ঢাকা ০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
বাঞ্ছারামপুরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে বাতিঘরের প্রচেষ্টায় তিন মাস পর পরিবারের কাছে ফিরলেন ধলাই মিয়া ১৭ বছর বয়সে বাধ্যতামূলক জাতীয় প্রশিক্ষণ কি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ বদলে দিতে পারে? জবিস্থ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ছাত্র কল্যাণ পরিষদের নেতৃত্বে দিমন-সুমন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৮ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস আটক ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কৃষি ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসব শুরু বিদ্রোহীর হুংকারে শামীমা হতে পারে সরাইল বিএনপির অন্ধের যষ্টি ব্রাহ্মণবাড়িয়া ডিপিএফ’র মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ১৬৬ বোতল ইসকফ সিরাপসহ ১ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ১টি অ্যাম্বুলেন্স থেকে ২৮ কেজি গাঁজাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী আটক

২১ আগস্টে শেখ হাসিনাকে,আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করবার জন্যই গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলো-এমপি মোকতাদির

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২ ৩০২ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন,২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে বিএনপি-জামাত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গীবাদী গোষ্ঠী প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার উপর উপর্যপুরি গ্রেনেড ছুঁড়ে মারে। ২১ আগস্টে খুনীচক্র শেখ হাসিনাকে,আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করবার জন্যই গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলো। আল্লাহর অশেষ রহমতে মঞ্চে ছুঁড়ে মারা গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয়নি না হলে নেত্রী সহ আওয়ামীলীগের সকল নেতারাই মারা যেতেন। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগই ধ্বংসের উপক্রম হতো,৭৫ এর পরিস্থিতিতে আমরা পড়ে যেতাম। সেদিনের হামলার ঘটনায় আমরা সাহসী নেত্রী আইভী রহমান সহ ২২ জনকে হারিয়েছি। সেদিন ঢাকার এমন কোনো হাসপাতাল ছিলো না যেখানে কান্নার রুল পড়েনি। তিনি আজ রোববার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়াওে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে আরো বলেন,যারা দেশে নাশকতা,সন্ত্রাস করে তারা কথায় কথায় আমাদের শিক্ষা দিতে চায়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে বিএনপি-জামাতের সরকারের সময় কিভাবে আমাদেও জাতীয় নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা ভুলিনি। আমরা ভুলিনি তাদের গ্রেনেড-বোমা সন্ত্রাস এবং পরবর্তীতে আগুন সন্ত্রাসের কথা। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ কওে বলেন,আমরা কোনো অপরাধী কর্মকান্ডকে বিনা বাঁধায় ছেড়ে দেবো না। সকল অপচেষ্টা-ঘৃণ্য কারসাজিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাগ্রত জনতা প্রতিহত করবে। তিনি বলেন,আপনারা গুম-খুনের কথা বলবেন না কারণ ৭৫ সালের পর থেকে ২১ বছর আমাদের কতোশতো নেতাকর্মীকে খুন-গুম করা হয়েছে এবং ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কতো নেতাকর্মীকে আপনারা হত্যা করেছেন তা এ দেশের মানুষ ভুলে নাই। তিনি আরো বলেন,রাশিয়া-ইউক্রেন এর যুদ্ধ এবং তেল কোম্পানীগুলো মুনাফালোভীর কারণে বাজার কিছুটা বাড়তি। এ অবস্থায় অস্থির হলে চলবেনা,ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন,করোনার দু,বছরে একজন মানুষও এদেশে না খেয়ে থাকেনি। আগামী দিনে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে মারা যাবে না। তিনি আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানুষের কোনো অভিযোগ। আমরা শেখ হাসিনার পাশে আছি-থাকবো। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের উপদপ্তর সম্পাদক মো.মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সহসভাপতি সাবেক পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিন,হেলাল উদ্দিন,মুজিবুর রহমান বাবুল,যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু,মঈনউদ্দিন মঈন,গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন,সাংগঠনিক সম্পাদক এড.মাহবুবুল আলম খোকন,সদর উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূঞা,পৌর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,জেলা যুবলীগ সভাপতি এড.শাহানুর ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক এড.সিরাজুল ইসলাম,জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এড.তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত,জেলা কৃষকলীগ আহবায়ক সাদেকুর রহমান শরীফ,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি এড.লোকমান হোসেন,জেলা শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খান আশা,জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল হোসেন রুরেল,সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোরায়রাহ,মাও.ক্বারী আনিসুর রহমান,বিজয়নগর আওয়ামীলীগ যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর মিরধা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

২১ আগস্টে শেখ হাসিনাকে,আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করবার জন্যই গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলো-এমপি মোকতাদির

আপডেট সময় : ১১:০৭:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ অগাস্ট ২০২২

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা র. আ. ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী এমপি বলেছেন,২০০৪ সালের ২১ আগস্ট আওয়ামীলীগের সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে বিএনপি-জামাত সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় জঙ্গীবাদী গোষ্ঠী প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনার উপর উপর্যপুরি গ্রেনেড ছুঁড়ে মারে। ২১ আগস্টে খুনীচক্র শেখ হাসিনাকে,আওয়ামীলীগকে ধ্বংস করবার জন্যই গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিলো। আল্লাহর অশেষ রহমতে মঞ্চে ছুঁড়ে মারা গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয়নি না হলে নেত্রী সহ আওয়ামীলীগের সকল নেতারাই মারা যেতেন। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগই ধ্বংসের উপক্রম হতো,৭৫ এর পরিস্থিতিতে আমরা পড়ে যেতাম। সেদিনের হামলার ঘটনায় আমরা সাহসী নেত্রী আইভী রহমান সহ ২২ জনকে হারিয়েছি। সেদিন ঢাকার এমন কোনো হাসপাতাল ছিলো না যেখানে কান্নার রুল পড়েনি। তিনি আজ রোববার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বঙ্গবন্ধু স্কয়াওে জেলা আওয়ামীলীগ আয়োজিত সন্ত্রাস বিরোধী সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি বিএনপি নেতাদের উদ্দেশ্য করে আরো বলেন,যারা দেশে নাশকতা,সন্ত্রাস করে তারা কথায় কথায় আমাদের শিক্ষা দিতে চায়। কিন্তু তারা ভুলে গেছে বিএনপি-জামাতের সরকারের সময় কিভাবে আমাদেও জাতীয় নেতাদের হত্যা করা হয়েছে। কিন্তু আমরা ভুলিনি। আমরা ভুলিনি তাদের গ্রেনেড-বোমা সন্ত্রাস এবং পরবর্তীতে আগুন সন্ত্রাসের কথা। তিনি হুশিয়ারী উচ্চারণ কওে বলেন,আমরা কোনো অপরাধী কর্মকান্ডকে বিনা বাঁধায় ছেড়ে দেবো না। সকল অপচেষ্টা-ঘৃণ্য কারসাজিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জাগ্রত জনতা প্রতিহত করবে। তিনি বলেন,আপনারা গুম-খুনের কথা বলবেন না কারণ ৭৫ সালের পর থেকে ২১ বছর আমাদের কতোশতো নেতাকর্মীকে খুন-গুম করা হয়েছে এবং ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত কতো নেতাকর্মীকে আপনারা হত্যা করেছেন তা এ দেশের মানুষ ভুলে নাই। তিনি আরো বলেন,রাশিয়া-ইউক্রেন এর যুদ্ধ এবং তেল কোম্পানীগুলো মুনাফালোভীর কারণে বাজার কিছুটা বাড়তি। এ অবস্থায় অস্থির হলে চলবেনা,ধৈর্য্য ধারণ করতে হবে। তিনি বলেন,করোনার দু,বছরে একজন মানুষও এদেশে না খেয়ে থাকেনি। আগামী দিনে শেখ হাসিনার বাংলাদেশে কোনো মানুষ না খেয়ে মারা যাবে না। তিনি আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মানুষের কোনো অভিযোগ। আমরা শেখ হাসিনার পাশে আছি-থাকবো। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা আওয়ামীলীগের উপদপ্তর সম্পাদক মো.মনির হোসেন এর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা আল মামুন সরকার, সহসভাপতি সাবেক পৌর মেয়র হেলাল উদ্দিন,হেলাল উদ্দিন,মুজিবুর রহমান বাবুল,যুগ্ম-সম্পাদক মাহবুবুল বারী চৌধুরী মন্টু,মঈনউদ্দিন মঈন,গোলাম মহিউদ্দিন খান খোকন,সাংগঠনিক সম্পাদক এড.মাহবুবুল আলম খোকন,সদর উপজেলা সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ভূঞা,পৌর সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম,জেলা যুবলীগ সভাপতি এড.শাহানুর ইসলাম,সাধারণ সম্পাদক এড.সিরাজুল ইসলাম,জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক এড.তাসলিমা সুলতানা খানম নিশাত,জেলা কৃষকলীগ আহবায়ক সাদেকুর রহমান শরীফ,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ সভাপতি এড.লোকমান হোসেন,জেলা শ্রমিকলীগ সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খান আশা,জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি রবিউল হোসেন রুরেল,সাধারণ সম্পাদক শাহাদাত হোসেন শোভন,বীর মুক্তিযোদ্ধা আবু হোরায়রাহ,মাও.ক্বারী আনিসুর রহমান,বিজয়নগর আওয়ামীলীগ যুগ্ম-সম্পাদক জাহাঙ্গীর মিরধা।