ঢাকা ১১:০০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন চাঞ্চল্যকর মামলায় অভিযুক্তকারীকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার নবীনগরে সন্ধানী চক্ষুদান সমিতির সহযোগিতায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা প্রদান কৃষকের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘মার্কেট অ্যাক্টরস বিজনেস স্কুল’ গঠন নিখোঁজের দুইদিন পর মিলল শিশু শিক্ষার্থীর বস্তাবন্দী লাশ সাঁতার জানত দুই খেলার সাথী, হাঁটু সমান পানিতে মিলল লাশ সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে বৈশাখী উৎসব এর তৃতীয় দিনের আয়োজন অনুষ্ঠান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বৈশাখী উৎসবে বজলুর রহমান পাঠাগারের আবৃত্তি পরিবেশন নবীনগররে ভূমি অফিসে তিন সাংবাদিককে অফিসের ভেতরে ‘তালাবদ্ধ’ করে আটক রাখার অভিযোগ কসবার তিন লাখ পীর এলাকায় ইপিজেড: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন যমুনা টিভির সাংবাদিক আল আমিনকে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি

রাতের সরাইলে শীতের দাপট শীতার্তদের পাশে বিভিন্ন সংগঠন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩ ২৯০ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

শৈত্য প্রবাহের দখল কাটিয়ে ওঠতে না ওঠতে সরাইলে শীত আবারও ঝেঁকে বসেছে। গত ৪-৫ দিন ধরে রাতের সরাইলে নিয়মিত বেড়েই চলেছে শীতের দাপট। সকাল ৮টার আগে দেখা মিলে না সূর্যের। বিকাল ৪টা পর্যন্ত হালকা রোদের দেখা মিললেও তাপ মিলে না। তাই বাড়ছে রোগ ব্যাধি। স্বল্প আয়ের লোকজন গরম কাপড়ের অভাবে কিছুটা কষ্টে আছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন সরকারী দফতর, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবীসহ স্থানীয় কিছু এনজিও। পদ্ধতি পরিবর্তন করে অসহায়দের খুঁজে বের করে বাড়িতে শীত বস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছেন সরাইল প্রেসক্লাব। সরজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি শেষ হওয়া ৫ দিনের ঘন কূঁয়াশা ও শৈত্য প্রবাহের ফলে সরাইলের জনজীবন অচল হয়ে পড়েছিল। একাধারে ৫ দিন রোদের দেখা মিলেনি। ধান শুকাতে হিমশিম খেতে হয়েছে ৯ উপজেলার কৃষকদের। সেই শৈত্য প্রবাহের দাপট শেষ হতে না হতেই আবার শুরূ হয়েছে হাড় কাঁপানো শীত। ফের গত ৩-৪ দিন ধরে নিয়মিত আছরের পর থেকে বাড়তে থাকে শীতের দাপট। কোন কোন দিন সন্ধ্যার পর তাপমাত্রা নেমে যায় ১৩ ডিগ্রীর নীচে। রাত ৯টার পর ১১/১২ ডিগ্রীও হচ্ছে। ফলে লাফিয়ে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ ব্যাধি। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। কিন্ডার গার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজে পূর্বের তুলনায় শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কিছুটা কমে গেছে। রাত ৮টার পরই ফাঁকা হতে থাকে হাট বাজার ও সড়ক। অত্যন্ত কষ্টে ঠান্ডার সাথে লড়াই করে ইরি বোরো ধানের ছারা গাছ রোপন করছে শ্রমিকরা। মূল্য বেড়ে গেছে শীত বস্ত্রেরও। কিছুটা দূর্ভোগে পড়েছে গরীব অসহায় নারী পুরূষ ও শিশুরা। তবে সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠন শীত বস্ত্র নিয়ে শীতার্ত মানুষের দাঁড়িয়েছেন। ভূমিকা রেখেছেন উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেড় শতাধিক দরিদ্র ও প্রতিবন্ধীদের খুঁজে বের করে কম্বল বিতরণ করছেন ঐতিহ্যবাহী সংগঠন সরাইল প্রেসক্লাব। শতাধিক গরীব লোককে কম্বল প্রদান করেছেন স্থানীয় ‘বন্ধু সংগঠন’ নামের একটি সামাজিক সংস্থা। সহায়তার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসছেন বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও এনজিও। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সরাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরাইলে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পক্ষ থেকে ৪ সহস্রাধিক দরিদ্র অসহায় নারী পুরূষকে কম্বল প্রদান করেছি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

রাতের সরাইলে শীতের দাপট শীতার্তদের পাশে বিভিন্ন সংগঠন

আপডেট সময় : ০১:৪৯:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৩

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

শৈত্য প্রবাহের দখল কাটিয়ে ওঠতে না ওঠতে সরাইলে শীত আবারও ঝেঁকে বসেছে। গত ৪-৫ দিন ধরে রাতের সরাইলে নিয়মিত বেড়েই চলেছে শীতের দাপট। সকাল ৮টার আগে দেখা মিলে না সূর্যের। বিকাল ৪টা পর্যন্ত হালকা রোদের দেখা মিললেও তাপ মিলে না। তাই বাড়ছে রোগ ব্যাধি। স্বল্প আয়ের লোকজন গরম কাপড়ের অভাবে কিছুটা কষ্টে আছেন। তাদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন সরকারী দফতর, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক সংগঠন, স্বেচ্ছাসেবীসহ স্থানীয় কিছু এনজিও। পদ্ধতি পরিবর্তন করে অসহায়দের খুঁজে বের করে বাড়িতে শীত বস্ত্র পৌঁছে দিচ্ছেন সরাইল প্রেসক্লাব। সরজমিন অনুসন্ধানে জানা যায়, সম্প্রতি শেষ হওয়া ৫ দিনের ঘন কূঁয়াশা ও শৈত্য প্রবাহের ফলে সরাইলের জনজীবন অচল হয়ে পড়েছিল। একাধারে ৫ দিন রোদের দেখা মিলেনি। ধান শুকাতে হিমশিম খেতে হয়েছে ৯ উপজেলার কৃষকদের। সেই শৈত্য প্রবাহের দাপট শেষ হতে না হতেই আবার শুরূ হয়েছে হাড় কাঁপানো শীত। ফের গত ৩-৪ দিন ধরে নিয়মিত আছরের পর থেকে বাড়তে থাকে শীতের দাপট। কোন কোন দিন সন্ধ্যার পর তাপমাত্রা নেমে যায় ১৩ ডিগ্রীর নীচে। রাত ৯টার পর ১১/১২ ডিগ্রীও হচ্ছে। ফলে লাফিয়ে বাড়ছে ঠান্ডা জনিত রোগ ব্যাধি। বেশি আক্রান্ত হচ্ছে শিশুরা। কিন্ডার গার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও কলেজে পূর্বের তুলনায় শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কিছুটা কমে গেছে। রাত ৮টার পরই ফাঁকা হতে থাকে হাট বাজার ও সড়ক। অত্যন্ত কষ্টে ঠান্ডার সাথে লড়াই করে ইরি বোরো ধানের ছারা গাছ রোপন করছে শ্রমিকরা। মূল্য বেড়ে গেছে শীত বস্ত্রেরও। কিছুটা দূর্ভোগে পড়েছে গরীব অসহায় নারী পুরূষ ও শিশুরা। তবে সরকারী কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও বিভিন্ন সংগঠন শীত বস্ত্র নিয়ে শীতার্ত মানুষের দাঁড়িয়েছেন। ভূমিকা রেখেছেন উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেড় শতাধিক দরিদ্র ও প্রতিবন্ধীদের খুঁজে বের করে কম্বল বিতরণ করছেন ঐতিহ্যবাহী সংগঠন সরাইল প্রেসক্লাব। শতাধিক গরীব লোককে কম্বল প্রদান করেছেন স্থানীয় ‘বন্ধু সংগঠন’ নামের একটি সামাজিক সংস্থা। সহায়তার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে আসছেন বেশ কয়েকটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও এনজিও। অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সরাইল উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম সরাইলে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, আমরা উপজেলা প্রশাসন ও পরিষদের পক্ষ থেকে ৪ সহস্রাধিক দরিদ্র অসহায় নারী পুরূষকে কম্বল প্রদান করেছি।