ঢাকা ০৮:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কসবার তিন লাখ পীর এলাকায় ইপিজেড: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন যমুনা টিভির সাংবাদিক আল আমিনকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি ডিজিটাল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংবাদ প্রকাশে কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন: নবীনগরে ঠিকাদার প্রকৌশলীকে বাঁশ দিয়ে দাওয়া তিতাস পাড়ে অবস্থিত শ্মশান; ৪০ বছরেও উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। বিশ্ব পানি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে মানববন্ধন ও আলোচনা সভা। সরাইলে ড্রেজারের বালু ভরাটে জলাবদ্ধতার শঙ্কা, রক্ষায় এলাকাবাসীর আকুতি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বাংলাদেশ স্কাউটস দিবস উদযাপন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধভাবে খোলা তেল বিক্রি ভূইয়া ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা বিজয়নগরে বিরপাশা বাহারাম গোষ্ঠী প্রবাসী সংগঠনের অফিস উদ্বোধন। গৃহবধুকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ ফেলে পালালো অভিযুক্তরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হারিয়ে যাওয়া শিশু আব্দুল্লাহ অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরল

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:২৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হারিয়ে যাওয়া শিশু আব্দুল্লাহ অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরল

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড় এলাকায় হারিয়ে যাওয়া (আনুমানিক ৩ বছর বয়সী) শিশু আব্দুল্লাহ অবশেষে তার পরিবারের কাছে ফিরে গেছে। মানবিক উদ্যোগে উদ্ধার ও পরিচয় শনাক্তের পর সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া শিশুটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গাংগাতা গ্রামের বাসিন্দা মো. রায়হান মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রায়হান মিয়া তার গর্ভবতী স্ত্রী জান্নাতকে চিকিৎসার জন্য কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত গ্রীণভিউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে অসাবধানতাবশত শিশুটি হারিয়ে যায়। পরে তাকে ট্রমা জেনারেল হাসপাতালের সামনে অসহায় অবস্থায় পাওয়া যায়। সে সময় শিশুটি নিজের নাম-পরিচয় বলতে সক্ষম ছিল না। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর শিশুটিকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে রাখে এবং তার পরিচয় শনাক্তে উদ্যোগ নেয়। যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার রাত ৮টার দিকে আব্দুল্লাহকে পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন বলেন, “একটি শিশুর নিরাপত্তা ও তার পরিবারের কাছে দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। খবর পাওয়ার পরপরই আমরা শিশুটিকে নিরাপদে রাখি এবং তার পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করি। সঠিক যাচাই-বাছাই শেষে আমরা তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে পেরে স্বস্তি বোধ করছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কাজে আমাদের সংগঠন পাশে থাকবে।” শিশুটির বাবা রায়হান মিয়া আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। কোথায় খুঁজবো বুঝতে পারছিলাম না। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার কারণেই আমরা দ্রুত আমাদের সন্তানকে ফিরে পেয়েছি। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।” এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের মানবিক উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হারিয়ে যাওয়া শিশু আব্দুল্লাহ অবশেষে পরিবারের কাছে ফিরল

আপডেট সময় : ১০:২৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের কুমারশীল মোড় এলাকায় হারিয়ে যাওয়া (আনুমানিক ৩ বছর বয়সী) শিশু আব্দুল্লাহ অবশেষে তার পরিবারের কাছে ফিরে গেছে। মানবিক উদ্যোগে উদ্ধার ও পরিচয় শনাক্তের পর সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে শিশুটিকে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে উদ্ধার হওয়া শিশুটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার রামরাইল ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর গাংগাতা গ্রামের বাসিন্দা মো. রায়হান মিয়ার ছেলে আব্দুল্লাহ। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রায়হান মিয়া তার গর্ভবতী স্ত্রী জান্নাতকে চিকিৎসার জন্য কুমারশীল মোড়ে অবস্থিত গ্রীণভিউ হাসপাতালে নিয়ে গেলে অসাবধানতাবশত শিশুটি হারিয়ে যায়। পরে তাকে ট্রমা জেনারেল হাসপাতালের সামনে অসহায় অবস্থায় পাওয়া যায়। সে সময় শিশুটি নিজের নাম-পরিচয় বলতে সক্ষম ছিল না। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর শিশুটিকে নিজেদের তত্ত্বাবধানে নিরাপদে রাখে এবং তার পরিচয় শনাক্তে উদ্যোগ নেয়। যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে সোমবার রাত ৮টার দিকে আব্দুল্লাহকে পরিবারের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. আজহার উদ্দিন বলেন, “একটি শিশুর নিরাপত্তা ও তার পরিবারের কাছে দ্রুত ফিরিয়ে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। খবর পাওয়ার পরপরই আমরা শিশুটিকে নিরাপদে রাখি এবং তার পরিচয় শনাক্তে কাজ শুরু করি। সঠিক যাচাই-বাছাই শেষে আমরা তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করতে পেরে স্বস্তি বোধ করছি। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কাজে আমাদের সংগঠন পাশে থাকবে।” শিশুটির বাবা রায়হান মিয়া আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমরা দিশেহারা হয়ে পড়েছিলাম। কোথায় খুঁজবো বুঝতে পারছিলাম না। ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার কারণেই আমরা দ্রুত আমাদের সন্তানকে ফিরে পেয়েছি। আমরা তাদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই।” এ ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরে এসেছে। স্থানীয়রা ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের মানবিক উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।