ঢাকা ০২:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন: নবীনগরে ঠিকাদার প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে দাওয়া তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা। সরাইলে ড্রেজারের বালু ভরাটে জলাবদ্ধতার শঙ্কা, রক্ষায় এলাকাবাসীর আকুতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধভাবে খোলা তেল বিক্রি ভূইয়া ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা বিজয়নগরে বিরপাশা বাহারাম গোষ্ঠী প্রবাসী সংগঠনের অফিস উদ্বোধন। গৃহবধুকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ ফেলে পালালো অভিযুক্তরা বিপুল পরিমান ভারতীয় অবৈধ চোরাচালান মাদকদ্রব্য আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুকুরে মাটি খুঁড়তে গিয়ে মিলল মর্টার শেল

সরাইলে ওএমএস’র চাল বিক্রি শুরূ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ৩০০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুল: সরাইল থেকে:

সরাইলে খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ওএমএস’র চাল বিক্রি শুরূ হয়েছে। গতকাল ১ লা সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক মৃদুল আনুষ্ঠানিক ভাবে বিক্রির উদ্বোধন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর ও খাদ্য অধিদপ্তর জানায়, স্বল্প মূল্যে হাতের নাগালে চাল পাওয়ার জন্য সরকার অন্যান্য উপজেলার মত সরাইল সদরেও দু’জন ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন। সরাইল বিকাল বাজারে মো. মাহফুজ আলী ও কবুতর হাঁটে মো. মিলন মিয়া। প্রতিকেজি চালের মূল্য ৩০ টাকা। প্রত্যেক ক্রেতা প্রতিদিন একবার ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবেন। চাল ক্রয়ের সময় ক্রেতাকে তার জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। প্রত্যেক ডিলার দৈনিক ২ হাজার কেজি চাল পাবেন। সপ্তাহের রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার ৫ দিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলবে চাল বিক্রির কাজ। এক দিনে ২ হাজার কেজি বিক্রি না হলে পরের দিন অবশিষ্ঠ চালের সাথে মিলিয়ে ২ হাজার কেজি হিসাব করা হবে। একজন সরকারি কর্মকর্তা প্রত্যেক ডিলারের বিক্রয়ের কাজ সমগ্র দিন তদারকি করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে দু’জন ডিলারের বিক্রয় কাজের উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও খাদ্য ক্রয় কমিটির সভাপতি মো. আরিফুল হক মৃদুল। এ সময় উপসি’ত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুস ছালাম, পরিদর্শক জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা কাজী মো. আব্দুল মোমেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ইসমত আলী, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মো. মাহফুজ আলীও এস আই মো. আবু তাহের প্রমূখ। ইউএনও মো. আরিফুল হক মৃদুল বলেন, স্বল্প মূল্যে সহজলভ্য উপায়ে জনগণের হাতে চাল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষেই সরকার এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলে ওএমএস’র চাল বিক্রি শুরূ

আপডেট সময় : ০৫:২৩:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২২

মাহবুব খান বাবুল: সরাইল থেকে:

সরাইলে খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত ওএমএস’র চাল বিক্রি শুরূ হয়েছে। গতকাল ১ লা সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আরিফুল হক মৃদুল আনুষ্ঠানিক ভাবে বিক্রির উদ্বোধন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার দফতর ও খাদ্য অধিদপ্তর জানায়, স্বল্প মূল্যে হাতের নাগালে চাল পাওয়ার জন্য সরকার অন্যান্য উপজেলার মত সরাইল সদরেও দু’জন ডিলার নিয়োগ দিয়েছেন। সরাইল বিকাল বাজারে মো. মাহফুজ আলী ও কবুতর হাঁটে মো. মিলন মিয়া। প্রতিকেজি চালের মূল্য ৩০ টাকা। প্রত্যেক ক্রেতা প্রতিদিন একবার ৫ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবেন। চাল ক্রয়ের সময় ক্রেতাকে তার জাতীয় পরিচয়পত্র প্রদর্শন করতে হবে। প্রত্যেক ডিলার দৈনিক ২ হাজার কেজি চাল পাবেন। সপ্তাহের রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার ৫ দিন সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত চলবে চাল বিক্রির কাজ। এক দিনে ২ হাজার কেজি বিক্রি না হলে পরের দিন অবশিষ্ঠ চালের সাথে মিলিয়ে ২ হাজার কেজি হিসাব করা হবে। একজন সরকারি কর্মকর্তা প্রত্যেক ডিলারের বিক্রয়ের কাজ সমগ্র দিন তদারকি করবেন। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে দু’জন ডিলারের বিক্রয় কাজের উদ্বোধন করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও খাদ্য ক্রয় কমিটির সভাপতি মো. আরিফুল হক মৃদুল। এ সময় উপসি’ত ছিলেন উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুস ছালাম, পরিদর্শক জয়নাল আবেদিন ভূঁইয়া, উপজেলা দারিদ্র বিমোচন কর্মকর্তা কাজী মো. আব্দুল মোমেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার মো. ইসমত আলী, উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মো. মাহফুজ আলীও এস আই মো. আবু তাহের প্রমূখ। ইউএনও মো. আরিফুল হক মৃদুল বলেন, স্বল্প মূল্যে সহজলভ্য উপায়ে জনগণের হাতে চাল পৌঁছে দেওয়ার লক্ষেই সরকার এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন।