গৃহবধুকে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ, লাশ ফেলে পালালো অভিযুক্তরা
- আপডেট সময় : ০৭:৫৭:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ১৬ বার পড়া হয়েছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের লাউর ফতেহপুর ইউনিয়নের লাউর ফতেহপুর গ্রামের ১নং ওয়ার্ডের শিশু মিয়ার ছেলে মো. তানভীর আহমেদ (২৩) এর বিরুদ্ধে স্ত্রী নাহিদা আক্তার (২১)কে মারধুর করে ফাঁসিতে ঝুঁলিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে নিহত নাহিদা আক্তারের শ্বশুর বাড়িতে আনা হলেও লাশ গ্রহন না করে উল্টো মো. নাহিদ আহমেদ ও তার পরিবারের লোকজন পালিয়ে গেছে বলে জানা যায়।
স্থানীয়দের কাছ থেকে জানা যায়, একই গ্রামের মো. তানভীর আহমেদ প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন মো. খলিল মিয়ার মেয়ে নিহত নাহিদা আক্তারকে। বর্তমানে তাদের একটি ৫ বছরের পুত্র সন্তানও রয়েছে। বিয়ের পর সম্প্রতি প্রবাস ফেরত তানভীরের সাথে নিহত নাহিদার ঝগড়া আর সাংসারিক মনোমালিন্য হলে নাহিদা বাপের বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন।
আরো জানা যায়, গত রবিবার (২৯ মার্চ ) নিহত নাহিদা আক্তারের স্বামী তানভীর আহমেদ শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে জোরপূর্বক নাহিদা ও তাদের একমাত্র সন্তানকে নিজের বাড়িতে নিয়ে এসেছিলো। সেই দিন রাতে নিহত নাহিদা আক্তারের ঝুঁলন্ত লাশ নবীনগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার করে। পরে নিহত নাহিদা আক্তারের মা মিনুয়ারা বেগম বাদী হয়ে গত সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তিনজনকে আসামি করে নবীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতারের খবর পাওয়া যায়নি।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, নিহত নাহিদার মা বাদী হয়ে তিনজন আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। লাশ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে দ্রুততার সাথে তদন্ত ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।র মাধবপুর উপজেলায় সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা সর্বোত্তকভাবে অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়।




















