ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া ১৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক জাতীয় প্রশিক্ষণ কি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে? জবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে দিমন-সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৮ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসব শুরু বিদ্রোহীর হুংকারে শামীমা হতে পারে সরাইল বিএনপির অন্ধের যষ্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ১৬৬ বোতল ইসকফ সিরাপসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১টি অ্যাম্বুলেন্স থেকে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত-২০; আটক-৪

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২ ৫৮৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। অনেকেই এই ঘটনাকে নির্বাচনী বিরোধের জেরও বলছেন। গুরূতর আহত দুইজনকে পাঠানো হয়েছে ঢাকায়। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের বিশুতারা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসলে পুলিশ ৪ ব্যক্তিকে আটক করেছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামবাসী সূত্র জানায়, আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশুতারা বাজারে চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মাছ বিক্রেতা খুরশিদ মিয়ার (৪০) কাছ থেকে মাছ ক্রয় করেন ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেবের আত্মীয় মজনু মিয়া (৫৫)। টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার সময় ডাক দেন মাছ বিক্রেতা। এতে ক্ষুদ্ধ হন মজনু মিয়া খুরশিদকে ২টি থাপ্পর মারেন। এ ঘটনায় মাছ বিক্রেতার পক্ষ হয়ে প্রতিবাদ করেন সাবেক ইউপি সদস্য ফজল মিয়ার ভাতিজা কবুল মিয়া (৪২)। পরে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তারা দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষে নারী পুরূষ সরাইল থানার এস আই মো. জসিম মিয়া সহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গুরূতর আহত আবন মিয়া (৫৫) ও রূবেলকে (১৮) ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়ে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা মিন্টু মিয়া (৩০), জব্বার মিয়া (৪০), শফিক মিয়া (৪৫) ও ইনসান আলী (৩৭) কে আটক করেছে পুলিশ। অপর আহতরা হলেন- আছমা বেগম (৩০), নরসু মিয়া (৩০), জুম্মান মিয়া (২২), আবু তালেব (৫৫), ইকতার (২২), হানিফ মিয়া (৫৭) ও রাজিব (১৯)। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আশপাশের প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশি গ্রেপ্তারের ভয়ে গোটা গ্রাম এখন পুরূষ শুন্য হয়ে পড়েছে। প্রসঙ্গত: ফজল মিয়া গত নির্বাচনে আবু তালেবের প্রতিদ্বন্ধি বর্তমান ইউপি সদস্য আমজাদ আলীর পক্ষে নির্বাচন করেছেন। আমজাদ আলী বিজয়ী হয়েছেন। এরপর থেকে বিশুতারা গ্রামে দুটি গ্রূপে বিভক্ত হয়ে একে অপরের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আছেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, নির্বাচনী বিরোধের ঝাল মিঠানোর জন্যই সামান্য ঘটনায় এতবড় সংঘর্ষ। সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শেহাবুর রহমান, সেখানে সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। বর্তমানে ওই গ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত-২০; আটক-৪

আপডেট সময় : ০৯:৫৯:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২

তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে দু’দল গ্রামবাসীর সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে। অনেকেই এই ঘটনাকে নির্বাচনী বিরোধের জেরও বলছেন। গুরূতর আহত দুইজনকে পাঠানো হয়েছে ঢাকায়। আজ মঙ্গলবার সকালে উপজেলার কালীকচ্ছ ইউনিয়নের বিশুতারা গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসা নিতে হাসপাতালে আসলে পুলিশ ৪ ব্যক্তিকে আটক করেছে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী গ্রামবাসী সূত্র জানায়, আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বিশুতারা বাজারে চুন্টা ইউনিয়নের রসুলপুর গ্রামের মাছ বিক্রেতা খুরশিদ মিয়ার (৪০) কাছ থেকে মাছ ক্রয় করেন ৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক ইউপি সদস্য আবু তালেবের আত্মীয় মজনু মিয়া (৫৫)। টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার সময় ডাক দেন মাছ বিক্রেতা। এতে ক্ষুদ্ধ হন মজনু মিয়া খুরশিদকে ২টি থাপ্পর মারেন। এ ঘটনায় মাছ বিক্রেতার পক্ষ হয়ে প্রতিবাদ করেন সাবেক ইউপি সদস্য ফজল মিয়ার ভাতিজা কবুল মিয়া (৪২)। পরে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে তারা দু’জনের মধ্যে হাতাহাতি হয়। খবর ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘন্টা ব্যাপি সংঘর্ষে নারী পুরূষ সরাইল থানার এস আই মো. জসিম মিয়া সহ উভয় পক্ষের অন্তত ২০ ব্যক্তি আহত হয়েছেন। গুরূতর আহত আবন মিয়া (৫৫) ও রূবেলকে (১৮) ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষে আহত হয়ে সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা মিন্টু মিয়া (৩০), জব্বার মিয়া (৪০), শফিক মিয়া (৪৫) ও ইনসান আলী (৩৭) কে আটক করেছে পুলিশ। অপর আহতরা হলেন- আছমা বেগম (৩০), নরসু মিয়া (৩০), জুম্মান মিয়া (২২), আবু তালেব (৫৫), ইকতার (২২), হানিফ মিয়া (৫৭) ও রাজিব (১৯)। আহতরা সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও আশপাশের প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন। পুলিশি গ্রেপ্তারের ভয়ে গোটা গ্রাম এখন পুরূষ শুন্য হয়ে পড়েছে। প্রসঙ্গত: ফজল মিয়া গত নির্বাচনে আবু তালেবের প্রতিদ্বন্ধি বর্তমান ইউপি সদস্য আমজাদ আলীর পক্ষে নির্বাচন করেছেন। আমজাদ আলী বিজয়ী হয়েছেন। এরপর থেকে বিশুতারা গ্রামে দুটি গ্রূপে বিভক্ত হয়ে একে অপরের উপর ক্ষুদ্ধ হয়ে আছেন। স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি বলেন, নির্বাচনী বিরোধের ঝাল মিঠানোর জন্যই সামান্য ঘটনায় এতবড় সংঘর্ষ। সরাইল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. শেহাবুর রহমান, সেখানে সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়েছে। বর্তমানে ওই গ্রামের পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে।

মাহবুব খান বাবুল