ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কবি জয়দুল হোসেনের ‘পাখপাখালির মিলনমেলা’ গ্রন্থের প্রকাশনা উৎসব চুরির দায়ে সুলতানপুরের বোরহান উদ্দিন গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ সরাইলে সাংবাদিক মাসুদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা: দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি ঢেউ’র আহবায়ক সোহেল সদস্য সচিব আইফাত ডায়াবেটিক সমিতির ভূমি অধিগ্রহণের টাকা আত্মসাৎ অভিযোগে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারী। তিতাস নদী ও বিলে অবৈধ জালবিরোধী অভিযান: নিষিদ্ধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস দাতা ওয়ারিশদের পাশ কাটিয়ে শ্রী শ্রী দক্ষিণ কালীবাড়ি মন্দিরের কমিটি গঠনে প্রতিবাদ সভা ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রবর্তকের আয়োজনে রবীন্দ্র নজরুল জন্মজয়ন্তী উদযাপিত চিকিৎসাসেবা শিকেয় তুলে স্বাস্থ্যকর্মীদের বিদায় সংবর্ধনা ও আনন্দ ভ্রমণ: চরম ভোগান্তিতে রোগীরা ধর্ষণ মামলা থেকে বাঁচতে জাল কাবিন তৈরি: ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষানবিশ আইনজীবী কারাগারে

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২ ৩৩২ বার পড়া হয়েছে

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমের অভিনয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতো। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরিফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া (৪৩)। আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মঈন উদ্দিন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরিফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার (১০ অক্টোবর) তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। এ সময় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যরা অভিযান চালান। পরে কৌশলে শরিফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ। পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, শরিফ চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইলফোন নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

নারী পুলিশের প্রেমের ফাঁদে আটক আসামি

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অক্টোবর ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক নারী পুলিশ সদস্যের প্রেমের অভিনয়ে অটোরিকশা ছিনতাই চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন। আজ মঙ্গলবার (১১ অক্টোবর) আদালতের মাধ্যমে আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। চক্রটি পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অজ্ঞান করে অটোরিকশা ছিনিয়ে নিতো। যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, জেলার বিজয়নগর উপজেলার ইব্রাহিমপুরের অহিদ হোসেনের ছেলে মাসুক মিয়া (৩৫), কেনা গ্রামের আবু লাল মোল্লার ছেলে কাশেম মোল্লা (৩১), একই এলাকার ইউসুফ আলীর ছেলে মো. শরিফ (২৪) ও বুধন্তীর শিশু মিয়ার ছেলে এরশাদ মিয়া (৪৩)। আখাউড়া থানা পুলিশ সূত্র জানায়, বিজয়নগর উপজেলার কচুয়ামোড়া গ্রামের ছালেকুজ্জামান নামের এক ব্যক্তির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা সম্প্রতি আখাউড়ার খড়মপুর এলাকা থেকে চুরি হয়। ছালেকুজ্জামানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে পানীয়ের সঙ্গে চেতনানাশক মিশিয়ে অটোরিকশাটি নিয়ে যায় ওই চক্র। এ ঘটনায় আখাউড়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেন তিনি। ঘটনা তদন্তের দায়িত্ব পান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মঈন উদ্দিন। তদন্ত কার্যক্রমের স্বার্থে আসামি শরিফের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এক নারী পুলিশ সদস্য। সোমবার (১০ অক্টোবর) তাকে খড়মপুর এলাকায় আসতে বলা হয়। এ সময় থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার, এসআই মাঈন উদ্দিনসহ অন্যরা অভিযান চালান। পরে কৌশলে শরিফ ও তার সঙ্গে থাকা এরশাদকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার ও দুটি চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার করে পুলিশ। পরিদর্শক (তদন্ত) সঞ্জয় সরকার জানান, শরিফ চালককে ফোন করে ভাড়ার কথা বলে নিয়ে যান। যে কারণে তার মোবাইলফোন নম্বর চালকের কাছ থেকে পাওয়া যায়। এরপর কৌশল অবলম্বন করে চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করা হয়।