ঢাকা ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বিএনপি থেকে নবীনগরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান-মেয়রসহ বহিষ্কার ৮ বিজয়নগরে কায়রা বিল থেকে অজ্ঞাত নারীর পঁচা-গলিত লাশ উদ্ধার দুদকের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের নিয়ে দুর্নীতিবিরোধী বিতর্ক প্রতিযোগিতা অপরাধমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ নবীনগরে ১১ দলের মনোনিত প্রার্থী রিকশা প্রতিকের নির্বাচনী সভা অনুষ্ঠিত আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা ভোটকেন্দ্রে প্রথম সারির প্রতিরক্ষা বাহিনীর দায়িত্ব পালন করবেন – অতিরিক্ত মহাপরিচালক নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা প্রস্তুতি পর্যালোচনার অংশ হিসেবেই জিওসি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিদর্শন জামায়াত আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল-চরমোনাই পীর নবীনগরে বিএনপির অফিস আগুনে পুড়া নিয়ে উত্তেজনা বিজয়নগরে ৫০ কেজি গাঁজাসহ ১ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার

বাঞ্ছারামপুরে স্ট্রোকে হত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩ ৫৯৭ বার পড়া হয়েছে

স্ট্রোকে হত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকন্ঞ্জিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় আইয়ূবপুর ইউনিয়নে বাঁশগাড়ি গ্রামে স্ট্রোকের মৃত্যুকে হত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্টাম্পে স্বাক্ষর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের ভয়ভীতি দেখিয়ে স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ শিপন মিয়া, মোতালেম,মোহন, হোসেন মিয়া,আবু তাহের, ডালিম মিয়া সহ তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনিবার (১২ মে) রাত ৯ টা সময় স্ট্রোকে মারা যায় ইব্রাহীম মিয়া ছেলে সমান্তর মিয়া (৩৫) পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের কে হত্যা চেষ্টা বলে চালিয়ে দিতে চায়। এই ভয়ে এখন ঘরবাড়ি ছাড়া কামাল উদ্দিন, আলাউদ্দীন,তারা মিয়া,আল আমিন, সাফিয়া, ঝরনা বেগম, পাখি বেগম, হাসিনা খাতুন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সমান্তর মিয়া গত শনিবার রাতে স্ট্রোক করে মারা যায়। এই ঘটনা ভিন্ন ক্ষেত্রে প্রবাহিত করতে হত্যার অভিযোগ উঠানো হচ্ছে।

ভয়ে ঘর ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবার গুলো জানান, আমাদের ভাইয়ে ভাইয়ে কথা কাটাকাটি চলছে এমন সময় সমান্তর মিয়া আমাদের বাড়ির সামনে এসে জোরে চিল্লাচিল্লি করে। তখন তার ঘরে দরজার সামনে স্ট্রোক করে মারা যায়। এ সময় তার স্ত্রী ও সাথে ছিল। আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে আমরা এই ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করি।এখন ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমাদের বাড়িঘর দখল করার জন্য প্রতিপক্ষ চেষ্টা করছে।

পাখি আক্তার বলেন, জোর করে আমার কাছে থেকে শিপনের দলবল স্বাক্ষর নিয়েছে। এদিকে স্ট্রোকে মারা যাওয়া সমান্তর মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে আকাশ জানান, আমার বাবা স্ট্রোক করে মারা গেছে।প্রতিপক্ষ শিপন মিয়া সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি।

বাঞ্ছারাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)নুরে আলম জানান,বিষয়টি হত্যা নাকি স্ট্রোক জনিত কারন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে বলা যাবে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বাঞ্ছারামপুরে স্ট্রোকে হত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০২:২৫:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ মে ২০২৩

মোঃনিয়ামুল ইসলাম আকন্ঞ্জিঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় আইয়ূবপুর ইউনিয়নে বাঁশগাড়ি গ্রামে স্ট্রোকের মৃত্যুকে হত্যা বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে স্টাম্পে স্বাক্ষর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশের ভয়ভীতি দেখিয়ে স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষ শিপন মিয়া, মোতালেম,মোহন, হোসেন মিয়া,আবু তাহের, ডালিম মিয়া সহ তাঁর লোকজনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শনিবার (১২ মে) রাত ৯ টা সময় স্ট্রোকে মারা যায় ইব্রাহীম মিয়া ছেলে সমান্তর মিয়া (৩৫) পূর্ব শত্রুতার জের ধরে তাদের কে হত্যা চেষ্টা বলে চালিয়ে দিতে চায়। এই ভয়ে এখন ঘরবাড়ি ছাড়া কামাল উদ্দিন, আলাউদ্দীন,তারা মিয়া,আল আমিন, সাফিয়া, ঝরনা বেগম, পাখি বেগম, হাসিনা খাতুন। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, সমান্তর মিয়া গত শনিবার রাতে স্ট্রোক করে মারা যায়। এই ঘটনা ভিন্ন ক্ষেত্রে প্রবাহিত করতে হত্যার অভিযোগ উঠানো হচ্ছে।

ভয়ে ঘর ছাড়া ভুক্তভোগী পরিবার গুলো জানান, আমাদের ভাইয়ে ভাইয়ে কথা কাটাকাটি চলছে এমন সময় সমান্তর মিয়া আমাদের বাড়ির সামনে এসে জোরে চিল্লাচিল্লি করে। তখন তার ঘরে দরজার সামনে স্ট্রোক করে মারা যায়। এ সময় তার স্ত্রী ও সাথে ছিল। আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে আমরা এই ঘটনার সঠিক বিচার দাবি করি।এখন ভয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। আমাদের বাড়িঘর দখল করার জন্য প্রতিপক্ষ চেষ্টা করছে।

পাখি আক্তার বলেন, জোর করে আমার কাছে থেকে শিপনের দলবল স্বাক্ষর নিয়েছে। এদিকে স্ট্রোকে মারা যাওয়া সমান্তর মিয়ার দ্বিতীয় ছেলে আকাশ জানান, আমার বাবা স্ট্রোক করে মারা গেছে।প্রতিপক্ষ শিপন মিয়া সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায় নি।

বাঞ্ছারাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)নুরে আলম জানান,বিষয়টি হত্যা নাকি স্ট্রোক জনিত কারন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরে বলা যাবে। এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।