ঢাকা ০৩:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী? মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে নবীনগরে বৃক্ষরোপণ ও সচেতনতামূলক সমাবেশ ‘তারেক রহমানের নেতৃত্বে ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে বিদায় করেছি: এমপি শ্যামল ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাসপোর্ট অফিসে ‘চ্যানেল’ সিন্ডিকেট: হয়রানিতে সাধারণ গ্রাহক। শিক্ষাসেবার মানোন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত দু’বছর পর ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আয়োজন হচ্ছে নৌকাবাইচ সীমান্তে বিজিবির অভিযানে ২৫ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্য ও মাদক জব্দ ৬০ বিজিবির অভিযান: ৩০ লাখ টাকার ভারতীয় চোরাচালান পণ্য জব্দ এক কর্মকর্তা দুই পদে, মাঠপর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবায় ব্যাঘাতের অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘বিজ্ঞান ক্লাব টেকসইকরণ’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোক দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনে ছিল না কোনো শৃঙ্খলা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২ ৩৮০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধস্তাধস্তি আর ঠেলাধাক্কার পরিবেশে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন করেছেন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন। জাতীয় শোক দিবসে সোমবার চরম অব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। প্রশাসনের অনুষ্ঠানসূচিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শহরের কাচারীপুকুর পাড় এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ ও জাতির পিতার প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনপূবর্ক গার্ড অব অনার প্রদান করার কথা বলা হয়। কিন্তু সেখানে সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই ছিলো না। প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কর্মকর্তারা সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর শ্রদ্ধা নিবেদনে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।

কিন্তু শৃঙ্খলা মানানোর তৎপরতায় দেখা যায়নি কাউকে। এখানে সদর সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল সোয়া ৯ টায় নির্ধারিত এই কর্মসূচির আগে শহরের লোকনাথ ময়দান থেকে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার পর্যন্ত র‌্যালি হয়। র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন মুক্ত মঞ্চে ঢুকেন র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারী সবাই। এরপর শুরু হয় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের যুদ্ধ। ধস্তাধস্তি, ঠেলাঠেলা করে প্রতিকৃতির কাছে পৌছতে পারলেও ফুলের স্তবক রেখে ঠিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ মিলছিলো না কারো। এই পরিস্থিতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা নারীদেরও বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা জহির নামে একটি পেশাজীবী সংগঠনের নেতা জানান, খুব বাজে পরিবেশ। কোন শৃঙ্খলা নেই। ঘোষণা মঞ্চে দায়িত্বরত একজন জানান, প্রতিকৃতিতে রাখা ফুল গুছিয়ে রাখার জন্যে সেচ্ছাসেবী রয়েছে। কিন্তু তাদেরকেও দেখছি না। তবে জেলা প্রশাসনের একজন পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্কাউট সদস্যরা সেখানে এই কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শোক দিবসে শ্রদ্ধা নিবেদনে ছিল না কোনো শৃঙ্খলা

আপডেট সময় : ০৩:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ অগাস্ট ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ধস্তাধস্তি আর ঠেলাধাক্কার পরিবেশে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন করেছেন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সংগঠনের লোকজন। জাতীয় শোক দিবসে সোমবার চরম অব্যবস্থাপনায় জেলা প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। প্রশাসনের অনুষ্ঠানসূচিতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে শহরের কাচারীপুকুর পাড় এলাকায় বঙ্গবন্ধু স্কয়ারে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ ও জাতির পিতার প্রতি আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদনপূবর্ক গার্ড অব অনার প্রদান করার কথা বলা হয়। কিন্তু সেখানে সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই ছিলো না। প্রশাসনের তরফে আনুষ্ঠানিক শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে কর্মকর্তারা সেখান থেকে চলে যাওয়ার পর শ্রদ্ধা নিবেদনে বিশৃঙ্খলা শুরু হয়।

কিন্তু শৃঙ্খলা মানানোর তৎপরতায় দেখা যায়নি কাউকে। এখানে সদর সংসদ সদস্য র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীও শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সকাল সোয়া ৯ টায় নির্ধারিত এই কর্মসূচির আগে শহরের লোকনাথ ময়দান থেকে বঙ্গবন্ধু স্কয়ার পর্যন্ত র‌্যালি হয়। র‌্যালি শেষে বঙ্গবন্ধু স্কয়ারের জাতীয় বীর আবদুল কুদ্দুস মাখন মুক্ত মঞ্চে ঢুকেন র‌্যালিতে অংশগ্রহণকারী সবাই। এরপর শুরু হয় জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের যুদ্ধ। ধস্তাধস্তি, ঠেলাঠেলা করে প্রতিকৃতির কাছে পৌছতে পারলেও ফুলের স্তবক রেখে ঠিকভাবে শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ মিলছিলো না কারো। এই পরিস্থিতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা নারীদেরও বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। শ্রদ্ধা নিবেদনে আসা জহির নামে একটি পেশাজীবী সংগঠনের নেতা জানান, খুব বাজে পরিবেশ। কোন শৃঙ্খলা নেই। ঘোষণা মঞ্চে দায়িত্বরত একজন জানান, প্রতিকৃতিতে রাখা ফুল গুছিয়ে রাখার জন্যে সেচ্ছাসেবী রয়েছে। কিন্তু তাদেরকেও দেখছি না। তবে জেলা প্রশাসনের একজন পদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, স্কাউট সদস্যরা সেখানে এই কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।