাকা। লাইসেন্স আবেদন ফি ১০০০ টাকা। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে ৩ বছর। নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ প্রদান না করার বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকতে হবে।

নিজেই করুন আবেদন, দালাল থেকে সতর্ক থাকুন
আবেদন কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের প্রতারণা কিংবা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সুযোগ যেন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করছে কর্তৃপক্ষ। ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন নিজেদের নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন নিজেরাই পূরণ ও জমা দেন। কেউ আবেদন করে দেওয়া, দ্রুত নিবন্ধন বা লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়া কিংবা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে অর্থ দাবি করলে তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রলোভনে পড়ে ব্যবসায়ীরা যেন প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। এমন কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে নিরাপদ খাদ্য অফিসারকে জানানো অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

১ নভেম্বর থেকে খাদ্য ব্যবসায় নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু

আপডেট সময় : ১০:২০:৪৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

প্রাথমিকভাবে স্থায়ী অবকাঠামো বিদ্যমান ব্যবসায়ী থেকে আবেদন আহ্বান, অস্থায়ী- ফুটপাত ব্যবসাকারীরা আসবে পর্যায়ক্রমে

আবেদন করা যাবে সরাসরি জেলা কার্যালয়ে বা আবেদন ফরম ডাক যোগে প্রেরণের মাধ্যমে

দেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, সংরক্ষণ ও বিপণন ব্যবস্থা আরও সুসংহত করতে নিরাপদ খাদ্য (নিবন্ধন ও লাইসেন্স) প্রবিধিমালা, ২০২৬ অনুযায়ী খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (BFSA)। আগামী ১ নভেম্বর, ২০২৬ থেকে নির্ধারিত শ্রেণির খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন গ্রহণ শুরু হবে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর আওতায় আনা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় কার্যকর নজরদারি নিশ্চিত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। নিরাপদ খাদ্য অফিসার বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্থায়ী অবকাঠামো বা ট্রেড লাইসেন্স রয়েছে, সেসব প্রতিষ্ঠান থেকে নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন গ্রহণ করা হবে। আবেদনকারীরা নির্ধারিত আবেদন ফরম (নিবন্ধন ৫.১ ও লাইসেন্স ৬.১) নিজেরা পূরণ করে ডাকযোগে অথবা সরাসরি বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জেলা কার্যালয়ে জমা দিতে পারবেন। ফলে আবেদন প্রক্রিয়ায় কোনো মধ্যস্থতাকারীর প্রয়োজন হবে না।

যেসব খাদ্য ব্যবসার জন্য আবেদন প্রযোজ্য
প্রাথমিক পর্যায়ে যেসব খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রম শুরু হচ্ছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে হোটেল, রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টি উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠান, স্থায়ী পাইকারি মুদি দোকান এবং খাদ্য উৎপাদনের কাঁচামাল বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া আইসক্রিম কারখানা, খাদ্য কোল্ড স্টোরেজ, সরকারি প্রতিষ্ঠান ব্যতীত খাদ্য গুদাম, সুপারশপ, শুঁটকি প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠান এবং গুঁড়, চকোলেট, মনাক্কা ও আচার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানও এ কার্যক্রমের আওতাভুক্ত হবে।

তবে এ পর্যায়ে ফুটপাতের ক্ষুদ্র খাদ্য ব্যবসায়ী, অস্থায়ী ও ভাসমান ব্যবসায়ী এবং পিঠা-পুলি, ফুচকা ও চটপটি বিক্রেতাদের জন্য নিবন্ধন আবেদন ১ নভেম্বর, ২০২৬ থেকেই বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে না। অর্থাৎ প্রাথমিক পর্যায়ের এই আবেদন কার্যক্রম মূলত নির্ধারিত শ্রেণির স্থায়ী ও ট্রেড লাইসেন্সধারী খাদ্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য। বাকিদের পর্যায়ক্রমে আবেদন প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত করা হবে।

নিবন্ধন আবেদন কিভাবে হবে এবং কি কি প্রয়োজন
প্রাথমিক অফলাইনে আবেদন শুরু হলেও প্রয়োজনীয় লজিস্টিকস তৈরি হওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়া অনলাইনে নিয়ে যাওয়া হবে। নির্দিষ্ট আবেদন ফরম নিজ হাতে পূরণ বা কম্পিউটারে পূরণ করে স্বাক্ষর করে জেলা কার্যালয়ে সরাসরি জমা বা ডাক যোগে প্রেরণ করা যাবে। ডাকযোগে প্রেরণের ঠিকানা- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ২য় তলা, হামীম ভবন, দাতিয়ারা, ওয়াপদা রোড, সদর-৩৪০০, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ইমেইল- fso.brahmanbaria@bfsa.gov.bd, ওয়েবসাইট – www.bfsa.brahmanbaria.gov.bd।

নিবন্ধন আবেদনের সাথে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী ও খাদ্য ব্যবসা পরিচালনাকারীর বা ব্যবসায়ীর জাতীয় পরিচয়পত্র ও বিদ্যমান অন্যান্য লাইসেন্সের ফটোকপি সংযুক্ত করতে হবে।

নিবন্ধন ও লাইসেন্স ফি এবং নবায়ন
নিবন্ধন ও লাইসেন্স গ্রহণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যবসার ধরন ও শ্রেণি অনুযায়ী কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত ফি প্রযোজ্য হবে। নিবন্ধন গ্রহণ সম্পূর্ণ ফ্রি, তবে নবায়ন / ডুপ্লিকেট / রিইস্যুতে প্রয়োজন হবে ১০০ টাকা। লাইসেন্স আবেদন ফি ১০০০ টাকা। নিবন্ধন ও লাইসেন্সের মেয়াদ হবে ৩ বছর। নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি বা মধ্যস্থতাকারীকে অর্থ প্রদান না করার বিষয়েও ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকতে হবে।

নিজেই করুন আবেদন, দালাল থেকে সতর্ক থাকুন
আবেদন কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের প্রতারণা কিংবা অবৈধ আর্থিক লেনদেনের সুযোগ যেন সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা জারি করছে কর্তৃপক্ষ। ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ জানানো হয়েছে, তাঁরা যেন নিজেদের নিবন্ধন ও লাইসেন্সের আবেদন নিজেরাই পূরণ ও জমা দেন। কেউ আবেদন করে দেওয়া, দ্রুত নিবন্ধন বা লাইসেন্স পাইয়ে দেওয়া কিংবা বিশেষ সুবিধা দেওয়ার কথা বলে অর্থ দাবি করলে তাঁর সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রলোভনে পড়ে ব্যবসায়ীরা যেন প্রতারণার শিকার না হন, সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি। এমন কোন পরিস্থিতির উদ্ভব হলে নিরাপদ খাদ্য অফিসারকে জানানো অনুরোধ জানানো যাচ্ছে।

বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কর্তৃপক্ষের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অর্থাৎ নিবন্ধন ও লাইসেন্স কার্যক্রমে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।