ঢাকা ০২:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আখাউড়ায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপিয়ে শাহীন নামের পথচারীর আত্মহত্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অস্ত্র-গুলি-ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ৪, কারাগারে ২১; আটক ৯ কিশোর ৬০ বিজিবির অভিযানে ২৫ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য ও বিয়ার জব্দ ভাষা সৈনিক অলি আহাদ’র ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল বিজয়নগরে জেলা পরিষদের উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম কিস্তির চেক হস্তান্তর। বাবার বিরুদ্ধে মামলা ষড়যন্ত্রমূলক: ফেসবুকে মেয়ের প্রতিবাদ, উল্টো হুমকির অভিযোগ মূলগ্রাম কলেজে মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে বিনামূল্যে বই বিতরণ ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩৩ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ কবির কলম’-এর ১৫ সদস্যের নতুন কমিটি গঠন: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ২০০ রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা দিল লায়ন্স ক্লাব

ভাষা সৈনিক অলি আহাদ’র ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১২:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬ ১৩ বার পড়া হয়েছে

ভাষা সৈনিক অলি আহাদ’র ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভাষা সৈনিক, প্রখ্যাত রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও লেখক ও চির বিদ্রোহী জন নায়ক অলি আহাদ’এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বিকালে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর দ্বিতীয় গেইট তার সুযোগ্য কন্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বাস ভবনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে আয়োজন করা হয়েছে। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার কন্যা জাতীয় সংসদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। প্রসঙ্গত: ভাষা সৈনিক অলি আহাদ ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর ৮৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। অলি আহাদ ১৯২৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আবদুল ওহাব। অলি আহাদ ১৯৪৪ সালে প্রথম বিভাগে ম্যট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে গণভোটে তিনি ত্রিপুরা জেলার ৪ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্কাস ক্যাম্পের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯৪৭ সালে প্রথম বিভাগে আই, এসএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়শুনা করেন। কলেজ জীবনেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে মুসলিম ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনের জন্য সর্বপ্রথম তিনিই গ্রেপ্তার হন। ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকার কারণে ১৯৪৮ সালে ২৯ মার্চ তৎকালীন সরকার তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছরের জন্য বহিষ্কার করে। দীর্ঘ ৫৮ বছর পর ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। ১৯৪৭-১৯৭৫ সময়কালীন জাতীয় রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রথমে মুসলিগ লীগ ও পরে আওয়ামী লীগে ছিলেন। এরপর আমৃত্যু তিনি ডেমোক্রেটিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতীয় রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতা সম্বলিত গ্রন্থ জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫-১৯৭৫ এর প্রণেতা তিনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ২০০৪ সালে অলি আহাদকে স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান অলি আহাদকে ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়। ভাষা সৈনিক অলি আহাদ গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশে মোট ১৭ বার কারারুদ্ধ হয়েছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ভাষা সৈনিক অলি আহাদ’র ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ মিলাদ ও দোয়া মাহফিল

আপডেট সময় : ১২:৪৪:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

ভাষা সৈনিক, প্রখ্যাত রাজনীতিক, বুদ্ধিজীবী ও লেখক ও চির বিদ্রোহী জন নায়ক অলি আহাদ’এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বুধবার বিকালে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর দ্বিতীয় গেইট তার সুযোগ্য কন্যা ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বাস ভবনে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে আয়োজন করা হয়েছে। মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে অংশ গ্রহণ করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন তার কন্যা জাতীয় সংসদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। প্রসঙ্গত: ভাষা সৈনিক অলি আহাদ ২০১২ সালের ২০ অক্টোবর ৮৩ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন। অলি আহাদ ১৯২৮ সালে ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইসলামপুরে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন। তার পিতার নাম মরহুম আবদুল ওহাব। অলি আহাদ ১৯৪৪ সালে প্রথম বিভাগে ম্যট্রিকুলেশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে ঢাকা কলেজে ভর্তি হন। ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পক্ষে গণভোটে তিনি ত্রিপুরা জেলার ৪ সদস্য বিশিষ্ট ওয়ার্কাস ক্যাম্পের অন্যতম সদস্য ছিলেন। ১৯৪৭ সালে প্রথম বিভাগে আই, এসএসসি পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়শুনা করেন। কলেজ জীবনেই পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে মুসলিম ছাত্রলীগের কর্মী হিসাবে রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ ভাষা আন্দোলনের জন্য সর্বপ্রথম তিনিই গ্রেপ্তার হন। ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকার কারণে ১৯৪৮ সালে ২৯ মার্চ তৎকালীন সরকার তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ৪ বছরের জন্য বহিষ্কার করে। দীর্ঘ ৫৮ বছর পর ২০০৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এই আদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। ১৯৪৭-১৯৭৫ সময়কালীন জাতীয় রাজনীতিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি প্রথমে মুসলিগ লীগ ও পরে আওয়ামী লীগে ছিলেন। এরপর আমৃত্যু তিনি ডেমোক্রেটিক লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া জাতীয় রাজনীতিতে তার অভিজ্ঞতা সম্বলিত গ্রন্থ জাতীয় রাজনীতি ১৯৪৫-১৯৭৫ এর প্রণেতা তিনি। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ২০০৪ সালে অলি আহাদকে স্বীকৃতিস্বরূপ সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মান অলি আহাদকে ২০০৪ সালে স্বাধীনতা পদক দেয়া হয়। ভাষা সৈনিক অলি আহাদ গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম করতে গিয়ে পাকিস্তান আমল থেকে শুরু করে স্বাধীন বাংলাদেশে মোট ১৭ বার কারারুদ্ধ হয়েছিলেন।