ঢাকা ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
শিক্ষা, গবেষণা, রাজনীতি ও মানবসেবায় এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. মো. তৌফিকুল ইসলাম মিথিল ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালিত সন্তানের অবহেলায় হাসপাতালের বিছানায় বৃদ্ধা মা, দায়িত্ব নিল ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’ কুমিল্লা সীমান্তে বিজিবির অভিযান: ৩৫ লক্ষাধিক টাকার অবৈধ ভারতীয় পণ্য জব্দ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ভূমি সেবার মানোন্নয়নে এসিজি ও ভূমি কর্তৃপক্ষের মতবিনিময় সভা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভূমি ও পরিবেশ সেবার মানোন্নয়নে জেলা পরিষদ ও সনাকের মতবিনিময় সভা সাংবাদিক ফরহাদুল ইসলাম পারভেজ এর চাচা ব্যাংকার লিয়াকত আলীর ইন্তেকাল জানাযা ও দাফন সম্পন্ন স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হলে বাড়ির আঙ্গিনাসহ চারপাশ নিজ দায়িত্বে পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে জেলা পরিষদ প্রশাসকের উদ্যোগে চাকরি ফিরে পেলেন প্রতিবন্ধী পাপন কনিকাড়া কেন্দ্রীয় কবরস্থানের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে শিশুদের মাসিক আবৃত্তি অনুষ্ঠান উদ্বোধন

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২ ৩০৬ বার পড়া হয়েছে

sahitto

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সাহিত্য একাডেমি পরিচালিত প্রশিক্ষণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবৃত্তি উন্নয়নের জন্য “গঙ্গাফড়িংদের আনন্দ আড্ডা” নামক প্রতি মাসে আবৃত্তি আসরের আয়োজন করা হয়।

গত ২৫ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪টায় সাহিত্য একাডেমি পাঠাগার প্রাঙ্গণে (শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর) এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। “গঙ্গাফড়িংদের আনন্দ আড্ডা” অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন দেশের খ্যাতনামা কবি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বলেন, সাহিত্য একাডেমি ১৯৮৩ সন থেকে সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা শুরু করেন। ১৯৮৪ সন থেকে আবৃত্তি চর্চা করেন। ১৯৯২ সনে সাহিত্য একাডেমি ও ঢাকার কণ্ঠশীলনের যৌথ আয়োজনে দীর্ঘ মেয়াদী কর্মশালা পরিচালনা করা হয়। তারপর থেকে সাহিত্য একাডেমি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আবৃত্তি চর্চার বেগবান ঘটে। সাহিত্য একাডেমি আবৃত্তি চর্চায় গুরুত্ব বাড়িয়ে ২০০৩ সনে প্রতিষ্ঠা করে প্রশিক্ষণ বিভাগ। প্রশিক্ষণ বিভাগের ছেলেমেয়েরা সাহিত্য একাডেমির মান অক্ষুণ্ন রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বসহকারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, জামিনুর রহমান, মানিক রতন শর্মা, ফারুক আহমেদ ভুইয়া ও ইব্রাহিম খান সাদাৎ প্রমূখ। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক কবি জয়দুল হোসেন বলেন, নাটক ও আবৃত্তি জনজীবনে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছে। আবৃত্তি এখন একটা শিল্প মাধ্যম। শুদ্ধচর্চার মাধ্যমে আবৃত্তিতে মনোযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। অনুষ্ঠানে শিশু শিক্ষার্থীরা কবি জয়দুল হোসেনের গঙ্গাফড়িং, রোকনুজ্জামান খানের বাক বাকুম কবিতায় বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে। বড় দল কাজী নজরুল ইসলামের ভৈরবী কবিতা বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়াও সংগঠনের আবৃত্তি প্রশিক্ষক সোহেল আহাদসহ অন্যান্যরা একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন ও আবৃত্তি শিল্পী নুসরাত জাহান বুশরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাহিত্য একাডেমির আয়োজনে শিশুদের মাসিক আবৃত্তি অনুষ্ঠান উদ্বোধন

আপডেট সময় : ০৫:৫০:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ নভেম্বর ২০২২

সাহিত্য একাডেমি পরিচালিত প্রশিক্ষণ বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবৃত্তি উন্নয়নের জন্য “গঙ্গাফড়িংদের আনন্দ আড্ডা” নামক প্রতি মাসে আবৃত্তি আসরের আয়োজন করা হয়।

গত ২৫ নভেম্বর শুক্রবার বিকাল ৪টায় সাহিত্য একাডেমি পাঠাগার প্রাঙ্গণে (শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর) এ অনুষ্ঠান উদ্বোধন করা হয়। “গঙ্গাফড়িংদের আনন্দ আড্ডা” অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন দেশের খ্যাতনামা কবি, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন বলেন, সাহিত্য একাডেমি ১৯৮৩ সন থেকে সাহিত্য সংস্কৃতি চর্চা শুরু করেন। ১৯৮৪ সন থেকে আবৃত্তি চর্চা করেন। ১৯৯২ সনে সাহিত্য একাডেমি ও ঢাকার কণ্ঠশীলনের যৌথ আয়োজনে দীর্ঘ মেয়াদী কর্মশালা পরিচালনা করা হয়। তারপর থেকে সাহিত্য একাডেমি প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আবৃত্তি চর্চার বেগবান ঘটে। সাহিত্য একাডেমি আবৃত্তি চর্চায় গুরুত্ব বাড়িয়ে ২০০৩ সনে প্রতিষ্ঠা করে প্রশিক্ষণ বিভাগ। প্রশিক্ষণ বিভাগের ছেলেমেয়েরা সাহিত্য একাডেমির মান অক্ষুণ্ন রেখে দেশের বিভিন্ন জায়গায় গুরুত্বসহকারে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন, জামিনুর রহমান, মানিক রতন শর্মা, ফারুক আহমেদ ভুইয়া ও ইব্রাহিম খান সাদাৎ প্রমূখ। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক কবি জয়দুল হোসেন বলেন, নাটক ও আবৃত্তি জনজীবনে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত রয়েছে। আবৃত্তি এখন একটা শিল্প মাধ্যম। শুদ্ধচর্চার মাধ্যমে আবৃত্তিতে মনোযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। অনুষ্ঠানে শিশু শিক্ষার্থীরা কবি জয়দুল হোসেনের গঙ্গাফড়িং, রোকনুজ্জামান খানের বাক বাকুম কবিতায় বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করে। বড় দল কাজী নজরুল ইসলামের ভৈরবী কবিতা বৃন্দ আবৃত্তি পরিবেশন করেন। এছাড়াও সংগঠনের আবৃত্তি প্রশিক্ষক সোহেল আহাদসহ অন্যান্যরা একক আবৃত্তি পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাহিত্য একাডেমির সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন ও আবৃত্তি শিল্পী নুসরাত জাহান বুশরা।