সরাইলে দ্রূত ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন। গত ৭ দিনে ৬৯ জনের মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের ৬ জনসহ সনাক্ত হয়েছে ৩৫ জন। আক্রান্তের হার ৫০ ভাগেরও বেশী। স্বাস্থ্য বিভাগ কিছুটা চিন্তিত হলেও সাধারণ লোকজন কিছুই মনে করছে না। সরকার নির্দেশিত স্বাস্থ্যবিধি শুধু কাগজে। বাস্তবে সকলের জীবনযাত্রা একেবারেই স্বাভাবিক। সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সূত্র জানায়, কোভিট-১৯ এর রেশ কাটতে না কাটতেই দেশে দেখা দিয়েছে ওমিক্রন। এ ভাইরাসটি দ্রূত ছড়ায় ও আক্রান্ত করে। কিন্তু রোগীকে খুব সহজে ও দ্রূততম সময়ে কাহিল করতে পারে না। গত এক সপ্তাহে সরাইলে দ্রূত ছড়িয়ে পড়ছে ওমিক্রন। গত শনিবার থেকে আজ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মোট ৬৯ জন নিরীক্ষা করেছেন। ওমিক্রন পজেটিভ এসেছে ৩৫ জনের। এরমধ্যে রয়েছে ৪ জন চিকিৎসক ও ২ জন সেবিকা। শুধু গতকালই ৮ জনের মধ্যে ৬ জনের ফলাফল পজেটিভ।

আর দুইদিন আগে ১৩ জনের মধ্যে ১১ জনের পজেটিভ এসেছে। তবে এখানে নিরীক্ষার হার খুবই কম। লোকজন নিরীক্ষা করতে আসে না। এন্টিজেল পক্রিয়ার নিরীক্ষায় পজেটিভ হলে সাথে সাথে জানা যায়। আর নেগেটিভ হলে জানতে সময় লাগে। এখানে ওমিক্রন দ্রূত ছড়িয়ে পড়লেও চিন্তিত নন সাধারণ মানুষ। সকল শ্রেণি পেশার মানুষের জীবনযাত্রা এখনো স্বাভাবিক। স্বাস্থ্যবিধির ধারে কাছেও নেই কেউ। মাস্ক ব্যবহারের বিষয়ে এখানে উদাসীন শতকরা ৯৫ ভাগ লোক। মাস্ক ছাড়াই চলছে হাটবাজার চিকিৎসাসেবা ও সরকারী বেসরকারী সেবা গ্রহণের কাজ। অটোরিকশাতে গিজাগিজি করে বসছে ৪-৬ জন যাত্রী। কোথাও সামাজিক দূরত্বের কোন বালাই নেই। স্থানীয় ও দূর পাল্লার যাত্রীবাহী বাস/কোচের দুই জনের আসনে একজন করে বসার সরকারী সিদ্ধান্ত থাকলেও কোন পরিবহনই মানছেন না সেই আইন। সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: মো. নোমান মিয়া বলেন, আসলেই সনাক্তের হার বেশী। কারণ বর্তমান এই ওমিক্রন ভাইরাসটি দ্রূত সংক্রমিত হচ্ছে। তবে মানব দেহের খুব বেশী ক্ষতি করার শক্তি বহন করে না। এ ছাড়া ইতিমধ্যে অনেকে টিকা গ্রহণ করেছেন। আমাদের এখানে নিয়মিতই নিরীক্ষার কাজ চলছে।

মাহবুব খান বাবুল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here