ঢাকা ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ও পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে জেলা পরিষদ ও সনাকের মতবিনিময় সভা সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত জেলা পরিষদ প্রশাসককে নোঙর বাংলাদেশের ফুলেল শুভেচ্ছা তরী বাংলাদেশের সবুজ অভিযাত্রা: শিক্ষার্থীদের মাঝে চারা বিতরণ নোঙর বাংলাদেশের কার্যক্রমকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান এমপি শ্যামলের চেক জালিয়াতি মামলায় ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ”লাউ গেল, কদু এল– বদলালো কী?

সরাইলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩ ৩৫৫ বার পড়া হয়েছে

সরাইলে পানিতে ডুবে মারা যাওয়া শিশু আনাস

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আনাস নামের ৬ বছর বয়সের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার সরাইল সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা গ্রামে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে। সর্বদা হাসিখুশিতে থাকা ফুটফুটে পুতুলের মত শিশু সন্তানটির আকস্মিক অনাকাঙ্খিত মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না পিতা মাতা। স্বজন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে বাটারবন খাওয়ার জন্য বাবা মুছা মিয়ার কাছে বায়না ধরে আনাস। ছেলের আবদারে সাড়া দিয়ে ১০ টাকা দেন বাবা। বাড়ির পাশের দোকান থেকে বাটারবন ক্রয় করে পুকুর পাড়ে বসেই খাচ্ছিল আনাস। সময়টা ঠিক দুপুর হওয়ায় লোক সমাগমও কম ছিল। শিশু আনাস হঠাৎ কিভাবে যেন পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানায় মূহুর্তের মধ্যে পানিতে ডুবে আনাস খাবুডুবু খেতে থাকে। কিছুটা দূর থেকে ঘটনাটি দেখতে পেয়ে কয়েকজন প্রতিবেশী দৌঁড়ে এসে লাফিয়ে পড়ে আনাসকে পানি থেকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে পরপারে পাড়ি জমিয়ে ফেলেছে শিশু আনাস। দ্রূত সরাইল উপজেলা কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আনাসকে মৃত ঘোষণা করেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে সন্তানের নির্মম মৃত্যুটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পিতা মুছা মিয়া। শিশু সন্তানের মৃত্যুর সংবাদে সংঘা হারিয়ে ফেলছেন আনাসের মা। পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠছে আনাসদের বাড়ির পরিবেশ। শিশু আনাসের আকস্মিক মূত্যুতে গোটা গ্রাম জুড়ে চলছে শোকের মাতম। সরাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার বলেন, পানিতে ডুবে শিশু আনাসের মৃত্যুর সংবাদ শুনেছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির হাস্যজ্জ্বোল ছবিটি দেখে খুবই ব্যাথিত হয়েছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলে পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৮:৩৯:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জুন ২০২৩

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বাড়ির পাশের পুকুরে ডুবে আনাস নামের ৬ বছর বয়সের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে উপজেলার সরাইল সদর ইউনিয়নের সৈয়দটুলা গ্রামে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে। সর্বদা হাসিখুশিতে থাকা ফুটফুটে পুতুলের মত শিশু সন্তানটির আকস্মিক অনাকাঙ্খিত মৃত্যু কোন ভাবেই মেনে নিতে পারছেন না পিতা মাতা। স্বজন ও স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে বাটারবন খাওয়ার জন্য বাবা মুছা মিয়ার কাছে বায়না ধরে আনাস। ছেলের আবদারে সাড়া দিয়ে ১০ টাকা দেন বাবা। বাড়ির পাশের দোকান থেকে বাটারবন ক্রয় করে পুকুর পাড়ে বসেই খাচ্ছিল আনাস। সময়টা ঠিক দুপুর হওয়ায় লোক সমাগমও কম ছিল। শিশু আনাস হঠাৎ কিভাবে যেন পাশের পুকুরের পানিতে পড়ে যায়। সাঁতার না জানায় মূহুর্তের মধ্যে পানিতে ডুবে আনাস খাবুডুবু খেতে থাকে। কিছুটা দূর থেকে ঘটনাটি দেখতে পেয়ে কয়েকজন প্রতিবেশী দৌঁড়ে এসে লাফিয়ে পড়ে আনাসকে পানি থেকে উদ্ধার করেন। ততক্ষণে পরপারে পাড়ি জমিয়ে ফেলেছে শিশু আনাস। দ্রূত সরাইল উপজেলা কমপ্লেক্সে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আনাসকে মৃত ঘোষণা করেন। এত অল্প সময়ের মধ্যে সন্তানের নির্মম মৃত্যুটা কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না পিতা মুছা মিয়া। শিশু সন্তানের মৃত্যুর সংবাদে সংঘা হারিয়ে ফেলছেন আনাসের মা। পরিবার ও স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠছে আনাসদের বাড়ির পরিবেশ। শিশু আনাসের আকস্মিক মূত্যুতে গোটা গ্রাম জুড়ে চলছে শোকের মাতম। সরাইল সদর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার বলেন, পানিতে ডুবে শিশু আনাসের মৃত্যুর সংবাদ শুনেছি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শিশুটির হাস্যজ্জ্বোল ছবিটি দেখে খুবই ব্যাথিত হয়েছি।