ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি থেকে নবীনগরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান-মেয়রসহ বহিষ্কার ৮ বিজয়নগরে কায়রা বিল থেকে অজ্ঞাত নারীর পঁচা-গলিত লাশ উদ্ধার দুদকের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ নবীনগরে ১১ দলের মনোনিত প্রার্থী রিকশা প্রতিকের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে প্রথম সারির প্রতিরক্ষা বাহিনীর দায়িত্ব পালন করবেন – অতিরিক্ত মহাপরিচালক নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই জিওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিদর্শন জামায়াত আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল-চরমোনাই পীর নবীনগরে বিএনপির অফিস আগুনে পুড়া নিয়ে উত্তেজনা বিজয়নগরে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা: স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকঞ্জি
  • আপডেট সময় : ০৭:১৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬ ১২২ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা: স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান। বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দেন। এ সময় ভিডিওতে তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে তিনি ২০ বছরেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পতাকাতলে ছিলেন। সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে দাখিলকৃত প্রার্থীতা তিনি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে সকলের পাশে থাকতে দোয়া চান। এর আগে গত ২ জানুয়ারী যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

প্রসঙ্গত, একসময় সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বোটক্লাবে তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর উপস্থিতিতে, এক অনুষ্ঠানে তার আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘোষণা দেয়া হয়। তবে সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান এর দাবী তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে ৭ টি মামলা হয়, যেগুলো এখনো চলমান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা: স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান

আপডেট সময় : ০৭:১৭:০৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ জানুয়ারী ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসন থেকে প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান। বৃহস্পতিবার এক ভিডিও বার্তায় তিনি এই ঘোষণা দেন। এ সময় ভিডিওতে তিনি বলেন, ২০০৪ সাল থেকে তিনি ২০ বছরেরও বেশী সময় ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির পতাকাতলে ছিলেন। সাবেক ৩ বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্ধিতা করতে দাখিলকৃত প্রার্থীতা তিনি প্রত্যাহার করার ঘোষণা দেন। এ সময় তিনি যেকোনো পরিস্থিতিতে সকলের পাশে থাকতে দোয়া চান। এর আগে গত ২ জানুয়ারী যাচাই-বাছাই শেষে তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক শারমিন আক্তার জাহান।

প্রসঙ্গত, একসময় সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় তাকে বিএনপি থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন। ২০২৪ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বোটক্লাবে তৎকালীন গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরীর উপস্থিতিতে, এক অনুষ্ঠানে তার আওয়ামী লীগে যোগদানের ঘোষণা দেয়া হয়। তবে সৈয়দ এ,কে একরামুজ্জামান এর দাবী তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয়ে পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন। গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তার বিরুদ্ধে ৭ টি মামলা হয়, যেগুলো এখনো চলমান।