শুক্রবার দুপুরে ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট দিয়ে তারা বাংলাদেশ প্রবেশ করেন। তারা ভারেত পাচার হয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। দেশে ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপেজলার সন্তোষ দেব, নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপেজলার বিজয় চুন্নু, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপেজলার ময়না বেগম, পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপেজলার রোজিনা বেগম এবং কুমিল্লার চান্দিনা উপেজলার কুলসুম বেগম। ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের সহযোগীতায় তাদেরকে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এসময় আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে তাদেরকে জরুরী সহায়তা হিসেবে খাবার, কাউন্সেলিং সেবা ও নগদ ১০ হাজার টাকা করে অর্থ সহায়তা প্রদান করা হয়। ব্র্যাক মাইগ্রেশন কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান ও আখাউড়া উপেজলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার এসব তাদের হাতে তুলে দেন। ভারত থেকে ফিরে আসা ব্যক্তিদের নথিপত্র সূত্রে জানা গেছে, এই পাঁচজন বাংলাদিশ মানিসক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে বিভন্ন সময়ে আটক হন। এরপর আদালতের নির্দেশে আগরতলার নরসিঙ্গর এলাকার মডার্ন সাইক্রিয়াাট্রিক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। সুস্থ হওয়ার পর তাদের নাগিরকত্ব যাচাইয়ের পর স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যোগাযোগ করে তাদের দেশে ফেরার জন্য ভারত সরকারের অনাপত্তি সংগ্রহ করে আগরতলার সহকারী হাইকিমশন। ভারত ফেরত বাংলাদেশীদের হস্তান্তরের সময় ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তাবৃন্দ, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আক্তার,বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান, স্বেচ্ছাসেবক সৈয়দ খায়রুল আলম এবং পাচার হওয়া ব্যাক্তিদের স্বজনরা উপস্থিত ছিলেন।

এনই আকন্ঞ্জি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here