ঢাকা ০১:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুমিন ফারহানার গলায় টাকার মালা পরিয়ে দেন এক ভক্ত ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মুশফিকুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা ও ১টি অটোরিক্সাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মাঝে প্রতিবেশী ঐক্য ফোরামের কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলেমওলামাদের সমাবেশে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল আশুগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের বরণ ও কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত এখন সকাল-বিকাল দল থেকে ফোন আসে মন্ত্রীত্ব দিবে, আসনটি ছেড়ে দেবার জন্য – রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমাবেশে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ নবীনগরে দূরপাল্লার বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

সরাইলে ভাষা দিবসের প্রস্তুতি সভায় দুই প্রস্তাব

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪ ২৫৯ বার পড়া হয়েছে

সরাইলে ভাষা দিবসের প্রস্তুতি সভায় দুই প্রস্তাব

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুল, সরাইল থেকেঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা দিবস তথা মহান ২১ শে ফেব্রূয়ারি পালনের প্রস’তি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকালে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে উনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা, অধ্যক্ষ, কলেজ শিক্ষক, শিক্ষক, গণমাধ্যম কর্মী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদসহ নানা শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইউএনও বলেন, মহান ২১ শে ফেব্রূয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সরকারী ভাবে দেয়া কর্মসূচির মধ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে পরিবর্তন বা প্রস্তাব এসেছে। নতুন নিয়মে জাতীয় অর্ধনমিত করতে হবে ব্যবহৃত খুঁটি বা লাঠির চার ভাগের এক ভাগ নীচে। অর্থাৎ খুঁটিকে মেপে সমান চার ভাগ করে উপরের অংশের এক ভাগের শেষ সীমানায় নীচের অংশে পতাকার উপরের অংশের ফিতা বাঁধতে হবে। এরপর টান দিয়ে নীচে যতটুকু যায় বেঁধে ফেলতে হবে। শহিদ মিনারে পুষ্ফস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা, রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা পূর্বের মতই আছে। সভায় সরাইল মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাহবুব খান প্রস্তাব করেন, ভাষা আন্দোলনের ৭১ বছর পরও সরাইলে কিন্ডার গার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রসা ও কলেজসহ মোট ২২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আদৌ নির্মাণ হয়নি শহিদ মিনার। সরকারী/ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ/ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছোট করে হলেও দ্রূত শহিদ মিনার নির্মাণ করা হউক। ফলে নতুন প্রজন্ম খুবই উপকৃত হবে। অন্যান্যের মধ্যে সভায় বক্তব্য রাখেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছরিন সুলতানা, সরাইল সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. নোমান মিয়া, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহিদ খালিদ জামিল খান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নৌশাদ মাহমুদ, বিআরডিবি কর্মকর্তা মাসুদ রানা, মৎস্য কর্মকর্তা মুকসুদ হোসেন, সরাইল প্রেসক্লাবের আহবায়ক মো. আইয়ুব খান প্রমূখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলে ভাষা দিবসের প্রস্তুতি সভায় দুই প্রস্তাব

আপডেট সময় : ১০:৫৯:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

মাহবুব খান বাবুল, সরাইল থেকেঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় ভাষা দিবস তথা মহান ২১ শে ফেব্রূয়ারি পালনের প্রস’তি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ সোমবার সকালে নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবা উল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে উনার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় জনপ্রতিনিধি, সরকারী কর্মকর্তা, অধ্যক্ষ, কলেজ শিক্ষক, শিক্ষক, গণমাধ্যম কর্মী, সাহিত্যিক, রাজনীতিবিদসহ নানা শ্রেণি পেশার লোকজন উপস্থিত ছিলেন। সভায় ইউএনও বলেন, মহান ২১ শে ফেব্রূয়ারি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালনের সরকারী ভাবে দেয়া কর্মসূচির মধ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে পরিবর্তন বা প্রস্তাব এসেছে। নতুন নিয়মে জাতীয় অর্ধনমিত করতে হবে ব্যবহৃত খুঁটি বা লাঠির চার ভাগের এক ভাগ নীচে। অর্থাৎ খুঁটিকে মেপে সমান চার ভাগ করে উপরের অংশের এক ভাগের শেষ সীমানায় নীচের অংশে পতাকার উপরের অংশের ফিতা বাঁধতে হবে। এরপর টান দিয়ে নীচে যতটুকু যায় বেঁধে ফেলতে হবে। শহিদ মিনারে পুষ্ফস্তবক অর্পণ ও আলোচনা সভা, রচনা ও চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা পূর্বের মতই আছে। সভায় সরাইল মহিলা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ মাহবুব খান প্রস্তাব করেন, ভাষা আন্দোলনের ৭১ বছর পরও সরাইলে কিন্ডার গার্টেন, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, মাদ্রসা ও কলেজসহ মোট ২২৫টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আদৌ নির্মাণ হয়নি শহিদ মিনার। সরকারী/ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ/ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি/ বিত্তশালী ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় প্রত্যেকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছোট করে হলেও দ্রূত শহিদ মিনার নির্মাণ করা হউক। ফলে নতুন প্রজন্ম খুবই উপকৃত হবে। অন্যান্যের মধ্যে সভায় বক্তব্য রাখেন- সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাছরিন সুলতানা, সরাইল সরকারী কলেজের অধ্যক্ষ মৃধা আহমাদুল কামাল, স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. নোমান মিয়া, মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহিদ খালিদ জামিল খান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নৌশাদ মাহমুদ, বিআরডিবি কর্মকর্তা মাসুদ রানা, মৎস্য কর্মকর্তা মুকসুদ হোসেন, সরাইল প্রেসক্লাবের আহবায়ক মো. আইয়ুব খান প্রমূখ।