ঢাকা ০২:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
আখাউড়ায় জামায়াত প্রার্থীর গাড়িতে হামলা অভিযোগ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলায় ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা পৃথক অভিযানে ১০০২টি গুলিসহ ৫টি এয়ারগান উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন জাতীয় পাটি মনোনীত প্রার্থী সুষ্ঠু নির্বাচন করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি – জেলা প্রশাসক নবীনগরে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া সকল দোকান বন্ধের নির্দেশ পৌর কতৃপক্ষের! নবীনগরে সড়ক দূর্ঘটনায় গুরুতর আহত সাংবাদিক। নবীনগরে গণসংযোগ, ও লিফলেট বিতরণ বিএনপি থেকে নবীনগরের সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান-মেয়রসহ বহিষ্কার ৮ বিজয়নগরে কায়রা বিল থেকে অজ্ঞাত নারীর পঁচা-গলিত লাশ উদ্ধার

সরাইলের সাপুর মৃত্যুতে শোকসভা

প্রতিনিধির নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল ২০২২ ৩২৩ বার পড়া হয়েছে
আজকের জার্নাল অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সরাইলের সাপুর মৃত্যুতে শোকসভায় বক্তারা-‘বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাই, নতুবা কঠোর কর্মসূচি দিব’

সরাইলে পুলিশ হেফাজতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজির আহমেদ সাপুর (৪০) রহস্যজনক মৃত্যু নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। নিহতের পরিবারের লোকজনের তীর স্থানীয় ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট ও পুলিশের দিকে। তারা বলছেন এ হত্যাকান্ড পরিকল্পিত। সাপুর মৃত্যুতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে আজ শুক্রবার বাদ জুমআ আলীনগর মাদরাসা মাঠে এক শোকসভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, সাপুকে সুকৌশলে হত্যা করা হয়েছে। কারণ জায়গার বিরোধকে কেন্দ্র করে সাপুকে গত ৩/৪ বছর ধরেই নানা ধরণের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল একটি ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের কতিপয় সদস্য। ঘটনার দিন সকাল বেলাও সাপুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। সাপু হুমকির বিষয়টি গ্রামের অনেক সালিসকারক ও মুরব্বিকে জানিয়েছিল। সাপু হত্যার তদন্ত পুলিশ দিয়ে হবে না। কারণ যে পুলিশ চোরের সাথে ঘরের মালিককে থানায় ফোর্স করে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই মালিক (সাপু) লাশ হয়ে যায়। সেই পুলিশের উপর বিন্দু পরিমান ভরসা রাখতে পারছি না। বক্তারা বলেন, আমরা এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় অথবা অন্যকোন সংস্থার দ্বারা তদন্ত চাই। এর ব্যাতিক্রম হলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। মনে রাখবেন সাপুর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠগড়ায় না এনে আমরা ঘরে ফিরব না। তবে পুলিশ বলছেন, পুলিশ হেফাজতে নয়। প্রতিপক্ষের দ্বারা শাররীক মানসিক নির্যাতনে ষ্ট্রোক জনিত কারণে সাপুর মৃত্যু হয়েছে। মামলার বাদী করার জন্য সাপুকে থানায় আনা হয়েছিল। প্রভাষক জাফর আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহ মো. আবুল কাশেম। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আব্দুর রাশেদ, আ’লীগ নেতা সৈয়দ তানবির হোসেন কাউসার, সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সহকারি সমিতির সভাপতি মো. নুরূ মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন, আ’লীগ নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান, সাংবাদিক মো. আবেদুর অর শাহিন, হানিফ মুন্সী, এডভোকেট জয়নাল উদ্দিন, শাহ মো. রইছ আলী, ইউপি সদস্য সালাহ উদ্দিন সুরূজ, জয়নাল আবেদীন ও বিল্লাল মিয়া প্রমূখ। বক্তারা বলেন, সমগ্র উপজেলায় পুলিশ সোর্স নামের কিছু দালাল রেখেছেন। এদের থেকেও সাবধান থাকতে হবে। কিছুদিন পূর্বে স্বাভাবিক একটি মামলার আসামীকে শাহজাদাপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর থেকে গ্রেপ্তার করে দেওড়া গ্রামের পূর্ব পাশের মাঠে নির্জন জায়াগায় বেধরক পিটিইয়েছে পুলিশ। এসব কোন আইনে আছে? নিহত সাপুর বড় ভাই হোসাইন আহমেদ তফছির ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেন, সরাইলবাসী আপনারা আমার ভাইয়ের ক্রয়কৃত জায়গার কাগজপত্র দেখে ফায়সালা করে দেন। কারণ জায়গার জন্য সাপুর মত আমাদের অন্য কাউকেও হত্যা করতে পারে।

মাহবুব খান বাবুল

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

সরাইলের সাপুর মৃত্যুতে শোকসভা

আপডেট সময় : ১০:৪৯:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল ২০২২

সরাইলের সাপুর মৃত্যুতে শোকসভায় বক্তারা-‘বিচার বিভাগীয় তদন্ত চাই, নতুবা কঠোর কর্মসূচি দিব’

সরাইলে পুলিশ হেফাজতে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা নাজির আহমেদ সাপুর (৪০) রহস্যজনক মৃত্যু নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে। নিহতের পরিবারের লোকজনের তীর স্থানীয় ভূমিদস্যু সিন্ডিকেট ও পুলিশের দিকে। তারা বলছেন এ হত্যাকান্ড পরিকল্পিত। সাপুর মৃত্যুতে গ্রামবাসীর উদ্যোগে আজ শুক্রবার বাদ জুমআ আলীনগর মাদরাসা মাঠে এক শোকসভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় বক্তারা বলেন, সাপুকে সুকৌশলে হত্যা করা হয়েছে। কারণ জায়গার বিরোধকে কেন্দ্র করে সাপুকে গত ৩/৪ বছর ধরেই নানা ধরণের হুমকি ধমকি দিয়ে আসছিল একটি ভূমিদস্যু সিন্ডিকেটের কতিপয় সদস্য। ঘটনার দিন সকাল বেলাও সাপুকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছে। সাপু হুমকির বিষয়টি গ্রামের অনেক সালিসকারক ও মুরব্বিকে জানিয়েছিল। সাপু হত্যার তদন্ত পুলিশ দিয়ে হবে না। কারণ যে পুলিশ চোরের সাথে ঘরের মালিককে থানায় ফোর্স করে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পরই মালিক (সাপু) লাশ হয়ে যায়। সেই পুলিশের উপর বিন্দু পরিমান ভরসা রাখতে পারছি না। বক্তারা বলেন, আমরা এ ঘটনার বিচার বিভাগীয় অথবা অন্যকোন সংস্থার দ্বারা তদন্ত চাই। এর ব্যাতিক্রম হলে কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। মনে রাখবেন সাপুর হত্যাকারীদের চিহ্নিত করে বিচারের কাঠগড়ায় না এনে আমরা ঘরে ফিরব না। তবে পুলিশ বলছেন, পুলিশ হেফাজতে নয়। প্রতিপক্ষের দ্বারা শাররীক মানসিক নির্যাতনে ষ্ট্রোক জনিত কারণে সাপুর মৃত্যু হয়েছে। মামলার বাদী করার জন্য সাপুকে থানায় আনা হয়েছিল। প্রভাষক জাফর আহমেদের সঞ্চালনায় সভায় সভাপতিত্ব করেন শাহ মো. আবুল কাশেম। বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আ’লীগের যুগ্ম আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট আব্দুর রাশেদ, আ’লীগ নেতা সৈয়দ তানবির হোসেন কাউসার, সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সহকারি সমিতির সভাপতি মো. নুরূ মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ডেপুটি কমান্ডার মো. আনোয়ার হোসেন, আ’লীগ নেতা মো. মোস্তাফিজুর রহমান, সরাইল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মাহবুব খান, সাংবাদিক মো. আবেদুর অর শাহিন, হানিফ মুন্সী, এডভোকেট জয়নাল উদ্দিন, শাহ মো. রইছ আলী, ইউপি সদস্য সালাহ উদ্দিন সুরূজ, জয়নাল আবেদীন ও বিল্লাল মিয়া প্রমূখ। বক্তারা বলেন, সমগ্র উপজেলায় পুলিশ সোর্স নামের কিছু দালাল রেখেছেন। এদের থেকেও সাবধান থাকতে হবে। কিছুদিন পূর্বে স্বাভাবিক একটি মামলার আসামীকে শাহজাদাপুর ইউনিয়নের নিয়ামতপুর থেকে গ্রেপ্তার করে দেওড়া গ্রামের পূর্ব পাশের মাঠে নির্জন জায়াগায় বেধরক পিটিইয়েছে পুলিশ। এসব কোন আইনে আছে? নিহত সাপুর বড় ভাই হোসাইন আহমেদ তফছির ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেন, সরাইলবাসী আপনারা আমার ভাইয়ের ক্রয়কৃত জায়গার কাগজপত্র দেখে ফায়সালা করে দেন। কারণ জায়গার জন্য সাপুর মত আমাদের অন্য কাউকেও হত্যা করতে পারে।

মাহবুব খান বাবুল