ঢাকা ১১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
রুমিন ফারহানার গলায় টাকার মালা পরিয়ে দেন এক ভক্ত ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাব কর্তৃপক্ষের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনে বিএনপির চূড়ান্ত মনোনয়ন পেয়েছেন মুশফিকুর রহমান ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজা ও ১টি অটোরিক্সাসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় শীতার্ত মানুষের মাঝে প্রতিবেশী ঐক্য ফোরামের কম্বল বিতরণ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আলেমওলামাদের সমাবেশে ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল আশুগঞ্জ উপজেলা কল্যাণ সমিতির উপদেষ্টা পরিষদের বরণ ও কার্যকরী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত এখন সকাল-বিকাল দল থেকে ফোন আসে মন্ত্রীত্ব দিবে, আসনটি ছেড়ে দেবার জন্য – রুমিন ফারহানা ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সমাবেশে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ নবীনগরে দূরপাল্লার বাসের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত

সরাইলে ধর্মতীর্থ গণহত্যা দিবস পালিত

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২ ১৯৭ বার পড়া হয়েছে

sorail

আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলের কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ধর্মতীর্থ এলাকার গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৭২ সালের এই দিনে সরাইল নাসিরনগর লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিকচ্ছ ধর্মতীর্থ এলাকায় এই গনণহত্যা চালিয়েছিল পাক হানাদার বাহিনী ও পাকিস্তানের দোসর স্থানীয় রাজাকাররা। তাই প্রতি বছরের ন্যায় আজ মঙ্গলবার ( ১৮ অক্টাবর) বিকেলে গণহত্যায় শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে স্থানটিতে পুস্ফস্তবক অর্পণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা। এসময় সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজ আলী’র সঞ্চালনায় ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসমত আলী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক দুইবারের সাংসদ এডঃ জিয়াউল হক মৃধা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহীদ খালিদ জামিল খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা এডঃ আব্দুর রাশেদ,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা নান্নু মিয়া, কালিকচ্ছ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক বিল্লাল মিয়া প্রমুখ। বক্তারা এসময় বলেন, আজকের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ও স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় গুলি করে নির্মম ভাবে ৪৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এখানে হত্যা করে। তৎকালীন সময়ের রাজাকারদের উত্তরসূরিরা এই স্থানটি নিয়ে বারবার ষড়যন্ত্র করেছেন। কিন্তু তারা ৭১এর মত সফল হতে পারেননি। বক্তারা সরকারের কাছে শহীদদের স্মৃতিরক্ষার্থে এখানে অচিরেই একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানান।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলে ধর্মতীর্থ গণহত্যা দিবস পালিত

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অক্টোবর ২০২২

মাহবুব খান বাবুলঃ সরাইল থেকেঃ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরাইলের কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ধর্মতীর্থ এলাকার গণহত্যা দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৭২ সালের এই দিনে সরাইল নাসিরনগর লাখাই আঞ্চলিক মহাসড়কের কালিকচ্ছ ধর্মতীর্থ এলাকায় এই গনণহত্যা চালিয়েছিল পাক হানাদার বাহিনী ও পাকিস্তানের দোসর স্থানীয় রাজাকাররা। তাই প্রতি বছরের ন্যায় আজ মঙ্গলবার ( ১৮ অক্টাবর) বিকেলে গণহত্যায় শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে স্থানটিতে পুস্ফস্তবক অর্পণ করেছেন উপজেলা প্রশাসন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতারা। এসময় সাবেক উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহফুজ আলী’র সঞ্চালনায় ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসমত আলী’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাবেক দুইবারের সাংসদ এডঃ জিয়াউল হক মৃধা। এছাড়াও বিশেষ অতিথি উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সহীদ খালিদ জামিল খান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামীলীগ নেতা এডঃ আব্দুর রাশেদ,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সাহিত্য একাডেমির সভাপতি কবি জয়দুল হোসেন, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা ডেপুটি কমান্ডার আনোয়ার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা নান্নু মিয়া, কালিকচ্ছ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল খান, মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের আহবায়ক বিল্লাল মিয়া প্রমুখ। বক্তারা এসময় বলেন, আজকের এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী ও স্থানীয় রাজাকারদের সহযোগিতায় গুলি করে নির্মম ভাবে ৪৪ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এখানে হত্যা করে। তৎকালীন সময়ের রাজাকারদের উত্তরসূরিরা এই স্থানটি নিয়ে বারবার ষড়যন্ত্র করেছেন। কিন্তু তারা ৭১এর মত সফল হতে পারেননি। বক্তারা সরকারের কাছে শহীদদের স্মৃতিরক্ষার্থে এখানে অচিরেই একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের দাবি জানান।