ঢাকা ০১:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শিক্ষার্থীদের পতাকা মিছিল সাবেক প্রতিমন্ত্রী মৃত্যুতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের শোক সরাইলে ইউপি সদস্য গ্রেপ্তার বিতর্কিত মামলায় ছাত্র দল নেতা গ্রেফতার; ওসির অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন বিজয়নগরে গৃহবধূকে ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় সাবেক ছাত্রদল নেতা মিলন গ্রেপ্তার নারীদের ভূমি অধিকার ও আইনি সচেতনতা বৃদ্ধি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত সাইফুল ইসলাম রিপন স্মারকগ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন কৃষি ও ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত। চাঁদা দাবি ও বাসে আগুন দেওয়ার হুমকিতে ৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৯:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬ ৩৩ বার পড়া হয়েছে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

কিশোরীদের মাসিককালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু করা হয়েছে একটি ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। উন্নত বিশ্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আদলে নেওয়া এ উদ্যোগের মাধ্যমে জরুরি সময়ে বিদ্যালয় থেকেই সহজে ও নিরাপদভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংগ্রহ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের একটি ভবনের ভেতরে স্থাপিত ভেন্ডিং মেশিনটির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া। জানা গেছে, মেশিনটিতে ১০ টাকা প্রবেশ করিয়ে এন্টার বাটনে চাপ দিলেই একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন বের হয়ে আসবে। ফলে হঠাৎ মাসিক শুরু হলে শিক্ষার্থীদের আর ক্লাস ছেড়ে বাড়ি যেতে বা বাইরে দোকান থেকে ন্যাপকিন কিনতে হবে না। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি জয়দুল হক, সনাক সদস্য মো. আরজু, টিআইবির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর আব্দুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া বলেন, “কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশগুলোর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ব্যবস্থা রয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের এমন ব্যবস্থা চালু হবে বলে আশা করি।” বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং মাসিককালীন সময়ে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে সহায়তা করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়া মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু হলো ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন

আপডেট সময় : ০৯:২৪:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কিশোরীদের মাসিককালীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া গভর্নমেন্ট মডেল গার্লস হাই স্কুলে চালু করা হয়েছে একটি ডিজিটাল স্যানিটারি ন্যাপকিন ভেন্ডিং মেশিন। উন্নত বিশ্বের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আদলে নেওয়া এ উদ্যোগের মাধ্যমে জরুরি সময়ে বিদ্যালয় থেকেই সহজে ও নিরাপদভাবে স্যানিটারি ন্যাপকিন সংগ্রহ করতে পারবে শিক্ষার্থীরা। সোমবার দুপুরে বিদ্যালয়ের একটি ভবনের ভেতরে স্থাপিত ভেন্ডিং মেশিনটির উদ্বোধন করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া। জানা গেছে, মেশিনটিতে ১০ টাকা প্রবেশ করিয়ে এন্টার বাটনে চাপ দিলেই একটি স্যানিটারি ন্যাপকিন বের হয়ে আসবে। ফলে হঠাৎ মাসিক শুরু হলে শিক্ষার্থীদের আর ক্লাস ছেড়ে বাড়ি যেতে বা বাইরে দোকান থেকে ন্যাপকিন কিনতে হবে না। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল লতিফ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সচেতন নাগরিক কমিটির সভাপতি জয়দুল হক, সনাক সদস্য মো. আরজু, টিআইবির এরিয়া কো-অর্ডিনেটর আব্দুর রহমানসহ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। ইউএনও সিফাত মোহাম্মদ ইশতিয়াক ভূঁইয়া বলেন, “কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উন্নত দেশগুলোর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন ব্যবস্থা রয়েছে। ভবিষ্যতে দেশের প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ন্যাপকিন সরবরাহের এমন ব্যবস্থা চালু হবে বলে আশা করি।” বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এটি শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করবে এবং মাসিককালীন সময়ে স্বাভাবিকভাবে পাঠদান কার্যক্রমে অংশ নিতে সহায়তা করবে।