সরাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ইটভাটা।
- আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৪ ৪৬১ বার পড়া হয়েছে
সরাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ইটভাটাসরাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে ইটভাটা
সরাইলে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই চলছে চার ইটভাটা। জেলা প্রশাসকের কাছে এলাকাবাসীর অভিযোগ, গ্রাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এত নিকটে ইটভাটা চালানোর অনুমতি পাই কিভাবে। ট্রাক্টরে মাটি নেয়া হচ্ছে গ্রামের বসতি এলাকা ঘেঁষা আশেপাশের ইটভাটায়। এর মধ্যে রয়েছে ‘রুপালী, ও সিয়াম’ নামের ইটভাটা যা চলছে পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র ছাড়াই। অভিযোগ উঠেছে ফসলি মাঠের সরকারি রাস্তা কেটে ফেলারও। গ্রামবাসীর বাধা, আর্তচিৎকার, কাকুতি, মিনতি কোনোটাই আমলে নিচ্ছেন না ভাটার মালিকরা। ইটভাটা গড়ে উঠেছে কালীকচ্ছ ইউনিয়নের গলানিয়া, ধর্মতীর্থ বিলের পাড় ও দৌলতপাড়া গ্রাম ঘেঁষে। সরজমিন দেখা যায়, গ্রাম ঘেঁষা কাঁচা সড়কে দিনে-রাতে চলছে ট্রাক্টর। উড়ছে ধুলো। মুহূর্তের মধ্যে সবকিছু অন্ধকার। চারিদিকে দৌড়াদৌড়ি করছে শিশুরা। তাদের নাকে মুখে প্রবেশ করছে ধুলো। সড়কের পাশে গ্রামের কৃষকদের চাষ করা সকল রবিশস্য ঢেকে যাচ্ছে ধুলোয়। বাড়িঘরের টিনের চালায় পড়েছে বালুর স্তর। ঘর থেকে বের হলেই ধুলো গিলতে হচ্ছে তাদের। ভিজা জামা-কাপড় শুকাতে হচ্ছে ঘরের ভেতরেই। কৃষক জহির মিয়া (৪৫) বলেন, কৃষি জমি ধ্বংস করে দিচ্ছে এখানকার ইটভাটাগুলো। গ্রাম ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এত নিকটে ইটভাটা চালানোর অনুমতি সরকার কীভাবে দিলেন? নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এলাকার লোকজন বলেন বিগত আওয়ামীলীগের নেতাদের প্রভাবে ইটভাটা পরিচালনা করছেন, এলাকার কেউ কিছু বললে তারা কারো কথা শুনেনি। এ ছাড়া এখানে একটি মাদ্রাসা ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীরা কষ্ট করছে। দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গ্রামের আধা কিলোমিটারের মধ্যেই এই ইটভাটা গুলো চলছে।














