ঢাকা ০৯:২৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কসবার তিন লাখ পীর এলাকায় ইপিজেড: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন যমুনা টিভির সাংবাদিক আল আমিনকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন: নবীনগরে ঠিকাদার প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে দাওয়া তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা। সরাইলে ড্রেজারের বালু ভরাটে জলাবদ্ধতার শঙ্কা, রক্ষায় এলাকাবাসীর আকুতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধভাবে খোলা তেল বিক্রি ভূইয়া ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা বিজয়নগরে বিরপাশা বাহারাম গোষ্ঠী প্রবাসী সংগঠনের অফিস উদ্বোধন। গৃহবধুকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ ফেলে পালালো অভিযুক্তরা

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২ ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমের অভিনয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতো। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরিফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া (৪৩)। আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মঈন উদ্দিন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরিফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার (১০ অক্টোবর) তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। এ সময় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যরা অভিযান চালান। পরে কৌশলে শরিফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ। পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, শরিফ চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইলফোন নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমের অভিনয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতো। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরিফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া (৪৩)। আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মঈন উদ্দিন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরিফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার (১০ অক্টোবর) তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। এ সময় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যরা অভিযান চালান। পরে কৌশলে শরিফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ। পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, শরিফ চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইলফোন নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।